শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরাঙ্গনা ফুলমতিকে শেষ বিদায়

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতনের শিকার গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের বীরাঙ্গনা রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে সাদুল্লাপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে তার মরদেহে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের সময় জেলা-উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফুলমতির মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অসুস্থতাজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মারা যান ফুলমতি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন। দীর্ঘ ৪৫ বছর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য অপেক্ষার পর ২০১৬ সালের মার্চে বীরাঙ্গনা হিসেবে স্বীকৃতি পান তিনি।

জীবনের শেষ দিকে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হন ফুলমতি। প্রায় দুই বছর আগে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তার ডান হাত-পা অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে অনেকটাই শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি।

মৃত্যুকালে ফুলমতি চার ছেলে, এক মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরাঙ্গনা ফুলমতিকে শেষ বিদায়

প্রকাশের সময়: ০৫:৫০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতনের শিকার গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের বীরাঙ্গনা রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে সাদুল্লাপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাঠে তার মরদেহে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের সময় জেলা-উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ফুলমতির মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় অসুস্থতাজনিত কারণে নিজ বাড়িতে মারা যান ফুলমতি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

রাজকুমারী রবিদাস ফুলমতি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন। দীর্ঘ ৪৫ বছর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য অপেক্ষার পর ২০১৬ সালের মার্চে বীরাঙ্গনা হিসেবে স্বীকৃতি পান তিনি।

জীবনের শেষ দিকে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হন ফুলমতি। প্রায় দুই বছর আগে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তার ডান হাত-পা অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে অনেকটাই শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি।

মৃত্যুকালে ফুলমতি চার ছেলে, এক মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।