শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে ঠান্ডা ও কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে জানুয়ারি মাসের শুরুতেই শীতের দাপট চরম আকার ধারণ করেছে। কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। দুপুরের দিকে স্বল্প সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা কমছে না। গতকাল ৪ জানুয়ারি রবিবার ভোরের দিকে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন কুয়াশার চাদরে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কুয়াশার সঙ্গে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। বেলা বৃদ্ধির পর সূর্য উঁকি দিলেও ঠান্ডার অনুভূতি একই রকম থেকে যাচ্ছে।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ। যা ঠান্ডার অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এ শীতে ঠান্ডার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশা ভ্যানচালকসহ কৃষিজীবি ও শ্রমজীবী মানুষেরা। ভোরের দিকে কাজের সন্ধানে বের হতে না পারায় অনেকেরই দৈনন্দিন রোজগার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে জীবিকার চাপ ও দুর্ভোগ। ঠান্ডা থেকে পরিত্রাণ পেতে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে তাপ নিচ্ছেন। গৃহপালিত পশুগুলোও শীতে চরম দূর্ভোগে পড়েছে। সড়কগুলোতে দূরপাল্লাসহ গাড়িগুলো ধীরগতিতে চলাচল করছে।

উপজেলার রানীরবন্দর বাসস্ট্যান্ডে রিকশা ভ্যানচালক রবিউল ইসলামসহ কয়েকজন বলেন, প্রচন্ড শীতে ঘর থেকে বের হওয়াই যাচ্ছে না। রোদের দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা একটুও কমছে না। কয়েকজন দিনমজুর জানান, জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়েই বাইরে বের হতে হয়। ঠান্ডা তো আর পেটের কথা বোঝে না। কষ্ট যতই হোক, কাজ তো করতেই হবে।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, গত তিনদিন ধরে দুপুরে সূর্যের দেখা মিললেও শীত কমেনি। বর্তমানে কনকনে ঠান্ডা, হিমেল বাতাস ও আর্দ্রতার কারণে জনজীবন অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে ঠান্ডা ও কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশের সময়: ০৯:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে জানুয়ারি মাসের শুরুতেই শীতের দাপট চরম আকার ধারণ করেছে। কনকনে ঠান্ডা, ঘন কুয়াশা ও বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। দুপুরের দিকে স্বল্প সময়ের জন্য সূর্যের দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা কমছে না। গতকাল ৪ জানুয়ারি রবিবার ভোরের দিকে উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন কুয়াশার চাদরে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কুয়াশার সঙ্গে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। বেলা বৃদ্ধির পর সূর্য উঁকি দিলেও ঠান্ডার অনুভূতি একই রকম থেকে যাচ্ছে।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৯০ শতাংশ। যা ঠান্ডার অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এ শীতে ঠান্ডার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশা ভ্যানচালকসহ কৃষিজীবি ও শ্রমজীবী মানুষেরা। ভোরের দিকে কাজের সন্ধানে বের হতে না পারায় অনেকেরই দৈনন্দিন রোজগার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে জীবিকার চাপ ও দুর্ভোগ। ঠান্ডা থেকে পরিত্রাণ পেতে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে তাপ নিচ্ছেন। গৃহপালিত পশুগুলোও শীতে চরম দূর্ভোগে পড়েছে। সড়কগুলোতে দূরপাল্লাসহ গাড়িগুলো ধীরগতিতে চলাচল করছে।

উপজেলার রানীরবন্দর বাসস্ট্যান্ডে রিকশা ভ্যানচালক রবিউল ইসলামসহ কয়েকজন বলেন, প্রচন্ড শীতে ঘর থেকে বের হওয়াই যাচ্ছে না। রোদের দেখা মিললেও শীতের তীব্রতা একটুও কমছে না। কয়েকজন দিনমজুর জানান, জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়েই বাইরে বের হতে হয়। ঠান্ডা তো আর পেটের কথা বোঝে না। কষ্ট যতই হোক, কাজ তো করতেই হবে।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, গত তিনদিন ধরে দুপুরে সূর্যের দেখা মিললেও শীত কমেনি। বর্তমানে কনকনে ঠান্ডা, হিমেল বাতাস ও আর্দ্রতার কারণে জনজীবন অসহনীয় হয়ে উঠেছে।