গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোছাঃ জিন্নাতুন ফেরদৌসীর নেতৃত্বে অর্ধশত নারী বিএনপিতে যোগদান করেছে। তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদ চাকুরি করতেন। গত বছরের জুন মাসের ১০ তারিখে চাকুরি থেকে অবসরে যান তিনি।
মঙ্গলবার দুুপুর ১ টার দিকে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলীর নিজস্ব বাসভবন চন্ডিপুর ইউনিয়নের সীচায় তাকে ফুল দিয়ে দলে যোগ দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শান্তিরাম ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক এম মাহফুজার রহমান লেলিন, বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন যুব দলের সদস্য মো. আবদুস সালাম লিটন, মহিলা দলের নেত্রী মোছাঃ শাপলা বেগম ও মোছাঃ ববিতা বেগমসহ অনেকে।
যোগদান অনুষ্ঠানে নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বিএনপির এমপি প্রার্থী অধ্যাপক ডাঃ খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী জানান, “দেশ আজ গভীর রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সেই ক্রান্তিলগ্নে দলে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত যোগদান প্রমাণ করে-বিএনপি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের আশ্রয়স্থল। কাজেই পুরাতন ও নতুনদের মধ্যে কোনো ব্যবধান থাকবে না। সবাইকে সমান চোখে দেখা হবে।”
দলে যোগদান করা নবাগত কলেজ শিক্ষার্থী মোছাঃ তাসফিয়া বেগম বলেন, “ডাঃ জিয়া স্যারের কয়েকটি নির্বাচনী প্রচারণা দেখেছি। উনি ভোট চাইতে গিয়ে সাধারণ মানুষের খোঁজ নিচ্ছেন। পাশাপাশি চোখের চিকিৎসা দিচ্ছেন। বিষয়টি আমার অত্যান্ত ভালো লেগেছে। দেশের স্বার্থে উনার মতো ভালো ও ভদ্র মানুষকে আমাদের সাপোর্ট করা দরকার। সে কারনেই মুলতঃ এ দলে যোগ দিলাম। বাকি জীবনটা যেনো এ দলের হয়ে কাজ করতে পারি।”
প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক মোছাঃ জিন্নাতুন ফেরদৌসী বলেন, তখন আমি দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিলাম। কোনো এক অনুষ্ঠানে প্রসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছিলো। তখন উনি মাটি কেটে আমার মাথায় তুলে দেন। উনার গলায় ছিলো কালো একটি তাবিজের মতো। আমি সেটাতে হাত দিলে উনি আমার দিকে তাকান এবং মুচকি হাসি দিয়ে বলেন- ধন্যবাদ এগিয়ে যাও। তখন থেকেই মূলত আমি বিএনপির প্রতি দুর্বল। কিন্ত চাকুরী করার কারণে দল করতে পারিনি। আপনার মতো ভালো মানুষ পেয়ে আজকে দলে যোগদান করছি।”
নিজস্ব প্রতিবেদক 



















