শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফুলছড়িতে শতাধিক দুস্থ মানুষ পেলেন শীতবস্ত্র

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার শতাধিক দুস্থ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিদরণ করা হয়েছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) অ্যাকশন ফর ব্যালেন্স অন ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিগনিটি (এবিসিডি), আরএইচস্টেপ ও সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে “উষ্ণতা ২০২৬” শীর্ষক এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

এ উপলক্ষে ফুলছড়ি উপজেলার উত্তর উড়িয়া ও গুভরি এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে ৫০টি কম্বল এবং ৬০ জনের জন্য কাপড় বিতরণ করা হয়।

শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপকৃত হন শিশু, কিশোর-কিশোরী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং বয়স্ক নারী-পুরুষ যারা তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন- সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মেহেদী হাসান, ইয়ুথ লিডার মোছাদ্দেক সরকার মুহিত, জান্নাতুল মিনজিয়া তুলি, রাফিউজ্জামান, মৃত্তিকা সরকার অর্পা, জাহিদ হাসান, আরএইচস্টেপ আলোর ধারা পাঠশালা, গাইবান্ধা কেন্দ্রের ইয়ুথ অফিসার তাজবিউল ইসলাম, ফিল্ড মোটিভেটর অনু খাতুন, ইয়ুথ এডভোকেট আবুবক্কর সিদ্দিক, রাকিবুল ইসলাম, আবু মুসলিমসহ অনেকে।

উপকারভোগী মছি বেগম (৫৭) নামের এক বৃদ্ধা বলেন, এই কনকনে শীতে আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য কম্বল পাওয়া খুব কষ্টের। আজ যে কম্বলটা পেলাম, এতে আমার অনেক উপকার হবে। যারা আমাদের কথা ভেবেছেন, তাদের জন্য দোয়া করি।

সেলিম পারভেজ নামের এক কিশোর বলে, শীতে পড়াশোনা করতে খুব কষ্ট হতো। এই কম্বল পেয়ে এখন রাতে আর ঠান্ডায় কাঁপতে হবে না। আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

কর্মসূচি সম্পর্কে সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, শীত শুধু আবহাওয়ার বিষয় নয়, এটি দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জন্য একটি বড় সংকট। ‘উষ্ণতা ২০২৬’ কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীসহ ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।

জনপ্রিয়

ফুলছড়িতে শতাধিক দুস্থ মানুষ পেলেন শীতবস্ত্র

প্রকাশের সময়: ০৫:২১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার শতাধিক দুস্থ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিদরণ করা হয়েছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) অ্যাকশন ফর ব্যালেন্স অন ক্লাইমেট অ্যান্ড ডিগনিটি (এবিসিডি), আরএইচস্টেপ ও সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে “উষ্ণতা ২০২৬” শীর্ষক এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়।

এ উপলক্ষে ফুলছড়ি উপজেলার উত্তর উড়িয়া ও গুভরি এলাকায় শীতার্ত মানুষের মাঝে ৫০টি কম্বল এবং ৬০ জনের জন্য কাপড় বিতরণ করা হয়।

শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে উপকৃত হন শিশু, কিশোর-কিশোরী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং বয়স্ক নারী-পুরুষ যারা তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

এ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন- সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মেহেদী হাসান, ইয়ুথ লিডার মোছাদ্দেক সরকার মুহিত, জান্নাতুল মিনজিয়া তুলি, রাফিউজ্জামান, মৃত্তিকা সরকার অর্পা, জাহিদ হাসান, আরএইচস্টেপ আলোর ধারা পাঠশালা, গাইবান্ধা কেন্দ্রের ইয়ুথ অফিসার তাজবিউল ইসলাম, ফিল্ড মোটিভেটর অনু খাতুন, ইয়ুথ এডভোকেট আবুবক্কর সিদ্দিক, রাকিবুল ইসলাম, আবু মুসলিমসহ অনেকে।

উপকারভোগী মছি বেগম (৫৭) নামের এক বৃদ্ধা বলেন, এই কনকনে শীতে আমাদের মতো গরিব মানুষের জন্য কম্বল পাওয়া খুব কষ্টের। আজ যে কম্বলটা পেলাম, এতে আমার অনেক উপকার হবে। যারা আমাদের কথা ভেবেছেন, তাদের জন্য দোয়া করি।

সেলিম পারভেজ নামের এক কিশোর বলে, শীতে পড়াশোনা করতে খুব কষ্ট হতো। এই কম্বল পেয়ে এখন রাতে আর ঠান্ডায় কাঁপতে হবে না। আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

কর্মসূচি সম্পর্কে সৃজনশীল গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মেহেদী হাসান বলেন, শীত শুধু আবহাওয়ার বিষয় নয়, এটি দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জন্য একটি বড় সংকট। ‘উষ্ণতা ২০২৬’ কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীসহ ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।