বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পলাশবাড়ীতে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের একাংশের মুসল্লিরা।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের মধ্যপাড়ার একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনের ছাদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সহিহ হাদিসঅনুসারী মুসল্লিদের এ জামাতে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন হাফেজ রেজওয়ান ইসলাম আকন্দ।

নির্ধারিত সময়ে শিশুসহ প্রায় ২০-২১ জন মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তারা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

নামাজে অংশ নেওয়া সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রওশনবাগ এলাকার মুসল্লি আব্দুল রাজ্জাক (৪৫), হারুন মিয়া (৫০) ও শাহিন মিয়া (৫৫) জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের উদ্দেশ্যেই তারা এখানে এসেছেন। তারা গত ১৬ বছর ধরে এভাবে আগাম ঈদ পালন করে আসছেন বলেও জানান।

এদিকে, দেশের প্রচলিত নিয়মের একদিন আগে ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পলাশবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউনুস সরকার (৬৫) বলেন, তাদের গ্রামের প্রায় ৫-৬টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছেন। নামাজ শেষে আজই তারা দুটি পশু কোরবানি করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

জনপ্রিয়

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে পলাশবাড়ীতে ঈদ উদযাপন

প্রকাশের সময়: ০৩:৪৪:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের একাংশের মুসল্লিরা।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্ধা গ্রামের মধ্যপাড়ার একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনের ছাদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। সহিহ হাদিসঅনুসারী মুসল্লিদের এ জামাতে ইমামতি ও খুৎবা পাঠ করেন হাফেজ রেজওয়ান ইসলাম আকন্দ।

নির্ধারিত সময়ে শিশুসহ প্রায় ২০-২১ জন মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তারা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

নামাজে অংশ নেওয়া সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রওশনবাগ এলাকার মুসল্লি আব্দুল রাজ্জাক (৪৫), হারুন মিয়া (৫০) ও শাহিন মিয়া (৫৫) জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের উদ্দেশ্যেই তারা এখানে এসেছেন। তারা গত ১৬ বছর ধরে এভাবে আগাম ঈদ পালন করে আসছেন বলেও জানান।

এদিকে, দেশের প্রচলিত নিয়মের একদিন আগে ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পলাশবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউনুস সরকার (৬৫) বলেন, তাদের গ্রামের প্রায় ৫-৬টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছেন। নামাজ শেষে আজই তারা দুটি পশু কোরবানি করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।