বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ মিলল পুকুরে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর আনছার আলী (৬৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম গ্রামের দলু মিয়ার বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আনছার আলী সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের দেওডোবা গ্রামের মৃত কাবাজ উদ্দিনের ছেলে।

স্বজনরা জানায়, আনছার আলী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। এরই একপর্যায়ে বুধবার সন্ধ্যার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে মনিরাম গ্রামের দুলু মিয়ার বাড়ির পাশের পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।

বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরষদের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা বলেন, আনছার আলী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তার একটি প্রতিবন্ধী কার্ডও ছিল। তিনি নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে সকালে পুকুরে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই।

এ বিষয়ে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি অপমৃত্যুর ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে তার পরিবার জানিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ মিলল পুকুরে

সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ মিলল পুকুরে

প্রকাশের সময়: ০১:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর আনছার আলী (৬৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মরদেহ পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনিরাম গ্রামের দলু মিয়ার বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আনছার আলী সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের দেওডোবা গ্রামের মৃত কাবাজ উদ্দিনের ছেলে।

স্বজনরা জানায়, আনছার আলী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। এরই একপর্যায়ে বুধবার সন্ধ্যার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। এরপর পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে মনিরাম গ্রামের দুলু মিয়ার বাড়ির পাশের পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। পরে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।

বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরষদের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা বলেন, আনছার আলী দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তার একটি প্রতিবন্ধী কার্ডও ছিল। তিনি নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে সকালে পুকুরে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই।

এ বিষয়ে বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি অপমৃত্যুর ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে তার পরিবার জানিয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।