সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুন্দরগঞ্জে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা দাফন

গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেনকে (৮২) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে তার নিজ বাড়ি উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের রামধন গ্রামে গার্ড অব অর্নার দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় জাতীয় পতাকা দিয়ে আচ্ছাদিত মরহুমের মরদেহ পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অর্নার দেয়। বিউগলে বাজানো হয় করুন সুর। এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে একই স্থানে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গার্ড অব অর্নার অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি, বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আবদুস সবুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ও বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জব্বারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ, গত ১৯ আগষ্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, পাঁচ ছেলে, এক মেয়ে ও নাতিনাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি পুলিশ ইন্সপেক্টর ছিলেন।

সাদুল্লাপুরে ১১৩ মণ্ডপে দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, ব্যস্ত প্রতিমাশিল্পীরা

সুন্দরগঞ্জে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা দাফন

প্রকাশের সময়: ০৮:১৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেনকে (৮২) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার দিকে তার নিজ বাড়ি উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের রামধন গ্রামে গার্ড অব অর্নার দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় জাতীয় পতাকা দিয়ে আচ্ছাদিত মরহুমের মরদেহ পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অর্নার দেয়। বিউগলে বাজানো হয় করুন সুর। এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে একই স্থানে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গার্ড অব অর্নার অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি, বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আবদুস সবুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম ও বামনডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জব্বারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ, গত ১৯ আগষ্ট রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, পাঁচ ছেলে, এক মেয়ে ও নাতিনাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি পুলিশ ইন্সপেক্টর ছিলেন।