মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডুবুরি দলও পায়নি সন্ধান, দুইদিন পর সেই পুকুরেই মিলল শিশুর মরদেহ

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে দুইদিন আগে ১৩ মাস বয়সী মাইশা আক্তার বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়। তাকে উদ্ধারে স্থানীয় জনগণসহ একদল ডুবুরি পুকুরে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান পায়নি। অবশেষে দুইদিন পর সেই পুকুরে ভেসে উঠল শিশুর মরদেহ।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলের দিকে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের আরাজী ছান্দিয়াপুর (পূর্বপাড়া) গ্রামের আশরাফ আলীর পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

মাইশা ওই গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন ও রুমি বেগম দম্পতির মেয়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে মাইশার মা রুমি বেগম বাঁশ কাটতে বাড়ির বাইরে যান। কাজ শেষে ফিরে এসে সন্তানকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুরে শিশুটি পড়ে যাওয়ার সন্দেহ হলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে ডুবুরি দল দিনভর পুকুরে তল্লাশি চালায়। তবে শিশুটির সন্ধান মেলেনি।

এর দুই দিন পর বুধবার বিকেলে ওই পুকুরেই শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুকুর থেকে ভাসমান শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডুবুরি দলও পায়নি সন্ধান, দুইদিন পর সেই পুকুরেই মিলল শিশুর মরদেহ

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে দুইদিন আগে ১৩ মাস বয়সী মাইশা আক্তার বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়। তাকে উদ্ধারে স্থানীয় জনগণসহ একদল ডুবুরি পুকুরে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান পায়নি। অবশেষে দুইদিন পর সেই পুকুরে ভেসে উঠল শিশুর মরদেহ।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলের দিকে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের আরাজী ছান্দিয়াপুর (পূর্বপাড়া) গ্রামের আশরাফ আলীর পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করেন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

মাইশা ওই গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন ও রুমি বেগম দম্পতির মেয়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে মাইশার মা রুমি বেগম বাঁশ কাটতে বাড়ির বাইরে যান। কাজ শেষে ফিরে এসে সন্তানকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুরে শিশুটি পড়ে যাওয়ার সন্দেহ হলে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে ডুবুরি দল দিনভর পুকুরে তল্লাশি চালায়। তবে শিশুটির সন্ধান মেলেনি।

এর দুই দিন পর বুধবার বিকেলে ওই পুকুরেই শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুকুর থেকে ভাসমান শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।