দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানা পুলিশ মা ও ছেলেকে অপহরণের দায়ে সিআইডির সহকারি পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার কবির সোহাগ, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনষ্টেবল আহসান উল ফারুক, ফসিউল আলম পলাশ ও হাবিব মিয়াকে কাহারোল উপজেলার দশমাইল এলাকা থেকে আটক করেছে।
জানা গেছে, চিরিরবন্দর উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের নান্দেড়াই গ্রামের গাদুশাপাড়ার জনৈক চ্যালেঞ্জ মৌলানার ছেলে লুৎফর রহমানের স্ত্রী জোহরা খাতুন (৪৫) ও ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন (২৫) কে সিআইডি অফিসের সদস্যাভসহ অন্য দুজন বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে একটি কালো মাইক্রোবাসে করে দিনাজপুরের দশমাইল এলাকায় নিয়ে যায় এবং তাদের পরিবারের নিকট ১৫ লাখ টাকা দাবি করে। লুৎফর রহমান ৮ লাখ টাকা দিতে সম্মত হয়ে বিষয়টি চিরিরবন্দর থানায় অবহিত করে। চিরিরবন্দর থানার এস আই তাজুল হোসেন দ্রæত অভিযান চালিয়ে কাহারোল উপজেলার দশমাইল এলাকা থেকে তাদের আটক করে ও অপহৃতদের উদ্ধার করে দিনাজপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে রংপুর সিআইডির পুলিশ সুপার আতাউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন অভিযুক্তরা কোন প্রকার অনুমতি না নিয়ে সেখানে (চিরিরবন্দর) গেছে। তাদের আটকের বিষয়টি শুনেছি। তারা কেন সেখানে গেছে, কাকে অপহরণ করেছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিয়ে তদন্দ স্বাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর সিআইডির কাছে পলাশ নামে জনৈক ব্যক্তি চিরিরবন্দর উপজেলার আব্দুলপুর ইউনিয়নের নান্দেড়াই গ্রামের গাদুশাপাড়ার চ্যালেঞ্জ মৌলানার ছেলে লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকার প্রতারণার অভিযোগ আনে। এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২৩ আগস্ট সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টায় সিআইডির সহকারি পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার কবির সোহাগ, এএসআই হাসিনুর রহমান ও কনষ্টেবল আহসান উল ফারুক, ফসিউল আলম পলাশ ও হাবিব মিয়া ওই লুৎফর রহমানের বাড়িতে যায়। তাকে না পেয়ে তার স্ত্রী ও ছেলেকে কালো মাইক্রোবাসে করে তুলে নিয়ে যায়।
চিরিরবন্দর থানায় দুপুর ২টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোন মামলা না হলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনা মোতাবেক মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। চিরিরবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকারকে ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) 


















