শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পীরগঞ্জে বিএমডিএ প্রকলের সুফল হাজারো মানুষ সুফলভোগী

কয়েক যুগ পূর্বে বরেন্দ্র অঞ্চল ছিল মধ্য প্রাচ্যের মরুভূমি। কিন্তু এখন রুক্ষ লাল মাটিতে সোনালী ফসল উৎপাদন শুধ নয় ভূগর্ভস্থ উপরিস্ত পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার সেচ সম্প্রসারন প্রকল্প গ্রহণ করে ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে খাল ও পুকুর পু:ণখনন, সোলার চালিত পাথকুয়া নির্মাণ, এলএনপি স্থাপন, খালের পাড়ে সবুজায়ন করার জন্য বৃক্ষ রোপন, ফুট ওভার ব্রীজ ক্রসডাম সাবমারজ্ড, ওয়্যার, কালভার্ট, ক্যাটল ক্রসিং প্রয়োজনানুসাওে নির্মান করা হচ্ছে।

কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা, সংরক্ষণ প্রবাহ বৃদ্ধি করে হাজার হাজার কৃষকের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলেছেন বিএমডিএ। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জামিনুর রহমান জানান, ৮.০১২ কিলোমিটার খাল খনন করে ১২ টি প্রকল্পের ১৯০০০ কৃষক পরিারের ৩৮৫ হেক্টও জমিতে সম্পূর্ণ সেচ, মাছ চাষ বৃদ্ধি, হাস পালন, গৃহস্থলি কাজকর্ম, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনর্ভরন, পরিবেশের তাপমাত্রা ভারসাম্য রক্ষাকরণ, ভুগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমিয়ে চুয়ানো পানি দ্বারা  স্বল্পকারে শাক-সবজি চাষ, সেচ কাজে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বৃদ্ধি ও বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ভারসাম্য রক্ষা হবে। এছাড়াও প্রকল্প এলাকায় পুকুর খনন করার মাধ্যমে এলাকাবাসী পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হৈেছে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি এবং পুুকুরে গোসল করা সহ নানন সুফল ভোগ করছে প্রকল্প্ এলাকাধীন মানুষেরা।

পীরগঞ্জে বিএমডিএ প্রকলের সুফল হাজারো মানুষ সুফলভোগী

প্রকাশের সময়: ০৭:৩৫:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অগাস্ট ২০২১

কয়েক যুগ পূর্বে বরেন্দ্র অঞ্চল ছিল মধ্য প্রাচ্যের মরুভূমি। কিন্তু এখন রুক্ষ লাল মাটিতে সোনালী ফসল উৎপাদন শুধ নয় ভূগর্ভস্থ উপরিস্ত পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার সেচ সম্প্রসারন প্রকল্প গ্রহণ করে ২০২০-২১ অর্থবছরে ২ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে খাল ও পুকুর পু:ণখনন, সোলার চালিত পাথকুয়া নির্মাণ, এলএনপি স্থাপন, খালের পাড়ে সবুজায়ন করার জন্য বৃক্ষ রোপন, ফুট ওভার ব্রীজ ক্রসডাম সাবমারজ্ড, ওয়্যার, কালভার্ট, ক্যাটল ক্রসিং প্রয়োজনানুসাওে নির্মান করা হচ্ছে।

কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা, সংরক্ষণ প্রবাহ বৃদ্ধি করে হাজার হাজার কৃষকের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলেছেন বিএমডিএ। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জামিনুর রহমান জানান, ৮.০১২ কিলোমিটার খাল খনন করে ১২ টি প্রকল্পের ১৯০০০ কৃষক পরিারের ৩৮৫ হেক্টও জমিতে সম্পূর্ণ সেচ, মাছ চাষ বৃদ্ধি, হাস পালন, গৃহস্থলি কাজকর্ম, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনর্ভরন, পরিবেশের তাপমাত্রা ভারসাম্য রক্ষাকরণ, ভুগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমিয়ে চুয়ানো পানি দ্বারা  স্বল্পকারে শাক-সবজি চাষ, সেচ কাজে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বৃদ্ধি ও বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ভারসাম্য রক্ষা হবে। এছাড়াও প্রকল্প এলাকায় পুকুর খনন করার মাধ্যমে এলাকাবাসী পানির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হৈেছে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি এবং পুুকুরে গোসল করা সহ নানন সুফল ভোগ করছে প্রকল্প্ এলাকাধীন মানুষেরা।