রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোলাহাটে পানির নিচে গ্রামীণ রাস্তা

সরকার গ্রামীণ রাস্তা উন্নয়নে ব্যাপক বরাদ্দ দিয়ে যখন অর্থনৈতিক উন্নয়ন করে যাচ্ছে। ঠিক এমন সময় দেখা গেছে একটি গ্রামীণ রাস্তা পানিতে ডুবে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।

ভোলাহাট উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের দক্ষিণ মাথায় ভবানীপুর মৌজার ভোলাহাট – রহনপুর সড়ক হতে পশ্চিমে চলে যাওয়া ৪ ফুট দৈর্ঘ্য ১৩-১৪ ফুট প্রস্থ্য একটি রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে পানিতে ডুবে রয়েছে। এ রাস্তাটিতে পানি থাকায় হাজার হাজার বিঘা জমির ধান তুলে নিয়ে আসতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় কৃষককে। এছাড়া ডুবে যাওয়া রাস্তা ঘিরে গড়ে উঠেছে বস্তবাড়ী। ইতিপূর্বে রাস্তাটির পাশ দিয়ে কৃষি কাজে ব্যবহারের যানবাহন অন্যের জমি দিয়ে চলাচল করতো। বর্তমানে ব্যক্তি মালিকানাধীন রাস্তাটি নিজ নিজ কাজে ফসল উৎপাদন করায় কৃষি জমি ও বস্তবাড়ীতে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করা কৃষক মোঃ আশরাফুল ইসলাম জানান, সরকারি রাস্তায় পানি থাকায় কৃষি কাজে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এ মাঠে যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটিতে পানি থাকায় অন্যের জমি দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী মো. কসিমুদ্দীন জাগো২৪.নেট-কে জানান, সরকারি রাস্তায় পানি থাকায় অন্যের জমি দিয়ে যাতায়াত করছিলাম। বর্তমানে ব্যক্তি মালিকানাধীন রাস্তাটিতে জমির মালিক ফসল চাষ করায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী কৃষক মো. আব্দুল হাই বলেন, রাস্তায় পানি থাকায় কৃষি জমিতে জমিচাষ করতে চাষ দেয়া যন্রাংশ, ট্রলি, গরু, লাঙ্গল, গরুগাড়ী এমন কি মানুষ চলাচল করা যায়না।

দলদলী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আরজেদ আলী ভুটু জাগো২৪.নেট-কে জানান, রাস্তাটিতে মাটি ভরাটের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। দ্রুত জনদুর্ভোগ কমবে বলে তিনি জানান।

 

জনপ্রিয়

ভোলাহাটে পানির নিচে গ্রামীণ রাস্তা

প্রকাশের সময়: ০৫:৫৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

সরকার গ্রামীণ রাস্তা উন্নয়নে ব্যাপক বরাদ্দ দিয়ে যখন অর্থনৈতিক উন্নয়ন করে যাচ্ছে। ঠিক এমন সময় দেখা গেছে একটি গ্রামীণ রাস্তা পানিতে ডুবে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।

ভোলাহাট উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের দক্ষিণ মাথায় ভবানীপুর মৌজার ভোলাহাট – রহনপুর সড়ক হতে পশ্চিমে চলে যাওয়া ৪ ফুট দৈর্ঘ্য ১৩-১৪ ফুট প্রস্থ্য একটি রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে পানিতে ডুবে রয়েছে। এ রাস্তাটিতে পানি থাকায় হাজার হাজার বিঘা জমির ধান তুলে নিয়ে আসতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় কৃষককে। এছাড়া ডুবে যাওয়া রাস্তা ঘিরে গড়ে উঠেছে বস্তবাড়ী। ইতিপূর্বে রাস্তাটির পাশ দিয়ে কৃষি কাজে ব্যবহারের যানবাহন অন্যের জমি দিয়ে চলাচল করতো। বর্তমানে ব্যক্তি মালিকানাধীন রাস্তাটি নিজ নিজ কাজে ফসল উৎপাদন করায় কৃষি জমি ও বস্তবাড়ীতে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করা কৃষক মোঃ আশরাফুল ইসলাম জানান, সরকারি রাস্তায় পানি থাকায় কৃষি কাজে যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এ মাঠে যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটিতে পানি থাকায় অন্যের জমি দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী মো. কসিমুদ্দীন জাগো২৪.নেট-কে জানান, সরকারি রাস্তায় পানি থাকায় অন্যের জমি দিয়ে যাতায়াত করছিলাম। বর্তমানে ব্যক্তি মালিকানাধীন রাস্তাটিতে জমির মালিক ফসল চাষ করায় যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে।

ভুক্তভোগী কৃষক মো. আব্দুল হাই বলেন, রাস্তায় পানি থাকায় কৃষি জমিতে জমিচাষ করতে চাষ দেয়া যন্রাংশ, ট্রলি, গরু, লাঙ্গল, গরুগাড়ী এমন কি মানুষ চলাচল করা যায়না।

দলদলী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. আরজেদ আলী ভুটু জাগো২৪.নেট-কে জানান, রাস্তাটিতে মাটি ভরাটের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে। দ্রুত জনদুর্ভোগ কমবে বলে তিনি জানান।