শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আশ্রয়স্থল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস

ভূমিহীন-গৃহহীন জহুরা বেগম। বাস করছিলেন অন্যের বস্তভিটায়। সেখান থেকে উচ্ছেদ করে দেওয়া হয় তাকে।ফলে তিনি এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের কাউয়াগাড়ী বিলপাড়া গ্রামে দেখা যায় অসহায় জহুরা বেগমের জীবনচিত্র।

জানা যায়, কাউয়াগাড়ী বিলপাড়া গ্রামের মৃত পুসু মিয়ার ছেলে খায়রুল ইসলাম অনেক আগে জহুরা বেগমকে বিবাহ করে। এরইমধ্যে তাদের সংসারে ২ সন্তান জন্ম নেয়। পরবতীতে খায়রুল অন্যত্র বিয়ে করে সেখানেই থাকে।

এরপর ভূমিহীন অসহায় জহুরা মাথা গোঁজার জন্য আশ্রয় নেয় প্রতিবেশী জাহিদুল ইসলামের বাড়িতে। এখান থেকে ঝি’র কাজ করে কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করে চলছিলেন তিনি। এমনি একপর্যায়ে বাড়ির মালিক জাহিদুলের স্ত্রীর সঙ্গে জহুরার ঝগড়াঝাটি হয়। এরই জেরে শনিবার বিকেলে জহুরাকে বের করে দেয়া হয়। উপায়ন্তর না পেয়ে আশ্রহারা জহুরা এখন বসবাস করছে খোলা আকাশের নিচ্ছে।

ভুক্তভোগি জহুরা বেগম জানান, নিজস্ব জায়গা জমি নেই তার। স্বামী খায়রুল ইসলাম ফেলে রেখে নতুন করে বিয়ে করছে অন্যত্র। স্থানীয় জাহিদুল ইসলামের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া হলে তারাও বের করে দিয়েছে তাকে।

তিনি আরও বলেন, সরকার ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর দিচ্ছে। এমন জায়াগা আমাকে সুবিধা দেয়া হলে, বাকি জীবনে কিছুটা হলেও সুখ মনে করতাম।

ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো২৪.নেট-কে জানান, জহুরার নিজের কোন একটুকরো জমিও নেই। অন্যের জমিতে বাড়ি করে দিন কেটেই যাচ্ছিল। হঠাৎ তর্কবির্তক হওয়ার কারনে, বাড়ি ঘর থেকে বের করে দেয় জমি ওয়ালা। এখন দুই সন্তান কে নিয় রাস্তায় মানবতার দিন যাপন করছে এই পরিবার।

 

 

জনপ্রিয়

আশ্রয়স্থল হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস

প্রকাশের সময়: ০৩:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

ভূমিহীন-গৃহহীন জহুরা বেগম। বাস করছিলেন অন্যের বস্তভিটায়। সেখান থেকে উচ্ছেদ করে দেওয়া হয় তাকে।ফলে তিনি এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের কাউয়াগাড়ী বিলপাড়া গ্রামে দেখা যায় অসহায় জহুরা বেগমের জীবনচিত্র।

জানা যায়, কাউয়াগাড়ী বিলপাড়া গ্রামের মৃত পুসু মিয়ার ছেলে খায়রুল ইসলাম অনেক আগে জহুরা বেগমকে বিবাহ করে। এরইমধ্যে তাদের সংসারে ২ সন্তান জন্ম নেয়। পরবতীতে খায়রুল অন্যত্র বিয়ে করে সেখানেই থাকে।

এরপর ভূমিহীন অসহায় জহুরা মাথা গোঁজার জন্য আশ্রয় নেয় প্রতিবেশী জাহিদুল ইসলামের বাড়িতে। এখান থেকে ঝি’র কাজ করে কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করে চলছিলেন তিনি। এমনি একপর্যায়ে বাড়ির মালিক জাহিদুলের স্ত্রীর সঙ্গে জহুরার ঝগড়াঝাটি হয়। এরই জেরে শনিবার বিকেলে জহুরাকে বের করে দেয়া হয়। উপায়ন্তর না পেয়ে আশ্রহারা জহুরা এখন বসবাস করছে খোলা আকাশের নিচ্ছে।

ভুক্তভোগি জহুরা বেগম জানান, নিজস্ব জায়গা জমি নেই তার। স্বামী খায়রুল ইসলাম ফেলে রেখে নতুন করে বিয়ে করছে অন্যত্র। স্থানীয় জাহিদুল ইসলামের বাড়িতে আশ্রয় নেয়া হলে তারাও বের করে দিয়েছে তাকে।

তিনি আরও বলেন, সরকার ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর দিচ্ছে। এমন জায়াগা আমাকে সুবিধা দেয়া হলে, বাকি জীবনে কিছুটা হলেও সুখ মনে করতাম।

ফুলবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো২৪.নেট-কে জানান, জহুরার নিজের কোন একটুকরো জমিও নেই। অন্যের জমিতে বাড়ি করে দিন কেটেই যাচ্ছিল। হঠাৎ তর্কবির্তক হওয়ার কারনে, বাড়ি ঘর থেকে বের করে দেয় জমি ওয়ালা। এখন দুই সন্তান কে নিয় রাস্তায় মানবতার দিন যাপন করছে এই পরিবার।