বিকাশের মাধ্যমে প্রতারিত হওয়া টাকা পলাশবাড়ী থানা পুলিশের সহায়তায় “কাউন্টার হ্যাকিং” এর মাধ্যমে উদ্ধার করে ভুক্তভোগীদের কাছে হস্তান্তর করলেন থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মতিউর রহমান।
শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পলাশবাড়ী উপজেলার বারাইপাড়া গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে ভুক্তভোগী নাইজুল ইসলাম ও ঝালিংগী গ্রামের নাজমুল হোসেনের স্ত্রী রেশমা বেগমের হাতে খোয়া যাওয়া ২২ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেয়া হয়।
এর আগে ওইসব ভুক্তভোগির মোবাইল একাউন্ট থেকে হ্যাক করে নিয়েছিল হ্যাকারেরা।
পলাশবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মতিউর রহমান এ তথ্য নিশিত করে জাগো২৪.নেট-কে জানান, এবার মোবাইল ব্যাংকিং এর বিকাশের টাকার ক্ষেত্রে কাউন্টার হ্যাকিংয়ের সফলতা পাওয়া গেল।
তিনি আরও বলেন, হ্যাকিং হলো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহারকারী ভুক্তভোগীদের টাকা হ্যাকার কর্তৃক হ্যাকিং এর মাধ্যমে টাকা খোয়া যাওয়াকে বোঝায়। আর কাউন্টার হ্যাকিং হলো ভুক্তভোগীদের সেই খোয়া যাওয়া টাকা হ্যাকারদের নিকট থেকে সেই সিম এবং পাসওয়ার্ড দখলে নিয়ে সেই টাকা ফেরত আনাকে বুঝায়।
শাকিল তালুকদার, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, পলাশবাড়ী 


















