রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাঁচবিবির ধরঞ্জী ইউপির নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহামুদুল

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ২নং ধরঞ্জী ইউনিয়ন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন ও নৌকা মার্কার প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ছাত্র অবস্থায় মূলদলের রাজনীতি করে আসা তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা ও ধরঞ্জী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য দুঃসময়ের পরিক্ষিত সৈনিক মাহমুদুল হাসান। তিনি ১৯৯৫ সালে জয়পুরহাট সরকারী কলেজে ইন্টামেডিয়েটের ছাত্রাবস্থায় জামাত বিএনপি অধূষিত ধরঞ্জী ইউনিয়নের ৭নং কোতেয়ালীবাগ ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এসময় তারুণ্যের শক্তিতে এগিয়ে যাওয়া মাহামুদুল হাসান নিজ ওয়ার্ডের পাশাপাশি ধরঞ্জী ইউনিয়নের রাজনীতিতে যথেষ্ট সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন। এ কারণে ২০০১ সালে জামাত বিএনপি কর্তৃক রাজনৈতিক মামলার আসামী হন তিনি। শুধু তাই নয়, ২০১৪ সালে জামাত বিএনপির তান্ডবের সময় অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও মাহামুদুল হাসান তাদের নির্যাতন সহ্য করে ইউনিয়নের নির্যাতিত নেতা কর্মীদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। বর্তমানে ঐ ওয়ার্ডে সভাপতি সহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য এবং ধরঞ্জী দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি তিনি। একই সাথে ধরঞ্জী ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য সচীবের দায়িত্ব পালন করছেন। অপর দিকে জয়পুরহাট-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ সামছুল আলম দুদুর আস্থাভাজন ও ধরঞ্জী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফার সক্রিয় কর্মী হিসেবে তিনি নানামুখী সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ তার পিছনে কাজ করছেন। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা দলীয় মনোনয়ন পেলে মাহামুদুল হাসান ধরঞ্জী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।

অপরদিকে গত বুধবার ধরঞ্জী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী ও ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকরা বিশাল মোটরসাইকেল বহর নিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের দেখা করে এসেছেন। সেখানে তারা আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাহামুদুল হাসানকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী বলেন, মাহমুদুল হাসান তরুণ নেতা হিসাবে বেশ জনপ্রিয়। অমরা তাকেই মনোনয়ন দেওয়ার জন্য দাবী জানিয়েছি।

৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বলেন, দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন মাহমুদুল হাসান। আমরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাকদকের নিকট জোড় দাবী জানিয়েছি মনোনয়ন দেওয়ার জন্য।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য অমল চন্দ্র বলেন, অত্র ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আওয়ামীলীগের শক্তিশালী হিসাবে প্রতিদন্ধিতা করার জন্য একমাত্র মাহামুদুল হাসান যোগ্য প্রার্থী। মনোনয়ন পেলে শতভাগ বিজয়ী হওয়া সম্ভব।

মাহাদুদুল হাসান এ প্রতিনিধিকে জানান, দল আমাকে মনোনয়ন দিলে অবশ্যই ২নং ধরঞ্জী ইউনিয়নে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ধরঞ্জী ইউনিয়নকে একটি রোল মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে চাই । তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং দেশরতœ শেখ হাসিনার একজন একনিষ্ট কর্মী হিসেবে নিজেকে এগিয়ে নিতে চাই। আমার বিশ্বাস উত্তর জনপদের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পরিক্ষিত সাংগাঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, আলহাজ্ব এ্যাডঃ সামছুল আলম দুদু এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক আমার দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি দেখভাল করবেন।

জনপ্রিয়

পাঁচবিবির ধরঞ্জী ইউপির নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মাহামুদুল

প্রকাশের সময়: ০৭:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ২নং ধরঞ্জী ইউনিয়ন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন ও নৌকা মার্কার প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে আগ্রহী ছাত্র অবস্থায় মূলদলের রাজনীতি করে আসা তরুণ আওয়ামীলীগ নেতা ও ধরঞ্জী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য দুঃসময়ের পরিক্ষিত সৈনিক মাহমুদুল হাসান। তিনি ১৯৯৫ সালে জয়পুরহাট সরকারী কলেজে ইন্টামেডিয়েটের ছাত্রাবস্থায় জামাত বিএনপি অধূষিত ধরঞ্জী ইউনিয়নের ৭নং কোতেয়ালীবাগ ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এসময় তারুণ্যের শক্তিতে এগিয়ে যাওয়া মাহামুদুল হাসান নিজ ওয়ার্ডের পাশাপাশি ধরঞ্জী ইউনিয়নের রাজনীতিতে যথেষ্ট সক্রিয় ভুমিকা পালন করেন। এ কারণে ২০০১ সালে জামাত বিএনপি কর্তৃক রাজনৈতিক মামলার আসামী হন তিনি। শুধু তাই নয়, ২০১৪ সালে জামাত বিএনপির তান্ডবের সময় অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেলেও মাহামুদুল হাসান তাদের নির্যাতন সহ্য করে ইউনিয়নের নির্যাতিত নেতা কর্মীদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। বর্তমানে ঐ ওয়ার্ডে সভাপতি সহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য এবং ধরঞ্জী দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি তিনি। একই সাথে ধরঞ্জী ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্য সচীবের দায়িত্ব পালন করছেন। অপর দিকে জয়পুরহাট-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ্যাডঃ সামছুল আলম দুদুর আস্থাভাজন ও ধরঞ্জী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোস্তফার সক্রিয় কর্মী হিসেবে তিনি নানামুখী সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে তরুণ সমাজের একটি বড় অংশ তার পিছনে কাজ করছেন। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা দলীয় মনোনয়ন পেলে মাহামুদুল হাসান ধরঞ্জী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।

অপরদিকে গত বুধবার ধরঞ্জী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মী ও ৯টি ওয়ার্ডের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকরা বিশাল মোটরসাইকেল বহর নিয়ে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের দেখা করে এসেছেন। সেখানে তারা আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাহামুদুল হাসানকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করার জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী বলেন, মাহমুদুল হাসান তরুণ নেতা হিসাবে বেশ জনপ্রিয়। অমরা তাকেই মনোনয়ন দেওয়ার জন্য দাবী জানিয়েছি।

৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বলেন, দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন মাহমুদুল হাসান। আমরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাকদকের নিকট জোড় দাবী জানিয়েছি মনোনয়ন দেওয়ার জন্য।

ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য অমল চন্দ্র বলেন, অত্র ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য আওয়ামীলীগের শক্তিশালী হিসাবে প্রতিদন্ধিতা করার জন্য একমাত্র মাহামুদুল হাসান যোগ্য প্রার্থী। মনোনয়ন পেলে শতভাগ বিজয়ী হওয়া সম্ভব।

মাহাদুদুল হাসান এ প্রতিনিধিকে জানান, দল আমাকে মনোনয়ন দিলে অবশ্যই ২নং ধরঞ্জী ইউনিয়নে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ধরঞ্জী ইউনিয়নকে একটি রোল মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে চাই । তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এবং দেশরতœ শেখ হাসিনার একজন একনিষ্ট কর্মী হিসেবে নিজেকে এগিয়ে নিতে চাই। আমার বিশ্বাস উত্তর জনপদের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পরিক্ষিত সাংগাঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি, আলহাজ্ব এ্যাডঃ সামছুল আলম দুদু এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক আমার দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি দেখভাল করবেন।