রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাঁথিয়ায় ভোটকেন্দ্রের স্থান পুকুর

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য দুইটি ভোট কেন্দ্র স্থাপিত হয় ২০০৩ সালে। আশ্চর্য ব্যাপার হলো একই স্থানে দুইটি কেন্দ্র। একটি সাটিয়াকোলা এবতেদায়ী মাদ্রাসায় পুরুষ ভোট কেন্দ্র অন্যটি দেখানো হয়েছে মাদ্রাসার পেছনে মালিকানাধীন এ,এইচ মডেল স্কুলে মহিলাদের ভোট কেন্দ্র। অথচ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এবতেদায়ী মাদ্রাসার পেছনে এই এ,এইচ মডেল স্কুল নামে কোন প্রতিষ্ঠানই নেই। ঐ নামে যেখানে স্কুল হওয়ার কথা ছিল সেখানে রয়েছে বিশাল একটি পুকুর। অনেকটা রুপকথার গল্পের মতো বলে মনে করছে এলাকাবাসী। ভোটকেন্দ্র অন্যত্র সরানোর জন্য নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদনও করেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কাশিনাথপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে সাটিয়াখোলা ও করিয়াল নামের দুইটি গ্রামের চারটি পাড়ায় ভোটার সংখা প্রায় ছয় হাজার। ইতোপূর্বের নির্বাচনে এবতেদায়ী মাদ্রাসায় যে ভোট গ্রহণ হয়েছে সে সময় সেখানেও ছিল না কোন বেড়া দেয়া রুম বা ঘর। খোলা আকাশের নিচে কোনরকম অস্থায়ীভাবে ঘর তুলে চলতো ভোট গ্রহণ। যেটা ভোটারদের প্রতি অবহেলা তেমনি স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি নির্বাচন আইনেরও অন্তরায়। এতে ভোটারদের মধ্যে থাকতো চরম আতঙ্ক।তাছাড়াও কেন্দ্রটি নগড়বাড়ি বগুড়া মহাসড়ক সংলগ্ন হওয়ায় প্রায়ই কোন না সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নির্বচনকে সামনে রেখে নির্বচনের দিন দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। তাছাড়া ৩ নং ওয়ার্ডের শেষ প্রান্তে কেন্দ্র হওয়ায় বৃদ্ধদের উপস্থিত থাকে কম। এতে এলাকাবাসীর দাবী ৩ নং ওয়ার্ডের মধ্য স্থান ‘সাটিয়াকোলা এন,আই সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে’ ভোট কেন্দ্র করার দাবী এলাবাসীর।স্থানীয় প্রবীণ ব্যাক্তি ডাঃ আব্দুল বাতেন জানান, কোন তদন্ত ছাড়াই এ,এইচ বি মডেল স্কুলের নামের জায়গায় কেন্দ্র করা হয়েছিল তা আমাদের বোধগম্য নয়। যে স্থানে কেন্দ্রের নাম সেখানেতো আজঅব্দি পুকুরই রয়ে গেছে কোন স্কুল নির্মান হয়নি। সেই সময় ঐখানে স্কুল হওয়ার কথা ছিল। আমি সচেতন নাগরিক হিসেবে সবার সুবিধার্থে ৩ নং ওয়ার্ডের মাঝামাঝি ‘সাটিয়াকোলা এন,আই সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে কেন্দ্র চেয়ে নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছি। আমরা মনে করি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র হলে সবার জন্যই ভালো হবে। এতে সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কাও নেই। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ব্যাপারে দ্রæত ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বলে তিনি জানান।এ ব্যাপারে কাশিনাথপুর ইউপি চেয়াম্যান মীর মনজুর এলাহী জানান, আমার ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে আসলেই নানা রকম অসুবিধা হয়। এবিষয়ে আমি এমপি মহোদয় ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের অবগত করেছি। আশা করছি আসন্ন নির্ববাচনে ওই ওয়ার্ডে ‘সাটিয়াকোলা এন,আই সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে’ ভোট কেন্দ্র হবে। সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক জানান, এই কেন্দ্রটা অনেই আগে নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রকতপক্ষেই এ,এইচ বি মডেল স্কুল নামের কোন স্কুল ছিল না। এ ব্যাপারে নির্বাচনি কেন্দ্র স্থাপনের নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচন আসার আগেই ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয়

সাঁথিয়ায় ভোটকেন্দ্রের স্থান পুকুর

প্রকাশের সময়: ০৯:১৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার কাশিনাথপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য দুইটি ভোট কেন্দ্র স্থাপিত হয় ২০০৩ সালে। আশ্চর্য ব্যাপার হলো একই স্থানে দুইটি কেন্দ্র। একটি সাটিয়াকোলা এবতেদায়ী মাদ্রাসায় পুরুষ ভোট কেন্দ্র অন্যটি দেখানো হয়েছে মাদ্রাসার পেছনে মালিকানাধীন এ,এইচ মডেল স্কুলে মহিলাদের ভোট কেন্দ্র। অথচ সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এবতেদায়ী মাদ্রাসার পেছনে এই এ,এইচ মডেল স্কুল নামে কোন প্রতিষ্ঠানই নেই। ঐ নামে যেখানে স্কুল হওয়ার কথা ছিল সেখানে রয়েছে বিশাল একটি পুকুর। অনেকটা রুপকথার গল্পের মতো বলে মনে করছে এলাকাবাসী। ভোটকেন্দ্র অন্যত্র সরানোর জন্য নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদনও করেছেন এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কাশিনাথপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে সাটিয়াখোলা ও করিয়াল নামের দুইটি গ্রামের চারটি পাড়ায় ভোটার সংখা প্রায় ছয় হাজার। ইতোপূর্বের নির্বাচনে এবতেদায়ী মাদ্রাসায় যে ভোট গ্রহণ হয়েছে সে সময় সেখানেও ছিল না কোন বেড়া দেয়া রুম বা ঘর। খোলা আকাশের নিচে কোনরকম অস্থায়ীভাবে ঘর তুলে চলতো ভোট গ্রহণ। যেটা ভোটারদের প্রতি অবহেলা তেমনি স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি নির্বাচন আইনেরও অন্তরায়। এতে ভোটারদের মধ্যে থাকতো চরম আতঙ্ক।তাছাড়াও কেন্দ্রটি নগড়বাড়ি বগুড়া মহাসড়ক সংলগ্ন হওয়ায় প্রায়ই কোন না সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নির্বচনকে সামনে রেখে নির্বচনের দিন দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে। তাছাড়া ৩ নং ওয়ার্ডের শেষ প্রান্তে কেন্দ্র হওয়ায় বৃদ্ধদের উপস্থিত থাকে কম। এতে এলাকাবাসীর দাবী ৩ নং ওয়ার্ডের মধ্য স্থান ‘সাটিয়াকোলা এন,আই সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে’ ভোট কেন্দ্র করার দাবী এলাবাসীর।স্থানীয় প্রবীণ ব্যাক্তি ডাঃ আব্দুল বাতেন জানান, কোন তদন্ত ছাড়াই এ,এইচ বি মডেল স্কুলের নামের জায়গায় কেন্দ্র করা হয়েছিল তা আমাদের বোধগম্য নয়। যে স্থানে কেন্দ্রের নাম সেখানেতো আজঅব্দি পুকুরই রয়ে গেছে কোন স্কুল নির্মান হয়নি। সেই সময় ঐখানে স্কুল হওয়ার কথা ছিল। আমি সচেতন নাগরিক হিসেবে সবার সুবিধার্থে ৩ নং ওয়ার্ডের মাঝামাঝি ‘সাটিয়াকোলা এন,আই সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে কেন্দ্র চেয়ে নির্বাচন অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছি। আমরা মনে করি, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র হলে সবার জন্যই ভালো হবে। এতে সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কাও নেই। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে এ ব্যাপারে দ্রæত ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বলে তিনি জানান।এ ব্যাপারে কাশিনাথপুর ইউপি চেয়াম্যান মীর মনজুর এলাহী জানান, আমার ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে আসলেই নানা রকম অসুবিধা হয়। এবিষয়ে আমি এমপি মহোদয় ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের অবগত করেছি। আশা করছি আসন্ন নির্ববাচনে ওই ওয়ার্ডে ‘সাটিয়াকোলা এন,আই সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয়ে’ ভোট কেন্দ্র হবে। সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক জানান, এই কেন্দ্রটা অনেই আগে নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রকতপক্ষেই এ,এইচ বি মডেল স্কুল নামের কোন স্কুল ছিল না। এ ব্যাপারে নির্বাচনি কেন্দ্র স্থাপনের নীতিমালা অনুযায়ী নির্বাচন আসার আগেই ব্যাবস্থা নেয়া হবে।