রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খানসামায় দাখিল মাদরাসায় নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের দাবি

দিনাজপুরের খানসামার সহজপুর দাখিল মাদরাসায় আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত দাবি এবং মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা ও স্বজনপ্রীতি করে পরীক্ষার্থীদের আবেদনপত্র বাতিল এবং কৌশলে নিয়োগের কাজ শেষ করতে পরীক্ষার একদিন আগে প্রবেশপত্র দেয়ায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

গত ১১ অক্টোবর শুক্রবার খানসামা উপজেলার সহজপুর দাখিল মাদরাসার সম্মুখ সড়কে ঘণ্টাব্যাপি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, অভিভাবক সদস্য, ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৫ জুলাই পত্রিকায় প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে বিধি মোতাবেক চাকরির আবেদন করে ২২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই মাদরাসার         সুপার ও সভাপতির যোগসাজশে ৬ জনের আবেদন বাতিল করা হয়। এরপর ইউএনও ও মাধ্যমিক অফিসে অভিযোগ দিয়েছি।

সেই অভিযোগের তদন্ত ও সুরাহা করার সুযোগ না দিয়েই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য তড়িঘড়ি করে দিনাজপুর শহরস্থ রাজবাটি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র ও তারিখ নির্ধারণ করে পরীক্ষার একদিন আগে বাকি ১৬ জনের বাড়িতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেয়।এর মধ্যেও আবার অনেকে বাড়িতে নেই। মাদরাসা কমিটি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সমাপ্ত করতে না পারায় তারা দায়িত্বে অবহেলা, স্বজনপ্রীতি ও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এ জন্যই আজ ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীকে মানববন্ধন করতে হচ্ছে।

মাদরাসা শিক্ষক হাতেম আলী বলেন, বাতিলকৃত আবেদনপত্রগুলো ত্রুটিপূর্ণ হলেও বাতিল করা সমীচীন হয়নি। ভাইভা বোর্ডেই সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতেন। তাই তদন্তের দাবি বাঞ্ছনীয় ও যৌক্তিক।

মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট এনামুল হক সাংবাদিকদের জানান, মাদরাসার নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পরীক্ষা স্থগিত করতে বলায় তা আপাতত স্থগিত করলাম। আর আমি অসুস্থ থাকায় পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি সবাইকে জানাতে পারিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাশিদা আক্তার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিতের জন্য বলা হয়েছে।

জনপ্রিয়

সুন্দরগঞ্জে আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ

খানসামায় দাখিল মাদরাসায় নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের দাবি

প্রকাশের সময়: ০৪:২৯:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০২২

দিনাজপুরের খানসামার সহজপুর দাখিল মাদরাসায় আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত দাবি এবং মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে অবহেলা ও স্বজনপ্রীতি করে পরীক্ষার্থীদের আবেদনপত্র বাতিল এবং কৌশলে নিয়োগের কাজ শেষ করতে পরীক্ষার একদিন আগে প্রবেশপত্র দেয়ায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

গত ১১ অক্টোবর শুক্রবার খানসামা উপজেলার সহজপুর দাখিল মাদরাসার সম্মুখ সড়কে ঘণ্টাব্যাপি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, অভিভাবক সদস্য, ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২৫ জুলাই পত্রিকায় প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে বিধি মোতাবেক চাকরির আবেদন করে ২২ জন প্রার্থী। এর মধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই মাদরাসার         সুপার ও সভাপতির যোগসাজশে ৬ জনের আবেদন বাতিল করা হয়। এরপর ইউএনও ও মাধ্যমিক অফিসে অভিযোগ দিয়েছি।

সেই অভিযোগের তদন্ত ও সুরাহা করার সুযোগ না দিয়েই মাদরাসা কর্তৃপক্ষ তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য তড়িঘড়ি করে দিনাজপুর শহরস্থ রাজবাটি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্র ও তারিখ নির্ধারণ করে পরীক্ষার একদিন আগে বাকি ১৬ জনের বাড়িতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেয়।এর মধ্যেও আবার অনেকে বাড়িতে নেই। মাদরাসা কমিটি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে সমাপ্ত করতে না পারায় তারা দায়িত্বে অবহেলা, স্বজনপ্রীতি ও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। এ জন্যই আজ ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীকে মানববন্ধন করতে হচ্ছে।

মাদরাসা শিক্ষক হাতেম আলী বলেন, বাতিলকৃত আবেদনপত্রগুলো ত্রুটিপূর্ণ হলেও বাতিল করা সমীচীন হয়নি। ভাইভা বোর্ডেই সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতেন। তাই তদন্তের দাবি বাঞ্ছনীয় ও যৌক্তিক।

মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট এনামুল হক সাংবাদিকদের জানান, মাদরাসার নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য সবধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পরীক্ষা স্থগিত করতে বলায় তা আপাতত স্থগিত করলাম। আর আমি অসুস্থ থাকায় পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি সবাইকে জানাতে পারিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাশিদা আক্তার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিতের জন্য বলা হয়েছে।