রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুস্থের ঘরে আগুনের তাণ্ডপ, সব কিছু পুড়ে ছাই

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বাসিন্দা জেলাল আকন্দ (৪০)। দরিদ্রের কষাঘাতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোনোমতে বসবাস করে আসছিলেন। এরই মধ্যে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভস্মিভূত হয়েছে তার অপর একটি টিনসেড ঘর। এ ঘরে রক্ষিত চাল-ডাল ও আসবাপত্র মূহূর্তে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর (পুর্বপাড়া) গ্রামের দেখা যায় এই অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাল আকন্দ চরম হতাশায় ভুগছিলেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত হাসেন আলী আকন্দের ছেলে ও সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষকলীগের সদস্য জেলাল আকন্দের বাড়িতে সোমবার (২ অক্টোবর) দিনগত রাত ১২ টার দিকে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা একটি টিনসেট ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় এলাকার লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে সাদুল্লাপুর ফায়ার সার্ভিসের দল। এ অবস্থায় ঘরে থাকা চাল-ডাল, আসবাপত্রসহ অন্যান্য জিনিসপত্র পুড়ে যায়। একই সঙ্গে গরু-ছাগল আগুনে ঝলছে গেছে। অনাকাঙ্খিত এই ঘটনা ঘটলেও জেলাল আকন্দের পরিবারের পাশে দাঁড়ায়নি কোন কোন প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পরিবারটি এখন খেয়ে না খেয়ে দুর্বিষহ জীবযাপন করছে।

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাল আকন্দ বলেন, ঘটনার আগে আমি একটি ইসলামী ধর্মীয় সভা শুনতে যাই। রাত ১২ টার পর বাড়ি ফিরে দেখি আমার টিনসেট ঘরে আগুন। এই আগুনে প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল ক্ষতি হয়েছে। এখন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেমন করে জীবিকা নির্বাহ করব, সেই চিন্তায় ভুগছি। তবে কীভাবে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে সেটি জানেন না এই জেলাল।

সাদুল্লাপুর ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ নারায়ণ চন্দ্র বর্মা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। এরই মধ্যে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

জনপ্রিয়

পাবনা-ঢাকা ট্রেন চলাচল আগস্টে চালু হচ্ছে : রেল ও সেতুমন্ত্রী

দুস্থের ঘরে আগুনের তাণ্ডপ, সব কিছু পুড়ে ছাই

প্রকাশের সময়: ০১:০৩:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর ২০২৩

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বাসিন্দা জেলাল আকন্দ (৪০)। দরিদ্রের কষাঘাতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোনোমতে বসবাস করে আসছিলেন। এরই মধ্যে হঠাৎ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভস্মিভূত হয়েছে তার অপর একটি টিনসেড ঘর। এ ঘরে রক্ষিত চাল-ডাল ও আসবাপত্র মূহূর্তে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

সরেজমিনে মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বড় জামালপুর (পুর্বপাড়া) গ্রামের দেখা যায় এই অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাল আকন্দ চরম হতাশায় ভুগছিলেন।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত হাসেন আলী আকন্দের ছেলে ও সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষকলীগের সদস্য জেলাল আকন্দের বাড়িতে সোমবার (২ অক্টোবর) দিনগত রাত ১২ টার দিকে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা একটি টিনসেট ঘরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় এলাকার লোকজন ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে সাদুল্লাপুর ফায়ার সার্ভিসের দল। এ অবস্থায় ঘরে থাকা চাল-ডাল, আসবাপত্রসহ অন্যান্য জিনিসপত্র পুড়ে যায়। একই সঙ্গে গরু-ছাগল আগুনে ঝলছে গেছে। অনাকাঙ্খিত এই ঘটনা ঘটলেও জেলাল আকন্দের পরিবারের পাশে দাঁড়ায়নি কোন কোন প্রশাসন কিংবা জনপ্রতিনিধি। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পরিবারটি এখন খেয়ে না খেয়ে দুর্বিষহ জীবযাপন করছে।

এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাল আকন্দ বলেন, ঘটনার আগে আমি একটি ইসলামী ধর্মীয় সভা শুনতে যাই। রাত ১২ টার পর বাড়ি ফিরে দেখি আমার টিনসেট ঘরে আগুন। এই আগুনে প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল ক্ষতি হয়েছে। এখন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেমন করে জীবিকা নির্বাহ করব, সেই চিন্তায় ভুগছি। তবে কীভাবে আগুনের সুত্রপাত হয়েছে সেটি জানেন না এই জেলাল।

সাদুল্লাপুর ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ নারায়ণ চন্দ্র বর্মা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া হয়। এরই মধ্যে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।