সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা ব্রীজরোড কালিবাড়ীতে রহস্যজনক চুরি

গাইবান্ধা শহরের ব্রীজরোড কালিবাড়ী পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় দিনদিন চুরির ঘটনা বেড়েই চলছে৷ চোরেরা প্রতিদিনই বিভিন্ন বাসার স্বর্নালংকার, নগদ টাকা, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, বাসার বিদ্যুতের সার্ভিস তার চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এলাকায় নেশাদ্রব্য বিক্রি করায় নেশাখোররা নেশার টাকা যোগাতে এসব চুরির মিস্ত্রীপাড়া সংলগ্ন ব্রীজরোড কালিবাড়ীতে রহস্যজনক চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরেরদল নারী উদ্যোক্তা রনী চাকীর  সাড়ে চার লাখ স্বর্নালংকার,  একটি আই ফোন সহ ৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাতনামা চোর। এতে করে এলাকায় চুরি আতংক বেড়ে গেছে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এলাকার বাসিন্দারা। প্রশাসনের তৎপরতার অভাবে চোরেরা চুরি পেশায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

নারী উদ্যাক্তা ভুক্তভোগী রনী চাকী জানান- আমি আমার মামা পার্শ্ববর্তী বাসা  ব্যাংকার দেব দুলাল সরকার এর দ্বিতল বাসার নীচতলার রুম ভাড়া নিয়া আমার নিজস্ব বাসার আসবাবপত্র রাখি। পাশেই নিজস্ব বাসায় স্ব-পরিবারে বসবাস করি। গত ৫ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান ১০ টার সময় উক্ত ব্যাংকার দেব দুলাল সরকারের বাসার নীচ তলায় আমার ভাড়া নেওয়া রুমে আমার আসবাবপত্র দেখিয়া নিজ বাসায় চলে আসি।  এরপর ১৭ই জানুয়ারি ইংরেজী ২০২৪ ইং তারিখ সকাল অনুমান ৯ টার  সময় আমার ভাড়া নেওয়া ব্যাংকার দেব দুলাল সরকারের দ্বিতল বাসার নীচতলার রুমে গিয়া তালা খুলে  রুমের ভিতর প্রবেশ করে  দেখি আমার আসবাবপত্র সব এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে এবং কাঠের আলমারীর ড্রয়ারে রক্ষিত ১২ আনা ওজনের ৩টি স্বর্ণের আংটি,  ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন দুটি, ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের ব্রেসলেট ১টি, ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের এক জোড়া দুল, ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের লকেট সর্বমোট ৪ ভরি ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের গহনা যার মূল্য  অনুমান-৪ লাখ ৩০ হাজার -টাকা, একটি আইফোন মূল্য অনুমান-৮০ হাজার টাকা, একটি প্রেসার মাপা ডিজিটাল মেশিন মূল্য অনুমান- ৩০ হাজার -টাকা চুরি করে নিয়া গেছে। এই উল্লেখিত তারিখের মধ্যে  যে কোন দিন  রাত্রীতে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা সঙ্গোপনে আমার ভাড়া নেওয়া রুমে প্রবেশ করিয়া রুমের ভেন্টিলেটর এর ফাঁক দিয়ে অথবা  রুমের ভিতর অন্যভাবে  প্রবেশ করে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রনী চাকী চোরের দলকে আইনের আওতায় আনতে ও চুরি যাওয়া মাল উদ্ধার করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।

জনপ্রিয়

গাইবান্ধা ব্রীজরোড কালিবাড়ীতে রহস্যজনক চুরি

প্রকাশের সময়: ০৮:২১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৪

গাইবান্ধা শহরের ব্রীজরোড কালিবাড়ী পাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় দিনদিন চুরির ঘটনা বেড়েই চলছে৷ চোরেরা প্রতিদিনই বিভিন্ন বাসার স্বর্নালংকার, নগদ টাকা, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র, বাসার বিদ্যুতের সার্ভিস তার চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। এলাকায় নেশাদ্রব্য বিক্রি করায় নেশাখোররা নেশার টাকা যোগাতে এসব চুরির মিস্ত্রীপাড়া সংলগ্ন ব্রীজরোড কালিবাড়ীতে রহস্যজনক চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোরেরদল নারী উদ্যোক্তা রনী চাকীর  সাড়ে চার লাখ স্বর্নালংকার,  একটি আই ফোন সহ ৫ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাতনামা চোর। এতে করে এলাকায় চুরি আতংক বেড়ে গেছে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এলাকার বাসিন্দারা। প্রশাসনের তৎপরতার অভাবে চোরেরা চুরি পেশায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

নারী উদ্যাক্তা ভুক্তভোগী রনী চাকী জানান- আমি আমার মামা পার্শ্ববর্তী বাসা  ব্যাংকার দেব দুলাল সরকার এর দ্বিতল বাসার নীচতলার রুম ভাড়া নিয়া আমার নিজস্ব বাসার আসবাবপত্র রাখি। পাশেই নিজস্ব বাসায় স্ব-পরিবারে বসবাস করি। গত ৫ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখ সকাল অনুমান ১০ টার সময় উক্ত ব্যাংকার দেব দুলাল সরকারের বাসার নীচ তলায় আমার ভাড়া নেওয়া রুমে আমার আসবাবপত্র দেখিয়া নিজ বাসায় চলে আসি।  এরপর ১৭ই জানুয়ারি ইংরেজী ২০২৪ ইং তারিখ সকাল অনুমান ৯ টার  সময় আমার ভাড়া নেওয়া ব্যাংকার দেব দুলাল সরকারের দ্বিতল বাসার নীচতলার রুমে গিয়া তালা খুলে  রুমের ভিতর প্রবেশ করে  দেখি আমার আসবাবপত্র সব এলোমেলো অবস্থায় পড়ে আছে এবং কাঠের আলমারীর ড্রয়ারে রক্ষিত ১২ আনা ওজনের ৩টি স্বর্ণের আংটি,  ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন দুটি, ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের ব্রেসলেট ১টি, ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের এক জোড়া দুল, ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের লকেট সর্বমোট ৪ ভরি ৬ আনা ওজনের স্বর্ণের গহনা যার মূল্য  অনুমান-৪ লাখ ৩০ হাজার -টাকা, একটি আইফোন মূল্য অনুমান-৮০ হাজার টাকা, একটি প্রেসার মাপা ডিজিটাল মেশিন মূল্য অনুমান- ৩০ হাজার -টাকা চুরি করে নিয়া গেছে। এই উল্লেখিত তারিখের মধ্যে  যে কোন দিন  রাত্রীতে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা সঙ্গোপনে আমার ভাড়া নেওয়া রুমে প্রবেশ করিয়া রুমের ভেন্টিলেটর এর ফাঁক দিয়ে অথবা  রুমের ভিতর অন্যভাবে  প্রবেশ করে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী রনী চাকী চোরের দলকে আইনের আওতায় আনতে ও চুরি যাওয়া মাল উদ্ধার করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।