রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাইয়ের লাথিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ছোট ভাই আমিরুল প্রধানের লাথির আঘাতে বড় ভাই আব্দুল মমিন প্রধান (৬২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ছায়েল প্রধান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

মৃত্যুর বিষয়টি শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিশ্চিত করেছেন আব্দুল মমিন প্রধানের স্বজনরা।

এর আগে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলা  সাহাপাড়া  ইউনিয়নের  নয়ন সুখ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল মমিন প্রধান এই গ্রামের মৃত আলম উদ্দিন প্রধানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়,  দীর্ঘদিন থেকে  আব্দুল মমিন প্রধানের সঙ্গে  তার দুই সৎভাই  আমিরুল প্রধান ও আনোরুল প্রধানের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ইতিপুর্বে এই জমি নিয়ে স্থানীয় সালিসে আপোস করাও হয়। পরবর্তীতে  দুই সৎভাই  এই মীমাংসা না মেনে নিয়ে আবার শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর ) বিকেলে আব্দুল মমিন প্রধানের সঙ্গে সেই জমির স্থানে তর্কবিতর্ক শুরু করেন। এরই একপর্যায়ে আব্দুল মমনিকে একা পেয়ে পেছন দিক থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় স্ব-জোরে আঘাত করে আনোরুলের ছেলে আওলাদ মিয়া। এরপর আমিরুল প্রধান তার ভাই  আব্দুল মমিন প্রধানের পুরুষ অঙ্গে বেশ কয়েকবার লাথি  মারে ।  তারপর  তার ছেলে ছায়েল প্রধান বাঁচাতে আসলে তাকেও মারধর শুরু করে। এছাড়া নিহতের ছেলের স্ত্রী রোকসানা বেগম সেখানে গেলে তার মুখমন্ডল আঘাত করলে তার চোখের পাশেও জখম হয়।

এরপর পরিবারের স্বজনরা আব্দুল মমিনকে দ্রুত সদর হাসপাতালে নিয়ে যায। সেখান থেকে শুক্রবার রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করেন। পরে রংপুর মেডিকেরে চিকিৎসাধীন অবস্থা মারা যান  তিনি।  স্থানীয় ও স্বজনদের দাবি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হোক।

এ বিষয়ে স্থানীয় মিঠু মিয়া বলেন, যারা এভাবে সামান্য জমির জন্য একই বাপের সন্তানকে মেরে ফেলেছে আইনের মাধ্যমে তাদের শাস্তি হোয়া দরকার।

গাইবান্ধা সদর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মিজান মিয়া বলেন, নিহতের ছেলে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলার আবেদন করেছেন। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

ভাইয়ের লাথিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

প্রকাশের সময়: ০৩:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ছোট ভাই আমিরুল প্রধানের লাথির আঘাতে বড় ভাই আব্দুল মমিন প্রধান (৬২) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ছায়েল প্রধান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

মৃত্যুর বিষয়টি শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিশ্চিত করেছেন আব্দুল মমিন প্রধানের স্বজনরা।

এর আগে শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলা  সাহাপাড়া  ইউনিয়নের  নয়ন সুখ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল মমিন প্রধান এই গ্রামের মৃত আলম উদ্দিন প্রধানের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়,  দীর্ঘদিন থেকে  আব্দুল মমিন প্রধানের সঙ্গে  তার দুই সৎভাই  আমিরুল প্রধান ও আনোরুল প্রধানের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ইতিপুর্বে এই জমি নিয়ে স্থানীয় সালিসে আপোস করাও হয়। পরবর্তীতে  দুই সৎভাই  এই মীমাংসা না মেনে নিয়ে আবার শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর ) বিকেলে আব্দুল মমিন প্রধানের সঙ্গে সেই জমির স্থানে তর্কবিতর্ক শুরু করেন। এরই একপর্যায়ে আব্দুল মমনিকে একা পেয়ে পেছন দিক থেকে লাঠি দিয়ে মাথায় স্ব-জোরে আঘাত করে আনোরুলের ছেলে আওলাদ মিয়া। এরপর আমিরুল প্রধান তার ভাই  আব্দুল মমিন প্রধানের পুরুষ অঙ্গে বেশ কয়েকবার লাথি  মারে ।  তারপর  তার ছেলে ছায়েল প্রধান বাঁচাতে আসলে তাকেও মারধর শুরু করে। এছাড়া নিহতের ছেলের স্ত্রী রোকসানা বেগম সেখানে গেলে তার মুখমন্ডল আঘাত করলে তার চোখের পাশেও জখম হয়।

এরপর পরিবারের স্বজনরা আব্দুল মমিনকে দ্রুত সদর হাসপাতালে নিয়ে যায। সেখান থেকে শুক্রবার রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করেন। পরে রংপুর মেডিকেরে চিকিৎসাধীন অবস্থা মারা যান  তিনি।  স্থানীয় ও স্বজনদের দাবি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে শাস্তির আওতায় আনা হোক।

এ বিষয়ে স্থানীয় মিঠু মিয়া বলেন, যারা এভাবে সামান্য জমির জন্য একই বাপের সন্তানকে মেরে ফেলেছে আইনের মাধ্যমে তাদের শাস্তি হোয়া দরকার।

গাইবান্ধা সদর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মিজান মিয়া বলেন, নিহতের ছেলে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি মামলার আবেদন করেছেন। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতার চেষ্টা করা হচ্ছে।