শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পীরগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

পুরের পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। বিপ্লব সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মাহমুদুন নবী চৌধুরী পলাশ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী অধক্ষ্য আসাদুল হাবিব দুলু প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন,দেশের কঠিনতম ক্রান্তিকালে দেশের আপামর জনগণের অনাবিল ভালোবাসা আর প্রত্যাশার স্বপ্নপুরুষ হয়ে নতুনভাবে আবির্ভূত হয়েছিলেন ৭ নভেম্বর বিপ্লবের মহানায়ক দেশের সফলতম রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম।যিনি ২৬শে মার্চ ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম প্রহরে বিপর্যস্ত আর নেতৃত্বহীন জাতির সামনে প্রত্যাশা আর প্রত্যয়ের প্রতীক হয়ে অসীম সাহসে  বিদ্রোহী কন্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন “We Revolt’’ আর তার পরপরই তারই প্রত্যয়ী কন্ঠে ঘোষিত হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। দেশের সকল ক্রান্তিকালে সকল ভয়কে জয় করে সামনে থেকে বারবার নেতৃত্ব দেয়ার এমন অনন্য উদাহরণের নাম জিয়াউর রহমান।
তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার সকল প্রত্যাশাকে ম্লান করে স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী শাসনের সীমাহীন অরাজকতা, দখলদারিত্ব, আইন-শৃঙ্খলার লজ্জাজনক অবনতি, স্মরণকালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, ডাস্টবিনে মানুষ আর কুকুরের উচ্ছিষ্ট কাড়াকাড়ি, রক্ষী বাহিনীর নির্মম নির্বিচার হত্যাকাণ্ড, মানুষের সীমাহীন অধিকার হীনতার প্রেক্ষাপটে ১৯৭৫ এর আগস্ট হত্যাকাণ্ডে রাষ্ট্রপতি নিহতের পরবর্তী অস্থিতিশীল বাংলাদেশ সেনা বিদ্রোহ, পাল্টা বিদ্রোহ আর দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব যখন বিপন্ন এবং অস্তিত্ব ঝুঁকিতে ঠিক তখনই দেশের মানুষের জন্য নতুন প্রত্যাশা আর স্বপ্নের সম্ভাবনা হয়ে এসেছিল ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ এর সোনালী সকাল । ঐদিন এদেশের মানুষ সম্পূর্ণ এককভাবে নিজেদের শক্তিতে সফল করেছিল সিপাহী জনতার এই অবিস্মর্ণীয় বিপ্লব।জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিপাহি জনতার অবিস্মরণীয় বিপ্লবের  মহাসমীকরনে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি সেদিন শিশুমৃত্যুর কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে।
প্রধান বক্তা রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, লাখো কোটি শোকার্ত গুনমুগ্ধের ভালোবাসায় নির্ভেজাল অশ্রু বিসর্জনে বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় ৭ নভেম্বর আমাদের একক গৌরবের সর্বোচ্চ উদাহরণ, স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেই অবিস্মরণীয় ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রত্যয়ী অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক, নিরাপদ হোক বাংলাদেশ ইতিহাসের উত্তরাধিকারে নব প্রজন্মের অগ্রযাত্রা।

পীরগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

প্রকাশের সময়: ০৩:০৪:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪
পুরের পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। বিপ্লব সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মাহমুদুন নবী চৌধুরী পলাশ।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী অধক্ষ্য আসাদুল হাবিব দুলু প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক সাইফুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন,দেশের কঠিনতম ক্রান্তিকালে দেশের আপামর জনগণের অনাবিল ভালোবাসা আর প্রত্যাশার স্বপ্নপুরুষ হয়ে নতুনভাবে আবির্ভূত হয়েছিলেন ৭ নভেম্বর বিপ্লবের মহানায়ক দেশের সফলতম রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম।যিনি ২৬শে মার্চ ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম প্রহরে বিপর্যস্ত আর নেতৃত্বহীন জাতির সামনে প্রত্যাশা আর প্রত্যয়ের প্রতীক হয়ে অসীম সাহসে  বিদ্রোহী কন্ঠে উচ্চারণ করেছিলেন “We Revolt’’ আর তার পরপরই তারই প্রত্যয়ী কন্ঠে ঘোষিত হয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা। দেশের সকল ক্রান্তিকালে সকল ভয়কে জয় করে সামনে থেকে বারবার নেতৃত্ব দেয়ার এমন অনন্য উদাহরণের নাম জিয়াউর রহমান।
তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার সকল প্রত্যাশাকে ম্লান করে স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী শাসনের সীমাহীন অরাজকতা, দখলদারিত্ব, আইন-শৃঙ্খলার লজ্জাজনক অবনতি, স্মরণকালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, ডাস্টবিনে মানুষ আর কুকুরের উচ্ছিষ্ট কাড়াকাড়ি, রক্ষী বাহিনীর নির্মম নির্বিচার হত্যাকাণ্ড, মানুষের সীমাহীন অধিকার হীনতার প্রেক্ষাপটে ১৯৭৫ এর আগস্ট হত্যাকাণ্ডে রাষ্ট্রপতি নিহতের পরবর্তী অস্থিতিশীল বাংলাদেশ সেনা বিদ্রোহ, পাল্টা বিদ্রোহ আর দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্রে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব যখন বিপন্ন এবং অস্তিত্ব ঝুঁকিতে ঠিক তখনই দেশের মানুষের জন্য নতুন প্রত্যাশা আর স্বপ্নের সম্ভাবনা হয়ে এসেছিল ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ এর সোনালী সকাল । ঐদিন এদেশের মানুষ সম্পূর্ণ এককভাবে নিজেদের শক্তিতে সফল করেছিল সিপাহী জনতার এই অবিস্মর্ণীয় বিপ্লব।জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিপাহি জনতার অবিস্মরণীয় বিপ্লবের  মহাসমীকরনে বাংলাদেশ নামের রাষ্ট্রটি সেদিন শিশুমৃত্যুর কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে।
প্রধান বক্তা রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বলেন, লাখো কোটি শোকার্ত গুনমুগ্ধের ভালোবাসায় নির্ভেজাল অশ্রু বিসর্জনে বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় ৭ নভেম্বর আমাদের একক গৌরবের সর্বোচ্চ উদাহরণ, স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেই অবিস্মরণীয় ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রত্যয়ী অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক, নিরাপদ হোক বাংলাদেশ ইতিহাসের উত্তরাধিকারে নব প্রজন্মের অগ্রযাত্রা।