বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে স্ব উদ্যোগে মিড ডে মিল

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও লেখাপড়ার মানোন্নয়নে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার দলি গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এক ব্যতিক্রম উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষকরা স্ব উদ্যোগে গত ২০২২ সালে চালু করেছেন মিড ডে মিল। এতে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ৫দিন ডিম কিংবা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ও প্রতি বৃহস্পতিবার খিচুড়ি খাওয়ানো হচ্ছে। শিক্ষকদের এ ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের কারণে বিদ্যালয়ে পূর্বের তুলনায় নিয়মিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে স্থানীয় অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষকেরা।

উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের গুলিয়ারা গ্রামে ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দলি গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। যা গত ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হয়।

অভিভাবক ও শিক্ষক সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৮ সালে মো. আক্তারুজ্জামান প্রধান শিক্ষক হিসেবে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। ওই সময় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও উপস্থিতির হার তুলনামূলক অনেক কম ছিল। বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৪ জন। কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা ৬ জন। বিদ্যালয়ের এ নাজুক অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে প্রধান শিক্ষক আক্তারুজ্জামান নিজেই শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মূখী ও ঝড়েপড়া রোধে পুষ্টিকর খাদ্য দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যা বাস্তবায়ন বা চালু করার
জন্য বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন। বিদ্যালয়ে সর্বসম্মতিক্রমে ২০২২ সালের জুন মাস থেকে প্রধান শিক্ষকের অর্থায়নে ও সহকারী শিক্ষকদের সহযোগিতায় মিড ডে মিল চালু করেন। যা বর্তমানেও চলমান রয়েছে।

সম্প্রতি দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, তৃতীয়-পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাসে পড়াশোনায় বেশ মনোযোগী। বিদ্যালয়ের ছাদে একটি কক্ষে খিচুড়ি রান্নার কাজে ব্যস্ত একজন শিক্ষিকা। তাঁকে রান্নার কাজে সহযোগিতা করছেন দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মা। রান্না শেষে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে বিরতির ঘন্টা বেজে উঠল। মধ্যাহ্ন বিরতিতে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসলো শিক্ষার্থীরা। এসময় হই-হুল্লোড় করে বেসিন ও টিউবওয়েলে হাত ধোঁয়া, প্লেট পরিস্কার ও বোতলে পানি ভর্তি করতে ব্যস্ত শিক্ষার্থীরা। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা শেষে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শুরু করল দুপুরের খাবার। এতে প্রধান শিক্ষক মো. আক্তারুজ্জামানসহ সহকারী শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের খাদ্য পরিবেশনে ব্যস্ত। এতে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। দুপুরের খাবার পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীসহ তাদের অভিভাবকরাও।

সহকারী শিক্ষক মন্মথ কুমার রায় জানান, বিদ্যালয়ে আগে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম ছিল। বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. আক্তারুজ্জামান বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর তাঁর নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণ করায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি ও উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার প্রায় ৯৮ শতাংশ।

শিক্ষার্থী মনিষা, প্রীতম, কাকলীসহ কয়েকজন জানান, বাড়িতে ঠিক সময়ে রান্না না হওয়া ও প্রতিনিয়ত বিদ্যালয়ে আসার পরে ক্ষুধার তাড়না নিবারণের জন্য বাড়িতে চলে যাওয়া বন্ধ করতে স্যারদের এ আয়োজন আমাদেরকে ভালোই লাগে। স্যাররা প্রতিদিন আমাদেরকে ডিমসহ বিভিন্ন প্রকার খাবার দেন। প্রতি বৃহস্পতিবার খিচুড়ি ও ডিম ভাজি খাওয়ান।

রান্নার কাজে সহযোগিতাকারী অভিভাবক রিমা রানী রায় বলেন, শিক্ষকদের এমন আয়োজনে আমরা সকলেই খুশি। বাড়ির কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিদ্যালয়ের এমন আয়োজনে আমরা অভিভাবকরাও সহযোগিতা করে থাকি। শিক্ষক রমা রানী রায় বলেন, শিক্ষার্থীরা ক্ষুধামুক্ত থাকলে পড়াশোনায় মনোযোগ থাকবে। এতে আমাদেরকেও ভালো লাগে। এতে বাচ্চারা ভালো থাকে এবং নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে। তাই এ আয়োজন।

প্রধান শিক্ষক আক্তারুজ্জামান বলেন, এ বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর লক্ষ্য করি যে, এলাকার অধিকাংশই খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের সংসারের অভাব-অনটনের কারণে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসত না। অনেক শিক্ষার্থীই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নসহ নিয়মিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও ঝরেপড়া রোধে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এই আয়োজনে প্রতিমাসে তাঁর ৭-৮ হাজার টাকা খরচ হয়। শিক্ষার্থীদের পিছনে এ ব্যয় বহন করাও তাঁর পক্ষে কষ্টসাধ্য। এরকম আয়োজনে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া গেলে এ উদ্যোগ ধরে রাখার পাশাপাশি পরিধিও বৃদ্ধি করা যাবে।

ভাবকী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রবিউল আলম তুহিন বলেন, শিক্ষকদের নিজস্ব অর্থায়নে মিড ডে মিলের উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। তাদের এ ইতিবাচক ও প্রশংসনীয় কাজে ইউনিয়ন পরিষদ সর্বদাই পাশে থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বিদ্যালয়ে স্ব-উদ্যোগে মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সকলের নিজ অবস্থান থেকে এমন উদ্যোগই পারবে সমাজকে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি এবং একই সঙ্গে খাওয়ার ফলে তাদের মধ্যে মমত্ববোধ ও ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি হবে। যা শিক্ষার্থীদের মানবিক করে তুলবে। উপজেলা প্রশাসন সর্বদা এরকম প্রশংসনীয় উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে থাকবে।

শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে স্ব উদ্যোগে মিড ডে মিল

প্রকাশের সময়: ০২:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও লেখাপড়ার মানোন্নয়নে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার দলি গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এক ব্যতিক্রম উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষকরা স্ব উদ্যোগে গত ২০২২ সালে চালু করেছেন মিড ডে মিল। এতে শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ৫দিন ডিম কিংবা পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ও প্রতি বৃহস্পতিবার খিচুড়ি খাওয়ানো হচ্ছে। শিক্ষকদের এ ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগের কারণে বিদ্যালয়ে পূর্বের তুলনায় নিয়মিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে স্থানীয় অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের প্রশংসায় ভাসছেন শিক্ষকেরা।

উপজেলার ভাবকী ইউনিয়নের গুলিয়ারা গ্রামে ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দলি গুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। যা গত ২০১৩ সালে জাতীয়করণ হয়।

অভিভাবক ও শিক্ষক সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০১৮ সালে মো. আক্তারুজ্জামান প্রধান শিক্ষক হিসেবে এ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। ওই সময় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ও উপস্থিতির হার তুলনামূলক অনেক কম ছিল। বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮৪ জন। কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা ৬ জন। বিদ্যালয়ের এ নাজুক অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে প্রধান শিক্ষক আক্তারুজ্জামান নিজেই শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মূখী ও ঝড়েপড়া রোধে পুষ্টিকর খাদ্য দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যা বাস্তবায়ন বা চালু করার
জন্য বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা করেন। বিদ্যালয়ে সর্বসম্মতিক্রমে ২০২২ সালের জুন মাস থেকে প্রধান শিক্ষকের অর্থায়নে ও সহকারী শিক্ষকদের সহযোগিতায় মিড ডে মিল চালু করেন। যা বর্তমানেও চলমান রয়েছে।

সম্প্রতি দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, তৃতীয়-পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাসে পড়াশোনায় বেশ মনোযোগী। বিদ্যালয়ের ছাদে একটি কক্ষে খিচুড়ি রান্নার কাজে ব্যস্ত একজন শিক্ষিকা। তাঁকে রান্নার কাজে সহযোগিতা করছেন দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মা। রান্না শেষে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে বিরতির ঘন্টা বেজে উঠল। মধ্যাহ্ন বিরতিতে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসলো শিক্ষার্থীরা। এসময় হই-হুল্লোড় করে বেসিন ও টিউবওয়েলে হাত ধোঁয়া, প্লেট পরিস্কার ও বোতলে পানি ভর্তি করতে ব্যস্ত শিক্ষার্থীরা। পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা শেষে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শুরু করল দুপুরের খাবার। এতে প্রধান শিক্ষক মো. আক্তারুজ্জামানসহ সহকারী শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের খাদ্য পরিবেশনে ব্যস্ত। এতে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। দুপুরের খাবার পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীসহ তাদের অভিভাবকরাও।

সহকারী শিক্ষক মন্মথ কুমার রায় জানান, বিদ্যালয়ে আগে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম ছিল। বর্তমান প্রধান শিক্ষক মো. আক্তারুজ্জামান বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর তাঁর নানামূখী উদ্যোগ গ্রহণ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণ করায় বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি ও উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যালয়ে বর্তমানে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার প্রায় ৯৮ শতাংশ।

শিক্ষার্থী মনিষা, প্রীতম, কাকলীসহ কয়েকজন জানান, বাড়িতে ঠিক সময়ে রান্না না হওয়া ও প্রতিনিয়ত বিদ্যালয়ে আসার পরে ক্ষুধার তাড়না নিবারণের জন্য বাড়িতে চলে যাওয়া বন্ধ করতে স্যারদের এ আয়োজন আমাদেরকে ভালোই লাগে। স্যাররা প্রতিদিন আমাদেরকে ডিমসহ বিভিন্ন প্রকার খাবার দেন। প্রতি বৃহস্পতিবার খিচুড়ি ও ডিম ভাজি খাওয়ান।

রান্নার কাজে সহযোগিতাকারী অভিভাবক রিমা রানী রায় বলেন, শিক্ষকদের এমন আয়োজনে আমরা সকলেই খুশি। বাড়ির কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিদ্যালয়ের এমন আয়োজনে আমরা অভিভাবকরাও সহযোগিতা করে থাকি। শিক্ষক রমা রানী রায় বলেন, শিক্ষার্থীরা ক্ষুধামুক্ত থাকলে পড়াশোনায় মনোযোগ থাকবে। এতে আমাদেরকেও ভালো লাগে। এতে বাচ্চারা ভালো থাকে এবং নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসে। তাই এ আয়োজন।

প্রধান শিক্ষক আক্তারুজ্জামান বলেন, এ বিদ্যালয়ে যোগদান করার পর লক্ষ্য করি যে, এলাকার অধিকাংশই খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের সংসারের অভাব-অনটনের কারণে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসত না। অনেক শিক্ষার্থীই পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নসহ নিয়মিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও ঝরেপড়া রোধে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এই আয়োজনে প্রতিমাসে তাঁর ৭-৮ হাজার টাকা খরচ হয়। শিক্ষার্থীদের পিছনে এ ব্যয় বহন করাও তাঁর পক্ষে কষ্টসাধ্য। এরকম আয়োজনে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া গেলে এ উদ্যোগ ধরে রাখার পাশাপাশি পরিধিও বৃদ্ধি করা যাবে।

ভাবকী ইউপি চেয়ারম্যান মো. রবিউল আলম তুহিন বলেন, শিক্ষকদের নিজস্ব অর্থায়নে মিড ডে মিলের উদ্যোগটি সত্যিই প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। তাদের এ ইতিবাচক ও প্রশংসনীয় কাজে ইউনিয়ন পরিষদ সর্বদাই পাশে থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন বিদ্যালয়ে স্ব-উদ্যোগে মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করাকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সকলের নিজ অবস্থান থেকে এমন উদ্যোগই পারবে সমাজকে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটাতে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি এবং একই সঙ্গে খাওয়ার ফলে তাদের মধ্যে মমত্ববোধ ও ভ্রাতৃত্ববোধ তৈরি হবে। যা শিক্ষার্থীদের মানবিক করে তুলবে। উপজেলা প্রশাসন সর্বদা এরকম প্রশংসনীয় উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে থাকবে।