শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ওয়াশ প্রকল্পের প্রচার কর্মশালা

দূর্যাগ ও জলবায়ুর ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অনেক ঝুকি থাকে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বন্যার কারণে  প্লাবিত হওয়ার কারনে টয়লেট ডুবে থাকে এতে করে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশেষ করে প্রতিবন্ধি মানুষের খুবই অসুবিধা হয়। এ ছাড়াও প্রতিবন্ধি মানুষের জন্য আলাদা করে কোন প্রকার টয়লেট নির্মান করা হয়না। ফলে তারা স্বাস্থ্যগত ঝুকিতে পরে তারা যেন স্বাস্থ্যগত ঝুকিতে না পরে। এই বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ আয়োজনে বুধবার শহরের রাধাকৃষ্ণপুরস্থ এস,কে এস ইন পার্ক এ্যান্ড রিসোর্ট সেন্টারের কনফারেন্স রুমে সকাল থেকে বিকেল অবধি দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জলবায়ু সহনশীল ওয়াশ প্রকল্পের বিষয় সহ প্রতিবন্ধী ও অক্ষমতা মানুষের স্বাস্থ্যগত দিক তুলে ধরে প্রজেক্টরে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ ঢাকা’র রিসার্চ অফিসার সাবিহা আহমেদ দিবা।

তিনি বলেন- সাধারণ মানুষের থেকে প্রতিবন্ধি মানুষের অনেক প্রতিবন্ধীকতা রয়েছে। বিশেষ করে চাকুরী করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি।প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাসা থেকে কয়েক গজ দূরে একটা টয়লেট থাকে। বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারনে তা ডুবে থাকে।  ফলে সাধারণ মানুষ যেখানে এ্যাকসেপ্ট করতে পারেনা, সেখানে প্রতিবন্ধি মানুষ কি রকম অসুবিধা হতে পারে এবং যে টয়লেট আছে সেটা শুধু সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারে। প্রতিবন্ধী মানুষের খাওয়ার পানি লাগলে অন্য কেউ দিতে পারবে কিন্তু তাকে বাথরুমে একাই যেতে হবে।  আমাদের অনেক নীতিমালা ও রুলস আছে, পলিসি আছে। সরকারিভাবে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে তেমন রিপোর্ট করা হয় নাই। তাই ওয়াশকে ফোকাস করে বলা হবে যারা বেনিফিশারি বা প্রকল্প নিয়ে কাজ করে তাদেরকে ওয়াশ স্ট্রাকচারগুলো ডেভেলপ করা হবে৷ এগুলো যেন ডিজাইন করা হয় প্রতিবন্ধী ও সাধারণ মানুষের বাথরুম করার চিন্তা করে। যাতে প্রকৃতভাবে তা গ্রহনযোগ্য হয়। দূর্যাগ এবং জলবায়ু পরিবর্তন এর কারনে যে পরিমান ঝুকি নেতিবাচক প্রভাবগুলো পরে। সেটা যেন সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী মানুষরা সমানভাবে ব্যাবহার করতে পারে এবং মোকাবিলা করে নিজেকে এডাল্ট করে নিয়ে তাদের জীবন জিবিকা নির্বাহ করতে পারে।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার উত্তম দাস, এস,কে,এস উন্নয়ন সংস্থার প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এস,কে মামুন, ফ্রেন্ডশিপ গাইবান্ধার অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিকত্ব বিষয়ক প্রজেক্ট ম্যানেজার লাকি ম্যারান্ডি, ব্রাক রিজিওনাল অফিস গাইবান্ধার জেন্ডার জাস্টিস ডাইভারসিটি প্রোগ্রাম অফিসার মশিউর রহমান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন- ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা এরিয়া  অফিসের সিনিয়র  প্রোগ্রাম অফিসার জোষেফ মার্ঢি। এ সময় ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা অফিসের কর্মকর্তা ও প্রতিবন্ধী মানুষরা উপস্থিত ছিলেন।

গাইবান্ধায় ওয়াশ প্রকল্পের প্রচার কর্মশালা

প্রকাশের সময়: ০৫:২১:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪
দূর্যাগ ও জলবায়ুর ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অনেক ঝুকি থাকে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে বন্যার কারণে  প্লাবিত হওয়ার কারনে টয়লেট ডুবে থাকে এতে করে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিশেষ করে প্রতিবন্ধি মানুষের খুবই অসুবিধা হয়। এ ছাড়াও প্রতিবন্ধি মানুষের জন্য আলাদা করে কোন প্রকার টয়লেট নির্মান করা হয়না। ফলে তারা স্বাস্থ্যগত ঝুকিতে পরে তারা যেন স্বাস্থ্যগত ঝুকিতে না পরে। এই বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ আয়োজনে বুধবার শহরের রাধাকৃষ্ণপুরস্থ এস,কে এস ইন পার্ক এ্যান্ড রিসোর্ট সেন্টারের কনফারেন্স রুমে সকাল থেকে বিকেল অবধি দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জলবায়ু সহনশীল ওয়াশ প্রকল্পের বিষয় সহ প্রতিবন্ধী ও অক্ষমতা মানুষের স্বাস্থ্যগত দিক তুলে ধরে প্রজেক্টরে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন- ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ ঢাকা’র রিসার্চ অফিসার সাবিহা আহমেদ দিবা।

তিনি বলেন- সাধারণ মানুষের থেকে প্রতিবন্ধি মানুষের অনেক প্রতিবন্ধীকতা রয়েছে। বিশেষ করে চাকুরী করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি।প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাসা থেকে কয়েক গজ দূরে একটা টয়লেট থাকে। বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারনে তা ডুবে থাকে।  ফলে সাধারণ মানুষ যেখানে এ্যাকসেপ্ট করতে পারেনা, সেখানে প্রতিবন্ধি মানুষ কি রকম অসুবিধা হতে পারে এবং যে টয়লেট আছে সেটা শুধু সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারে। প্রতিবন্ধী মানুষের খাওয়ার পানি লাগলে অন্য কেউ দিতে পারবে কিন্তু তাকে বাথরুমে একাই যেতে হবে।  আমাদের অনেক নীতিমালা ও রুলস আছে, পলিসি আছে। সরকারিভাবে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে তেমন রিপোর্ট করা হয় নাই। তাই ওয়াশকে ফোকাস করে বলা হবে যারা বেনিফিশারি বা প্রকল্প নিয়ে কাজ করে তাদেরকে ওয়াশ স্ট্রাকচারগুলো ডেভেলপ করা হবে৷ এগুলো যেন ডিজাইন করা হয় প্রতিবন্ধী ও সাধারণ মানুষের বাথরুম করার চিন্তা করে। যাতে প্রকৃতভাবে তা গ্রহনযোগ্য হয়। দূর্যাগ এবং জলবায়ু পরিবর্তন এর কারনে যে পরিমান ঝুকি নেতিবাচক প্রভাবগুলো পরে। সেটা যেন সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী মানুষরা সমানভাবে ব্যাবহার করতে পারে এবং মোকাবিলা করে নিজেকে এডাল্ট করে নিয়ে তাদের জীবন জিবিকা নির্বাহ করতে পারে।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার উত্তম দাস, এস,কে,এস উন্নয়ন সংস্থার প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এস,কে মামুন, ফ্রেন্ডশিপ গাইবান্ধার অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিকত্ব বিষয়ক প্রজেক্ট ম্যানেজার লাকি ম্যারান্ডি, ব্রাক রিজিওনাল অফিস গাইবান্ধার জেন্ডার জাস্টিস ডাইভারসিটি প্রোগ্রাম অফিসার মশিউর রহমান।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন- ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা এরিয়া  অফিসের সিনিয়র  প্রোগ্রাম অফিসার জোষেফ মার্ঢি। এ সময় ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা অফিসের কর্মকর্তা ও প্রতিবন্ধী মানুষরা উপস্থিত ছিলেন।