তিনি বলেন- সাধারণ মানুষের থেকে প্রতিবন্ধি মানুষের অনেক প্রতিবন্ধীকতা রয়েছে। বিশেষ করে চাকুরী করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি।প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাসা থেকে কয়েক গজ দূরে একটা টয়লেট থাকে। বন্যায় প্লাবিত হওয়ার কারনে তা ডুবে থাকে। ফলে সাধারণ মানুষ যেখানে এ্যাকসেপ্ট করতে পারেনা, সেখানে প্রতিবন্ধি মানুষ কি রকম অসুবিধা হতে পারে এবং যে টয়লেট আছে সেটা শুধু সাধারণ মানুষ ব্যবহার করতে পারে। প্রতিবন্ধী মানুষের খাওয়ার পানি লাগলে অন্য কেউ দিতে পারবে কিন্তু তাকে বাথরুমে একাই যেতে হবে। আমাদের অনেক নীতিমালা ও রুলস আছে, পলিসি আছে। সরকারিভাবে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে তেমন রিপোর্ট করা হয় নাই। তাই ওয়াশকে ফোকাস করে বলা হবে যারা বেনিফিশারি বা প্রকল্প নিয়ে কাজ করে তাদেরকে ওয়াশ স্ট্রাকচারগুলো ডেভেলপ করা হবে৷ এগুলো যেন ডিজাইন করা হয় প্রতিবন্ধী ও সাধারণ মানুষের বাথরুম করার চিন্তা করে। যাতে প্রকৃতভাবে তা গ্রহনযোগ্য হয়। দূর্যাগ এবং জলবায়ু পরিবর্তন এর কারনে যে পরিমান ঝুকি নেতিবাচক প্রভাবগুলো পরে। সেটা যেন সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রতিবন্ধী মানুষরা সমানভাবে ব্যাবহার করতে পারে এবং মোকাবিলা করে নিজেকে এডাল্ট করে নিয়ে তাদের জীবন জিবিকা নির্বাহ করতে পারে।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার উত্তম দাস, এস,কে,এস উন্নয়ন সংস্থার প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এস,কে মামুন, ফ্রেন্ডশিপ গাইবান্ধার অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিকত্ব বিষয়ক প্রজেক্ট ম্যানেজার লাকি ম্যারান্ডি, ব্রাক রিজিওনাল অফিস গাইবান্ধার জেন্ডার জাস্টিস ডাইভারসিটি প্রোগ্রাম অফিসার মশিউর রহমান।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন- ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা এরিয়া অফিসের সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার জোষেফ মার্ঢি। এ সময় ওর্য়াল্ডভিশন বাংলাদেশ গাইবান্ধা অফিসের কর্মকর্তা ও প্রতিবন্ধী মানুষরা উপস্থিত ছিলেন।
সঞ্জয় সাহা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 


















