বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুর বাড়ির বট-পাকুড় গাছের ডালে বাদুড়ের রাজ্য

অন্তত দেড়’শ বছর ধরে ঠাকুর বাড়ির বট-পাকুড় গাছে ঝুলছে হাজার হাজার বাদুড়। এ ঠাকুর বাড়িটি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের গোন্দলগ্রামে। বাড়িটি একেবারেই নিরিবিলি ও সুনশান পরিবেশ। এ ঠাকুর বাড়িটিই যেন বাদুড়ের নিরাপদ অভয়ারণ্য ও সম্রাজ্য। এই বট-পাকুড় গাছ দখলে রেখেছে বাদুড়। বছরের পুরো সময় জুড়ে নির্বিঘ্নে বসবাস করছে বাদুড়গুলো। যেন চোখ ফেরানো দায়। হুকের মতো পা দু’টো আটকিয়ে নিস্তব্ধতায় ঝুলছে অসংখ্য বাদুড়।  মাথায় সামান্য হলুদ রঙ থাকলেও পুরো দেহটি কালো। একটু শব্দ হলেই দল বেঁধে পালকহীন চামড়া মোড়ানো ডানায় কয়েকটা ঝাপ্টা দিয়ে আবার নীরব। রাতের অক্লান্ত শ্রমে যেন তারা শুধু একটু প্রশান্তির ঘুমই খুঁজছে। বাদুড়ের কোলাহলে সকালে ঘুম ভাঙ্গে বাড়ির লোকজনের। অন্তত দেড়’শ বছর ধরে এ গাছে বসবাস করছে বাদুড়। হাজার হাজার বাদুড় গাছের ডালে ডালে এক সাথে ঝুলে থাকার দৃশ্য দেখার জন্য মানুষের কৌতুহলও বেশ। বংশানুক্রমে অন্তত দেড়’শ বছর বাদুড়ের বাস এ ঠাকুর বাড়িতে।
ফণি ঝাঁ’র ঠাকুর বাড়ির পাশের বট-পাকুড় গাছটি যেন বাদুড় বাড়ি। বাড়ির লোকজন বাদুড়গুলো কিচিরমিচির শব্দ করে ডাকলেও বিরক্ত হন না। তারা মনে করেন বাড়িতে বাদুড় থাকা ভাগ্যের ব্যাপার বা চিহ্ন। সারাদিন মানুষ যখন ব্যস্ত থাকে বাদুড়গুলো তখন থাকে ঘুমন্ত। সন্ধ্যায় যখন মানুষ ঘরে ফিরে, বাদুড়রা তখন খাদ্যের সন্ধানে বাইরে বেরিয়ে পড়ে নিশাচরের মতো। ভোররাতে আবার ফিরে আসে ঠাকুর বাড়িতে। সারারাত ঘুরে দিবানিদ্রায় যায় এ ঠাকুর বাড়িতে। এ বাড়ির মানুষরাও যেন বাদুড় প্রেমিক। বাড়ির কেউ বাদুড়দের বিরক্ত করেন না, কাউকে বিরক্তও করতে দেন না। দিনরাত বাদুড়গুলো আকাশে উড়ছে আর ডাকছে। বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে বট-পাকুড় গাছে ঝুলছে বাদুড়। গ্রামীণ জীবনে প্রচলিত আছে-বাদুড় মানুষের জন্য নানা শুভ-অশুভ বার্তা বহন করে। রক্তচোষা বলেও অপপ্রচার রয়েছে। বাদুড় নিয়ে কল্পকাহিনী আর কুসংস্কারের যুগ কেটে গেছে। বিরল এ পাখির সাথে এ বাড়ির মানুষের বংশ পরম্পরায় যুগ যুগ ধরে যেন আত্নার অন্তমিল। প্রাকৃতিক কত ঝড়-বৃষ্টি গেছে তবুও এরা টিকে আছে ঠাকুর বাড়ির এ গাছে।
সরজমিন উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের গোন্দল গ্রামের ঠাকুর বাড়িতে গিয়ে বাড়ির মালিক ফণি ঝাঁ জানান, কখন এ বাড়িতে বাদুড় আশ্রয় নিয়েছে তার সঠিক ইতিহাস কারো জানা নেই। তিনি জানান, বাদুড় অবলা প্রাণি। এদের জীবনযাত্রা বড়ই অদ্ভুদ। নিজের খাদ্যের অভাব মেটানো ছাড়া কোনো ক্ষতি করে না। দিন শেষে সন্ধ্যায় অন্ধকার নেমে আসার সাথে সাথে এরা দল বেঁধে বিভিন্ন দিকে ছুটে যায়। রাতে খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে গেলেও ভোরবেলা অন্য কোথাও না গিয়ে তাদের নিরাপদ আবাসস্থল তার বাড়িতে চলে আসে। এভাবে যুগের পর যুগ বাদুড়দের জীবন চলছে। কখন এ বাড়িতে প্রথম বাদুড়গুলো আসে সে ব্যাপারে তিনি জানান, স্বাধীনতার সময় তিনি যখন ছোট ছিলেন তার দাদা জানান পূর্বপুরুষরা তার দাদাকে জানিয়ে ছিলেন তাদের জন্মেরও আগে বাদুড়গুলো এভাবে বসবাস করছে। তিনি আরও বলেন, বাদুড় মানুষের মতো কথা বলতে পারে না। এরা নিরীহ প্রাণি। মাঝেমধ্যে কিছুক্ষণ কিচিরমিচির শব্দ করে। পোষা প্রাণিদের মতোই এরা এখানে বসবাস করছে বহুকাল ধরে। তবে তারা ঠিকই সামাজিকতা বুঝে। তাই তো সমাজবদ্ধভাবে বাদুড়েরা দীর্ঘদিন যাবত তার বাড়িতে নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে বসবাস করছে। কারো কোনো ক্ষতি করছে না।
তিনি আরও জানান, বাদুড়ের কোনো বাসা তৈরি করতে হয় না। শুধু শাখাওয়ালা উঁচু গাছ হলে তারা সাচ্ছন্দ্যে ঝুলে থাকে। ঝুলন্ত অবস্থাতেই তারা ঘুমিয়ে নেয়। বাদুড়েরা ডিম পাড়ে না, বাচ্চা প্রসব করে। জন্মের পরপরই তারা মায়ের বুক আঁকড়ে ধরে আশ্রয় নেয়। একটি বাদুড় ছানাও কখনো নিচে পড়ে না। প্রাকৃতিক দূর্যোগে দুই-একটা বাদুড় মরে নিচে পড়লেও স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুর পর একটি বাদুড়ও নিচে পড়তে তারা কখনও দেখেননি। বাদুড় নিজের চাহিদামতো বাসস্থান নির্বাচন করে। উপজেলার মধ্যে আরও অনেক গ্রাম আছে, বাড়ি আছে। সেগুলোতে ওরা যায় না। ঘুরে-ফিরে আবার তারা আমাদের বাড়িতেই চলে আসে। পাশের বাড়িতেও তারা যায় না। তাঁর মতে, বর্তমানে যেসব বাদুড় এখানে রয়েছে তার বেশির ভাগই জন্ম হয়েছে এ বাড়িতে। আর জন্মস্থান ছেড়ে কে অন্যস্থানে যেতে চাইবে। বাদুড়গুলো এ বাড়িতে মানুষের সাথে যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক সম্প্রীতির মাধ্যমে বসবাস করছে। বাদুড় পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এদের সুরক্ষা দেয়াসহ গ্রামবাসীকে নানাভাবে পরামর্শ দিয়ে আসছি। আশা করি, এরা আগামী দিনগুলোতেও আরও স্বাধীনভাবে থাকতে পারবে।
উপজেলার রানীরবন্দরের ইছামতি ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বাদুড় সম্পর্কে জানান, এরা নিশাচর প্রাণি। বাদুড় দিনের বেলায় নিস্ক্রিয় থাকে, রাতের বেলায় সক্রিয় হয়। এদের প্রচলিত নাম ভারতীয় উড়ন্ত বাদুড় (Indian Flying Bat), এর বৈজ্ঞানিক নাম Pteropus giganticus। এরা Frugivorus  স্বভাবের। এদের প্রধান খাদ্য পাকা আম, কলা, পেয়ারা, ডুমুর, পেঁপেসহ অন্যান্য ফলমুল। বাদুড় সাধারণত বট, পাকুড়, ডুমুর এবং তেঁতুল জাতীয় গাছে আশ্রয়স্থল তৈরি করে। আশ্রয়স্থল তৈরিকারী গাছগুলো পানির সন্নিকটে থাকে। এরা মানুষের উপকারই করে থাকে। কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলকে রক্ষা করে। ফুল-ফলের পরাগায়ণ সৃষ্টি করে। জীববৈচিত্র্য, পরিবেশবান্ধব ও মানবকল্যাণকারী এ স্তন্যপায়ী প্রাণিটি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।
জনপ্রিয়

ঠাকুর বাড়ির বট-পাকুড় গাছের ডালে বাদুড়ের রাজ্য

প্রকাশের সময়: ০৭:৫১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৫
অন্তত দেড়’শ বছর ধরে ঠাকুর বাড়ির বট-পাকুড় গাছে ঝুলছে হাজার হাজার বাদুড়। এ ঠাকুর বাড়িটি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের গোন্দলগ্রামে। বাড়িটি একেবারেই নিরিবিলি ও সুনশান পরিবেশ। এ ঠাকুর বাড়িটিই যেন বাদুড়ের নিরাপদ অভয়ারণ্য ও সম্রাজ্য। এই বট-পাকুড় গাছ দখলে রেখেছে বাদুড়। বছরের পুরো সময় জুড়ে নির্বিঘ্নে বসবাস করছে বাদুড়গুলো। যেন চোখ ফেরানো দায়। হুকের মতো পা দু’টো আটকিয়ে নিস্তব্ধতায় ঝুলছে অসংখ্য বাদুড়।  মাথায় সামান্য হলুদ রঙ থাকলেও পুরো দেহটি কালো। একটু শব্দ হলেই দল বেঁধে পালকহীন চামড়া মোড়ানো ডানায় কয়েকটা ঝাপ্টা দিয়ে আবার নীরব। রাতের অক্লান্ত শ্রমে যেন তারা শুধু একটু প্রশান্তির ঘুমই খুঁজছে। বাদুড়ের কোলাহলে সকালে ঘুম ভাঙ্গে বাড়ির লোকজনের। অন্তত দেড়’শ বছর ধরে এ গাছে বসবাস করছে বাদুড়। হাজার হাজার বাদুড় গাছের ডালে ডালে এক সাথে ঝুলে থাকার দৃশ্য দেখার জন্য মানুষের কৌতুহলও বেশ। বংশানুক্রমে অন্তত দেড়’শ বছর বাদুড়ের বাস এ ঠাকুর বাড়িতে।
ফণি ঝাঁ’র ঠাকুর বাড়ির পাশের বট-পাকুড় গাছটি যেন বাদুড় বাড়ি। বাড়ির লোকজন বাদুড়গুলো কিচিরমিচির শব্দ করে ডাকলেও বিরক্ত হন না। তারা মনে করেন বাড়িতে বাদুড় থাকা ভাগ্যের ব্যাপার বা চিহ্ন। সারাদিন মানুষ যখন ব্যস্ত থাকে বাদুড়গুলো তখন থাকে ঘুমন্ত। সন্ধ্যায় যখন মানুষ ঘরে ফিরে, বাদুড়রা তখন খাদ্যের সন্ধানে বাইরে বেরিয়ে পড়ে নিশাচরের মতো। ভোররাতে আবার ফিরে আসে ঠাকুর বাড়িতে। সারারাত ঘুরে দিবানিদ্রায় যায় এ ঠাকুর বাড়িতে। এ বাড়ির মানুষরাও যেন বাদুড় প্রেমিক। বাড়ির কেউ বাদুড়দের বিরক্ত করেন না, কাউকে বিরক্তও করতে দেন না। দিনরাত বাদুড়গুলো আকাশে উড়ছে আর ডাকছে। বাড়ির পাশে পুকুরপাড়ে বট-পাকুড় গাছে ঝুলছে বাদুড়। গ্রামীণ জীবনে প্রচলিত আছে-বাদুড় মানুষের জন্য নানা শুভ-অশুভ বার্তা বহন করে। রক্তচোষা বলেও অপপ্রচার রয়েছে। বাদুড় নিয়ে কল্পকাহিনী আর কুসংস্কারের যুগ কেটে গেছে। বিরল এ পাখির সাথে এ বাড়ির মানুষের বংশ পরম্পরায় যুগ যুগ ধরে যেন আত্নার অন্তমিল। প্রাকৃতিক কত ঝড়-বৃষ্টি গেছে তবুও এরা টিকে আছে ঠাকুর বাড়ির এ গাছে।
সরজমিন উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের গোন্দল গ্রামের ঠাকুর বাড়িতে গিয়ে বাড়ির মালিক ফণি ঝাঁ জানান, কখন এ বাড়িতে বাদুড় আশ্রয় নিয়েছে তার সঠিক ইতিহাস কারো জানা নেই। তিনি জানান, বাদুড় অবলা প্রাণি। এদের জীবনযাত্রা বড়ই অদ্ভুদ। নিজের খাদ্যের অভাব মেটানো ছাড়া কোনো ক্ষতি করে না। দিন শেষে সন্ধ্যায় অন্ধকার নেমে আসার সাথে সাথে এরা দল বেঁধে বিভিন্ন দিকে ছুটে যায়। রাতে খাদ্যের সন্ধানে বেরিয়ে গেলেও ভোরবেলা অন্য কোথাও না গিয়ে তাদের নিরাপদ আবাসস্থল তার বাড়িতে চলে আসে। এভাবে যুগের পর যুগ বাদুড়দের জীবন চলছে। কখন এ বাড়িতে প্রথম বাদুড়গুলো আসে সে ব্যাপারে তিনি জানান, স্বাধীনতার সময় তিনি যখন ছোট ছিলেন তার দাদা জানান পূর্বপুরুষরা তার দাদাকে জানিয়ে ছিলেন তাদের জন্মেরও আগে বাদুড়গুলো এভাবে বসবাস করছে। তিনি আরও বলেন, বাদুড় মানুষের মতো কথা বলতে পারে না। এরা নিরীহ প্রাণি। মাঝেমধ্যে কিছুক্ষণ কিচিরমিচির শব্দ করে। পোষা প্রাণিদের মতোই এরা এখানে বসবাস করছে বহুকাল ধরে। তবে তারা ঠিকই সামাজিকতা বুঝে। তাই তো সমাজবদ্ধভাবে বাদুড়েরা দীর্ঘদিন যাবত তার বাড়িতে নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে বসবাস করছে। কারো কোনো ক্ষতি করছে না।
তিনি আরও জানান, বাদুড়ের কোনো বাসা তৈরি করতে হয় না। শুধু শাখাওয়ালা উঁচু গাছ হলে তারা সাচ্ছন্দ্যে ঝুলে থাকে। ঝুলন্ত অবস্থাতেই তারা ঘুমিয়ে নেয়। বাদুড়েরা ডিম পাড়ে না, বাচ্চা প্রসব করে। জন্মের পরপরই তারা মায়ের বুক আঁকড়ে ধরে আশ্রয় নেয়। একটি বাদুড় ছানাও কখনো নিচে পড়ে না। প্রাকৃতিক দূর্যোগে দুই-একটা বাদুড় মরে নিচে পড়লেও স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুর পর একটি বাদুড়ও নিচে পড়তে তারা কখনও দেখেননি। বাদুড় নিজের চাহিদামতো বাসস্থান নির্বাচন করে। উপজেলার মধ্যে আরও অনেক গ্রাম আছে, বাড়ি আছে। সেগুলোতে ওরা যায় না। ঘুরে-ফিরে আবার তারা আমাদের বাড়িতেই চলে আসে। পাশের বাড়িতেও তারা যায় না। তাঁর মতে, বর্তমানে যেসব বাদুড় এখানে রয়েছে তার বেশির ভাগই জন্ম হয়েছে এ বাড়িতে। আর জন্মস্থান ছেড়ে কে অন্যস্থানে যেতে চাইবে। বাদুড়গুলো এ বাড়িতে মানুষের সাথে যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক সম্প্রীতির মাধ্যমে বসবাস করছে। বাদুড় পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এদের সুরক্ষা দেয়াসহ গ্রামবাসীকে নানাভাবে পরামর্শ দিয়ে আসছি। আশা করি, এরা আগামী দিনগুলোতেও আরও স্বাধীনভাবে থাকতে পারবে।
উপজেলার রানীরবন্দরের ইছামতি ডিগ্রি কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আতাউর রহমান বাদুড় সম্পর্কে জানান, এরা নিশাচর প্রাণি। বাদুড় দিনের বেলায় নিস্ক্রিয় থাকে, রাতের বেলায় সক্রিয় হয়। এদের প্রচলিত নাম ভারতীয় উড়ন্ত বাদুড় (Indian Flying Bat), এর বৈজ্ঞানিক নাম Pteropus giganticus। এরা Frugivorus  স্বভাবের। এদের প্রধান খাদ্য পাকা আম, কলা, পেয়ারা, ডুমুর, পেঁপেসহ অন্যান্য ফলমুল। বাদুড় সাধারণত বট, পাকুড়, ডুমুর এবং তেঁতুল জাতীয় গাছে আশ্রয়স্থল তৈরি করে। আশ্রয়স্থল তৈরিকারী গাছগুলো পানির সন্নিকটে থাকে। এরা মানুষের উপকারই করে থাকে। কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসলকে রক্ষা করে। ফুল-ফলের পরাগায়ণ সৃষ্টি করে। জীববৈচিত্র্য, পরিবেশবান্ধব ও মানবকল্যাণকারী এ স্তন্যপায়ী প্রাণিটি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।