বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় ভূট্টাক্ষেত থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ভূট্টাক্ষেত থেকে আনিছা বেগম (১৯) এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের ইলিয়াস হাজিপাড়ার পূর্বপাশে একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত গৃহবধূ আনিছা

উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়ার মো. মাহফুজ আলমের স্ত্রী এবং ওই ইউনিয়নের ইলিয়াস হাজীপাড়ার মৃত আলমের মেয়ে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আনিছা গত কয়েক মাস ধরে তার পিত্রালয়ে অবস্থান করছিল। এ বাড়িতে স্বামীর যাতায়াতসহ ফোনে তার যোগাযোগ ছিল। কিছুদিন পূর্বে আনিছার স্বামী তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ২০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। লোক লজ্জায় সে তাদের বাড়িতে না আসলেও ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ করতো।

নিহতের চাচা মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, গত ৬ জানুয়ারি সোমবার সন্ধ্যায় জামাই আমাদের বাড়িতে আসে এবং তাকে আমরা আপ্যায়ন করাই। এরপর জামাই আমাদের মেয়েকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। পরিকল্পিতভাবে জামাই আমাদের মেয়ে আনিছাকে হত্যা করেছে।

নিহতের ভাই মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আমার বোনকে আমার ভগ্নিপতি নিয়ে যায়। রাত ১১টায় ফোন করলে ভগ্নিপতি বলে আমার কাছে আছে। আমার স্ত্রী ভোরবেলা ফোন করলে বলে সে (আনিছা) আমার কাছে নেই, আমি রেখে এসেছি। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত আনিছার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তার স্বামী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জনপ্রিয়

খানসামায় ভূট্টাক্ষেত থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৬:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় ভূট্টাক্ষেত থেকে আনিছা বেগম (১৯) এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের ইলিয়াস হাজিপাড়ার পূর্বপাশে একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত গৃহবধূ আনিছা

উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের দুবলিয়া গ্রামের দোলাপাড়ার মো. মাহফুজ আলমের স্ত্রী এবং ওই ইউনিয়নের ইলিয়াস হাজীপাড়ার মৃত আলমের মেয়ে।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৯৯৯ এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আনিছা গত কয়েক মাস ধরে তার পিত্রালয়ে অবস্থান করছিল। এ বাড়িতে স্বামীর যাতায়াতসহ ফোনে তার যোগাযোগ ছিল। কিছুদিন পূর্বে আনিছার স্বামী তার শ্বশুরবাড়ি থেকে ২০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। লোক লজ্জায় সে তাদের বাড়িতে না আসলেও ফোনে নিয়মিত যোগাযোগ করতো।

নিহতের চাচা মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, গত ৬ জানুয়ারি সোমবার সন্ধ্যায় জামাই আমাদের বাড়িতে আসে এবং তাকে আমরা আপ্যায়ন করাই। এরপর জামাই আমাদের মেয়েকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। পরিকল্পিতভাবে জামাই আমাদের মেয়ে আনিছাকে হত্যা করেছে।

নিহতের ভাই মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আমার বোনকে আমার ভগ্নিপতি নিয়ে যায়। রাত ১১টায় ফোন করলে ভগ্নিপতি বলে আমার কাছে আছে। আমার স্ত্রী ভোরবেলা ফোন করলে বলে সে (আনিছা) আমার কাছে নেই, আমি রেখে এসেছি। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজমূল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত আনিছার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তার স্বামী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।