বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়া প্রেমে সংসার ভাঙলো এক সন্তানের জননীর 

পরকীয়া প্রেমে স্বামীর সঙ্গে সংসার ভেঙে যাওয়ার পর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে অনশন শুরু করেছেন এক সন্তানের জননী রিমা আকতার (১৯)। বুধবার (২২ জুলাই) ঘটনাটি ঘটে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের কাবাষট্টি গ্রামে।

অনশনরত রিমা আকতার নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার ঢাকইর গ্রামের আব্দুর রশিদের মেয়ে। অভিযুক্ত তাজনুর ইসলাম কাবাষট্টি গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে। স্থানীয়রা বলেছেন, তাজনুর বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। স্থানীয় ও অনশনরত রিমার পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, রিমার সাবেক স্বামী মোফাজ্জল হোসেনের বাড়িও কাবাষট্টি গ্রামে, যা তাজনুর ইসলামের বাড়ির পাশেই। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে রিমা ও তাজনুর ইসলামের মধ্যে পরিচয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে রিমার স্বামী মোফাজ্জল হোসেন তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে ওই রাতেই রিমাকে তালাক দেওয়া হয়। সংসার ভেঙে যাওয়ার পর নিজেকে অসহায় দাবি করে পরদিন বুধবার সকালে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে তাজনুর ইসলামের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন রিমা। তবে রিমা বাড়িতে পৌঁছার আগেই বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্ত তাজনুর ইসলামসহ তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। এরপরও বাড়ির সামনে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে অনশন শুরু করেন রিমা।

অনশনরত রিমা আকতার বলেন, তাজনুরের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই আমার সংসার ভেঙে গেছে। স্বামী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছেন। এখন তাজনুর যদি আমাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ না করে, তাহলে আমার বেঁচে থাকার কোনো পথ থাকবে না। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। কেউ তরুণীর দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছেন, আবার কেউ পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে অভিযুক্ত তাজনুর ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। যে কারণে অভিযোগের বিষয় তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

পরকীয়া প্রেমে সংসার ভাঙলো এক সন্তানের জননীর 

পরকীয়া প্রেমে সংসার ভাঙলো এক সন্তানের জননীর 

প্রকাশের সময়: ০৪:৩৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

পরকীয়া প্রেমে স্বামীর সঙ্গে সংসার ভেঙে যাওয়ার পর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে অনশন শুরু করেছেন এক সন্তানের জননী রিমা আকতার (১৯)। বুধবার (২২ জুলাই) ঘটনাটি ঘটে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের কাবাষট্টি গ্রামে।

অনশনরত রিমা আকতার নন্দীগ্রাম পৌর এলাকার ঢাকইর গ্রামের আব্দুর রশিদের মেয়ে। অভিযুক্ত তাজনুর ইসলাম কাবাষট্টি গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে। স্থানীয়রা বলেছেন, তাজনুর বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক। স্থানীয় ও অনশনরত রিমার পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা যায়, রিমার সাবেক স্বামী মোফাজ্জল হোসেনের বাড়িও কাবাষট্টি গ্রামে, যা তাজনুর ইসলামের বাড়ির পাশেই। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে রিমা ও তাজনুর ইসলামের মধ্যে পরিচয় এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাতে রিমার স্বামী মোফাজ্জল হোসেন তাদের দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে ওই রাতেই রিমাকে তালাক দেওয়া হয়। সংসার ভেঙে যাওয়ার পর নিজেকে অসহায় দাবি করে পরদিন বুধবার সকালে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে তাজনুর ইসলামের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন রিমা। তবে রিমা বাড়িতে পৌঁছার আগেই বিষয়টি জানতে পেরে অভিযুক্ত তাজনুর ইসলামসহ তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। এরপরও বাড়ির সামনে মা ও বোনকে সঙ্গে নিয়ে অনশন শুরু করেন রিমা।

অনশনরত রিমা আকতার বলেন, তাজনুরের সঙ্গে সম্পর্কের কারণেই আমার সংসার ভেঙে গেছে। স্বামী আমাকে ডিভোর্স দিয়েছেন। এখন তাজনুর যদি আমাকে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ না করে, তাহলে আমার বেঁচে থাকার কোনো পথ থাকবে না। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে যায়। স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। কেউ তরুণীর দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছেন, আবার কেউ পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে অভিযুক্ত তাজনুর ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। যে কারণে অভিযোগের বিষয় তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।