মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার 

পাবনায় হলুদ ক্ষেত থেকে নিখোঁজের একদিন পর সুপ্রভাত মদক নামে এক ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে আমিনপুর থানার আহম্মদপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি হলুদের ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুপ্রভাত মদক ওই এলাকার সত্য চন্দ্র মদকের ছেলে। তিনি কাশীনাথপুরের দাদাভাই হোটেলে ব্যবসা করতেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে থাকা অবস্থায় কাউকে কিছু না বলে বের হয়ে যান সুপ্রভাত। এরপর রাতে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করেন।
কোথাও সন্ধান না পেয়ে পরে আমিনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তারা। অভিযোগ পাওয়ার পর আমিনপুর থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুপ্রভাতের মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করে।
রাত ১২টার দিকে তার মোবাইল ফোনটি চালু পাওয়া যায়। একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে তার নম্বর থেকে আবারও ফোন এলেও অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এরপর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির পেছনের হলুদের ক্ষেতে সুপ্রভাতের ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, কীভাবে সুপ্রভাতের মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জনপ্রিয়

স্বামীর বন্ধুকে বিয়ে করলেন কৃষি অফিসের সুমি, কর্মস্থলে অনুপস্থিতে শোকজ

পাবনায নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার 

প্রকাশের সময়: ০৩:২২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
পাবনায় হলুদ ক্ষেত থেকে নিখোঁজের একদিন পর সুপ্রভাত মদক নামে এক ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে আমিনপুর থানার আহম্মদপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি হলুদের ক্ষেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুপ্রভাত মদক ওই এলাকার সত্য চন্দ্র মদকের ছেলে। তিনি কাশীনাথপুরের দাদাভাই হোটেলে ব্যবসা করতেন।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে থাকা অবস্থায় কাউকে কিছু না বলে বের হয়ে যান সুপ্রভাত। এরপর রাতে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করেন।
কোথাও সন্ধান না পেয়ে পরে আমিনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তারা। অভিযোগ পাওয়ার পর আমিনপুর থানা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সুপ্রভাতের মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করে।
রাত ১২টার দিকে তার মোবাইল ফোনটি চালু পাওয়া যায়। একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি। পরে তার নম্বর থেকে আবারও ফোন এলেও অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এরপর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির পেছনের হলুদের ক্ষেতে সুপ্রভাতের ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, কীভাবে সুপ্রভাতের মৃত্যু হয়েছে এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।