বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

করোনা: গাইবান্ধায় একদিনে শানাক্ত ৩৭, সুস্থ ২০ জন   

ছবি: প্রতিকী

গাইবান্ধা জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত এবং সুস্থ হয়েছেন ২০ জন রোগি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে গাইবান্ধা সদরে ১২ জন, গোবিন্দগঞ্জে ৬ জন, সাদুল্লাপুরে ৭ জন, ফুলছড়িতে ২ জন, পলাশবাড়ীতে ৬ জন, সুন্দরগঞ্জে ৩ জন ও সাঘাটা উপজেলায় ১ জন।

রোববার (৪ জুলাই) রাতে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৩২৯ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন এক হাজার ৮৭১ জন। মৃত্যুবরণ করেছে ২৩ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে ৪৩৫ জন রোগি চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ পর্যন্ত উপজেলা ভিত্তিক পরিস্থিতি-

গাইবান্ধা সদর উপজেলা: আক্রান্ত ৯৬৯ জন, সুস্থ ৭৬৯ জন, মু্ত্যু ৮ জন ও চিকিৎসাধীন ১৯২ জন রোগি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা: আক্রান্ত ২০৮ জন, সুস্থ ১৪২ জন, মু্ত্যু ৩ জন ও চিকিৎসাধীন ৬৩ জন রোগি।

পলাশবাড়ী উপজেলা: আক্রান্ত ২০৭ জন, সুস্থ ১৪৯ জন, মু্ত্যু ৫ জন ও চিকিৎসাধীন ৫৩ জন রোগি।

সাঘাটা উপজেলা: আক্রান্ত ১৪৬ জন, সুস্থ ১৩৪ জন, মু্ত্যু নেই ও চিকিৎসাধীন ১২ জন রোগি।

ফুলছড়ি উপজেলা: আক্রান্ত  ১৩৯ জন, সুস্থ ১২০ জন, মু্ত্যু ১ জন ও চিকিৎসাধীন ১৮ জন রোগি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা: আক্রান্ত  ১৫৬ জন, সুস্থ ১২৪ জন, মু্ত্যু ২ জন ও চিকিৎসাধীন ৩০ জন রোগি।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা: আক্রান্ত ৫০২ জন, সুস্থ ৪৩২ জন, মু্ত্যু ৪ জন ও চিকিৎসাধীন ৬৬ জন রোগি।

এদিকে, গাইবান্ধা জেলায় করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি ২৫ টি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে রোগিদের জন্য বেড রয়েছে ৬৭১ টি। চিকিৎসাসেবায় ১৫৪ জন ডাক্তার ও নার্স রয়েছেন ২০৯ জন। তারা শুধু মাত্র করোনার চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকছেন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত রোগিদের জরুরি চিকিৎসায় স্থানান্তরের নিমিত্তে পৃথকভাবে ২ টি এ্যাম্বুলেন্স ও ২ টি মাইক্রোবাস প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে ১০০ বেডের আইসোলেসনেরও ব্যবস্থা রয়েছে।

গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা. আ ম আখতারুজ্জামান বলেন, করোনা চিকিৎসার জন্য সকল সামগ্রীসহ ডাক্তার-নার্সদের সুরক্ষার সামগ্রীও মজুদ রাখা হয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে কোভিডের বর্জ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। আগের তুলনায় সম্প্রতি সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বলেন, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোথে মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এক সপ্তাহের লকডাউন কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে। এর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী মাঠে কাজ করছেন।

 

জনপ্রিয়

করোনা: গাইবান্ধায় একদিনে শানাক্ত ৩৭, সুস্থ ২০ জন   

প্রকাশের সময়: ১০:১৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জুলাই ২০২১

গাইবান্ধা জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরও ৩৭ জনের করোনা শনাক্ত এবং সুস্থ হয়েছেন ২০ জন রোগি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে গাইবান্ধা সদরে ১২ জন, গোবিন্দগঞ্জে ৬ জন, সাদুল্লাপুরে ৭ জন, ফুলছড়িতে ২ জন, পলাশবাড়ীতে ৬ জন, সুন্দরগঞ্জে ৩ জন ও সাঘাটা উপজেলায় ১ জন।

রোববার (৪ জুলাই) রাতে গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ নিয়ে জেলায় এ পর্যন্ত সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৩২৯ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন এক হাজার ৮৭১ জন। মৃত্যুবরণ করেছে ২৩ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে ৪৩৫ জন রোগি চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ পর্যন্ত উপজেলা ভিত্তিক পরিস্থিতি-

গাইবান্ধা সদর উপজেলা: আক্রান্ত ৯৬৯ জন, সুস্থ ৭৬৯ জন, মু্ত্যু ৮ জন ও চিকিৎসাধীন ১৯২ জন রোগি।

সাদুল্লাপুর উপজেলা: আক্রান্ত ২০৮ জন, সুস্থ ১৪২ জন, মু্ত্যু ৩ জন ও চিকিৎসাধীন ৬৩ জন রোগি।

পলাশবাড়ী উপজেলা: আক্রান্ত ২০৭ জন, সুস্থ ১৪৯ জন, মু্ত্যু ৫ জন ও চিকিৎসাধীন ৫৩ জন রোগি।

সাঘাটা উপজেলা: আক্রান্ত ১৪৬ জন, সুস্থ ১৩৪ জন, মু্ত্যু নেই ও চিকিৎসাধীন ১২ জন রোগি।

ফুলছড়ি উপজেলা: আক্রান্ত  ১৩৯ জন, সুস্থ ১২০ জন, মু্ত্যু ১ জন ও চিকিৎসাধীন ১৮ জন রোগি।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা: আক্রান্ত  ১৫৬ জন, সুস্থ ১২৪ জন, মু্ত্যু ২ জন ও চিকিৎসাধীন ৩০ জন রোগি।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা: আক্রান্ত ৫০২ জন, সুস্থ ৪৩২ জন, মু্ত্যু ৪ জন ও চিকিৎসাধীন ৬৬ জন রোগি।

এদিকে, গাইবান্ধা জেলায় করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি ২৫ টি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে রোগিদের জন্য বেড রয়েছে ৬৭১ টি। চিকিৎসাসেবায় ১৫৪ জন ডাক্তার ও নার্স রয়েছেন ২০৯ জন। তারা শুধু মাত্র করোনার চিকিৎসায় নিয়োজিত থাকছেন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত রোগিদের জরুরি চিকিৎসায় স্থানান্তরের নিমিত্তে পৃথকভাবে ২ টি এ্যাম্বুলেন্স ও ২ টি মাইক্রোবাস প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে ১০০ বেডের আইসোলেসনেরও ব্যবস্থা রয়েছে।

গাইবান্ধা সিভিল সার্জন ডা. আ ম আখতারুজ্জামান বলেন, করোনা চিকিৎসার জন্য সকল সামগ্রীসহ ডাক্তার-নার্সদের সুরক্ষার সামগ্রীও মজুদ রাখা হয়েছে। বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে কোভিডের বর্জ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। আগের তুলনায় সম্প্রতি সংক্রমণ বাড়ছে বলে জানান তিনি।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বলেন, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ প্রতিরোথে মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এক সপ্তাহের লকডাউন কঠোরভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে। এর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে উপজেলা পর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী মাঠে কাজ করছেন।