গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফলগাছা দর্জিপাড়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার অর্ধশত শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষক এই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। এর প্রতিকার চেয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন উপবৃত্তিবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা।
সোমবার (৫ জুলাই) অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফলগাছা দর্জিপাড়া স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থী আছে। তাদের মধ্যে উপবৃত্তিধারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় সকলেই। কিন্তু এ বছর সকল শিক্ষার্থী উপবৃত্তির টাকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তাদের ৯০০ টাকা করে পাওয়ার কথা ছিল। এক পর্যায়ে জানা যায়, মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ছামসুল হক অভিভাবকদের ফোন নম্বরের পরিবর্তে জালিয়াতি করে জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে নতুন সিমকার্ড ক্রয়ের মাধ্যমে নতুন নম্বর ব্যবহার করে উপবৃত্তির টাকা তুলে নিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানির পর প্রধান শিক্ষক গাঁ ঢাকা দেয়ার চেষ্টা করেন।
এবিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অবিভাবকরা অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক শামসুল হক কৌশলে আমাদের সন্তানদের উপবৃত্তির টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া তার স্ত্রী নাজমা বেগম শিক্ষার্থীর অবিভাবকদের ডেকে বিভিন্ন ভয়ভিতী দেখিয়ে বলেন আজ ফিঙ্গার প্রিন্ট না দিলে আর উপবৃত্তির টাকা পাবেন না। তাই আজ করতেই হবে।
ফলগাছা গ্রামের (দর্জিপাড়া) কাশিম মিয়ার স্ত্রী কোহিনূর বেগম বলেন, আমার কোন ছেলে মেয়ে এই মাদরাসায় পড়ে না। আমাকে বাড়িত ডেকে জোর করে হাতের নখের ছাপ নিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়গুলো নিয়ে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তিনি অস্বীকার করে দ্রুত সটকে পড়েন।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) রিপন হাসান জানান, মাদ্রাসাটির ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। লকডাউনের কারনে যেতে পারছি না। তবে সরেজমিনে গিয়ে সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
করেসপন্ডেন্ট জাগো২৪.নেট, সুন্দরগঞ্জ, (গাইবান্ধা) 



















