বগুড়ায় অপরণের পর হত্যার হুমকি দিয়ে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি মিথুন খান (৩২) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাকৃত মিথুন শহরের চকনাটাইপাড়ার মৃত নেহাল খানের ছেলে।
পুলিশের দাবি, মিথুন তাদের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি। বগুড়া সদর থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বদিউজ্জামানের বাড়ি ধুনটের বিলচাপড়ী গ্রামে। তিনি ওই এলাকার আব্দুল হালিমের ছেলে। তবে বদিউজ্জামান শহরের স্টেশন রোড এলাকার করতোয়া কুরিয়ার অফিসে কাজ করেন। মোবাইল ফোনো এক মহিলা তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তিনমাথা রেল ঘুমটি এলাকায় নিয়ে যায়। এরপর ওই মহিলা বদিউজ্জামানকে রিক্সায় করে নিজ বাড়িতে যাবার কথা বলে শহরের জামিলনগর এলাকায় নিজেদের গোপন স্থানে নেয়। সেখানে বদিজ্জামানকে আটক রেখে ওই মহিলা ও গ্রেফতার মিথুন সহ প্রায় ১০ জন অপহরণকারি তার পরিবারের কাছে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেলে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা দ্রুত টাকা দিতে বলে। বদিউজ্জামানের পিতা ও বড় ভাই ঘটনার ভয়াবহতা বুঝতে পেরে সিএনজি নিয়ে দ্রুত শহরে এসে সদর থানায় অবহিত করে। পরে ডিউটি অফিসার দ্রুত ভিকটিমের বাবা ও ভাইকে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদের কাছে নিয়ে আসলে সব ঘটনা শুনে তাৎক্ষনিক বদিউজ্জামানকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল এসআই সোহেল রানা ও শরীফ বাবুকে সাথে নিয়ে সাদা পোষাকে মোবাইল ফোনের লোকেশন ধরে ও তাদের পরিকল্পনা মতো কাজ করে ভিকটিমকে ১ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার করেন। সাথে অপহরণকারী ওই চক্রের মূলহোতা মিথুনকে গ্রেফতার করেন। তবে ওই সময় বাকিরা পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালিয়ে যায়। পুলিশ আরও জানায়, ওই ঘটনায় রাতেই ভিকটিম বদিউজ্জামানের পিতা আব্দুল হালিম মিথুম সহ আরও দুজনের নাম উল্লেখ ও ৪জনকে অজ্ঞাত করে সদর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল ও মিডিয়া মুখপাত্র) ফয়সাল মাহমুদ জানান, আমরা ভিকটিমের বাবার মৌখিক অভিযোগ পেয়ে তৎক্ষনাৎ অভিযানে নামি। মাত্র ১ঘণ্টার মাথায় আমরা ভিকটিমকে উদ্ধার করতে পেরেছি। আসামি একজন গ্রেফতার হয়েছে বাকিদের নামও আমরা পেয়েছে সবাইকে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
মো. মাজেদুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্টক করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, বগুড়া 



















