বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরিরবন্দরে লকডাউনে পশুর হাট পালালো ক্রেতা-বিক্রেতারা

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার কারেন্টহাটে গতকাল ১৪ জুলাই বুধবার সকাল থেকেই চলছিল গরু বেচাকেনা। হাটে এ সময় ছিল না কোন সামাজিক দূরত্ব। ঘড়ির কাঁটায় সময় তখন সকাল ১০টা। সেই মূর্হুতে গরু হাটে উপস্থিত হয় বিজিবি’র একটি টহল দল।

এদের দেখা মাত্রই গরু ক্রেতা-বিক্রেতারা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরণের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলেও এক শ্রেণির মুনাফালোভী ইজারাদার মানছেন না বিধিনিষেধ। শরীরের সাথে শরীর লাগিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন গরু ক্রেতা-বিক্রেতা। সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই এসব পশুর হাটগুলোতে।  বুধবার সকালে কারেন্টহাটে কোরবানির জন্য গরু বিক্রি করতে আসেন রিয়াজুল ইসলাম, আবু সায়েদ, আব্দুস সাত্তার। তারা বলেন-হাটে বিজিবি’র টহল দল দেখেই গরু বিক্রি না করেই বাড়িতে গরু নিয়ে ফিরে আসেন। কোরবানির জন্য গরু কিনতে আসা আমিনুল ইসলাম, মোরশেদ উল আলম, আবুল হোসেন জানান-তারা বিজিবি’র টহল দল দেখেই গরু না কিনেই ফিরে এসেছেন। হাটের মুদি ব্যবসায়ী মো. ময়ছার আলী বলেন, বিজিবি’র টহল দল দেখেই গরু রেখেই ক্রেতা-বিক্রেতারা দিগি¦দিক হয়ে ছুঁটাছুটি শুরু করেন। পন্ড হয়ে যায় কারেন্টহাটের পশু হাটটি। বিজিবি’র বিএডি মো. রফিকুজ্জামান বলেন-প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় হাটটি সরিয়ে দেয়া হলো। ছবি আছে।

জনপ্রিয়

চিরিরবন্দরে লকডাউনে পশুর হাট পালালো ক্রেতা-বিক্রেতারা

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার কারেন্টহাটে গতকাল ১৪ জুলাই বুধবার সকাল থেকেই চলছিল গরু বেচাকেনা। হাটে এ সময় ছিল না কোন সামাজিক দূরত্ব। ঘড়ির কাঁটায় সময় তখন সকাল ১০টা। সেই মূর্হুতে গরু হাটে উপস্থিত হয় বিজিবি’র একটি টহল দল।

এদের দেখা মাত্রই গরু ক্রেতা-বিক্রেতারা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবধরণের জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হলেও এক শ্রেণির মুনাফালোভী ইজারাদার মানছেন না বিধিনিষেধ। শরীরের সাথে শরীর লাগিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন গরু ক্রেতা-বিক্রেতা। সামাজিক দূরত্ব বা স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই এসব পশুর হাটগুলোতে।  বুধবার সকালে কারেন্টহাটে কোরবানির জন্য গরু বিক্রি করতে আসেন রিয়াজুল ইসলাম, আবু সায়েদ, আব্দুস সাত্তার। তারা বলেন-হাটে বিজিবি’র টহল দল দেখেই গরু বিক্রি না করেই বাড়িতে গরু নিয়ে ফিরে আসেন। কোরবানির জন্য গরু কিনতে আসা আমিনুল ইসলাম, মোরশেদ উল আলম, আবুল হোসেন জানান-তারা বিজিবি’র টহল দল দেখেই গরু না কিনেই ফিরে এসেছেন। হাটের মুদি ব্যবসায়ী মো. ময়ছার আলী বলেন, বিজিবি’র টহল দল দেখেই গরু রেখেই ক্রেতা-বিক্রেতারা দিগি¦দিক হয়ে ছুঁটাছুটি শুরু করেন। পন্ড হয়ে যায় কারেন্টহাটের পশু হাটটি। বিজিবি’র বিএডি মো. রফিকুজ্জামান বলেন-প্রশাসনিক অনুমতি না থাকায় হাটটি সরিয়ে দেয়া হলো। ছবি আছে।