বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে জমাজমির বিরোধে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর, আটক ১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরউ পজেলায় জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধে জের দুদু মিয়া (৫২) নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে ছোট ভাই ফজল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) দুপুরে আটককৃত ফজল মিয়াকে আদালতে ও দুদু মিয়ার মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা (লালবাজার) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

দুদু মিয়া জামুডাঙ্গা গ্রামের মৃত্যু জেলাল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় নিয়ামতনগর লালবাজারে পানের দোকানের ব্যবসা করছিলেন তিনি।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ বাড়িতে দুদু মিয়ার সুপারির গাছ জোরপূর্বক কাটছিলেন ছোট ভাই ফজল মিয়া। এ সময় দুদু মিয়া বাঁধা দিলে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। পরে ফজল ঘর থেকে একটি ধারালো কুড়াল নিয়ে দুদুর মেয়ে বিথি খাতুনকে আঘাতের চেষ্টা করেন।

এ সময় দুদু বাধা দিতে গেলে তার উপরেও উত্তেজিত হয়ে উঠেন ফজল ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির এক পর্যায়ে ধাক্কা লেগে মাটিতে পড়ে যান দুদু মিয়া। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুদু মিয়ার সঙ্গে জমাজমিসহ পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার ভাই ফজলের দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এরই এক পর্যায়ে সুপারির গাছ কাটা নিয়ে দুদু মিয়ার সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন ফজল মিয়া। এ সময় ফজল ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের সঙ্গে হাতাহাতির এক পর্যায়ে মৃত্যু হয় দুদু মিয়ার।

নিহত দুদু মিয়ার মেয়ে বিথি খাতুন বলেন, ফজল চাচা তর্কবিতর্ক সময় আব্বাকে মারতে মারতে ধাক্কা দেয়। আমাকেও কুড়াল দিয়ে আঘাত করে। চাচার ধাক্কাতেই আব্বা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে পরে মৃত্যু। আমি এই হত্যার বিচার চাই।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শুক্রবার গাইবান্ধা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে নিহতের ছোট ভাই ফজলকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে জমাজমির বিরোধে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর, আটক ১

প্রকাশের সময়: ০১:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জুলাই ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরউ পজেলায় জমাজমি সংক্রান্ত বিরোধে জের দুদু মিয়া (৫২) নামের এক ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে ছোট ভাই ফজল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৬ জুলাই) দুপুরে আটককৃত ফজল মিয়াকে আদালতে ও দুদু মিয়ার মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা (লালবাজার) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

দুদু মিয়া জামুডাঙ্গা গ্রামের মৃত্যু জেলাল হোসেনের ছেলে। স্থানীয় নিয়ামতনগর লালবাজারে পানের দোকানের ব্যবসা করছিলেন তিনি।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ বাড়িতে দুদু মিয়ার সুপারির গাছ জোরপূর্বক কাটছিলেন ছোট ভাই ফজল মিয়া। এ সময় দুদু মিয়া বাঁধা দিলে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। পরে ফজল ঘর থেকে একটি ধারালো কুড়াল নিয়ে দুদুর মেয়ে বিথি খাতুনকে আঘাতের চেষ্টা করেন।

এ সময় দুদু বাধা দিতে গেলে তার উপরেও উত্তেজিত হয়ে উঠেন ফজল ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির এক পর্যায়ে ধাক্কা লেগে মাটিতে পড়ে যান দুদু মিয়া। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুদু মিয়ার সঙ্গে জমাজমিসহ পারিবারিক বিষয় নিয়ে তার ভাই ফজলের দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এরই এক পর্যায়ে সুপারির গাছ কাটা নিয়ে দুদু মিয়ার সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন ফজল মিয়া। এ সময় ফজল ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের সঙ্গে হাতাহাতির এক পর্যায়ে মৃত্যু হয় দুদু মিয়ার।

নিহত দুদু মিয়ার মেয়ে বিথি খাতুন বলেন, ফজল চাচা তর্কবিতর্ক সময় আব্বাকে মারতে মারতে ধাক্কা দেয়। আমাকেও কুড়াল দিয়ে আঘাত করে। চাচার ধাক্কাতেই আব্বা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে পরে মৃত্যু। আমি এই হত্যার বিচার চাই।

সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শুক্রবার গাইবান্ধা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে নিহতের ছোট ভাই ফজলকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।