হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন তৌফিক মিয়া (২৫) নামের এক বর। একই সঙ্গে ঘোড়ায় চড়ে ছুটছিলেন বরযাত্রীরা। এমনি এক ব্যতিক্রমধর্মীর চিত্রের দেখা মিলেছে গাইবান্ধার ধাপেরহাট মহাসড়কে।
শুক্রবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট নামকস্থানে দেখা যায়, হাতির পিঠে চড়ে বর ও ঘোড়ার পিঠে চড়ে বরযাত্রীদের বিয়ে করতে যাওয়ার চিত্র।
জানা যায়, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার আজমপুর গ্রামের আশরাফুল ইসলামের মেয়ে পিংকি আক্তার (২০)। এই মেয়েটি জন্মলগ্নে তার মা মানত করছিলেন আল্লাহ মেয়েকে বেঁচে রাখলে বর আনবে হাতির পিঠে করে। তাই সেই মানত পালন করতেই আজ কনের মা বর আনতে হাতি পাঠিয়েছেন উপজেলার খেজমতপুর গ্রামে। এই গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে তৌফিক মিয়ার (২৫) সঙ্গে আজ পিংকি আক্তারের বিয়ে অনুষ্ঠান হবে ধুমধামে। তাই এই বিয়ে করতে শ্বশুরবাড়ি থেকে পাঠানো হাতিতে চড়ে বিয়ে করতে গেলেন তৌফিক।যৌতুক বিহীন এ বিয়েতে বরের পক্ষ থেকে যাত্রীদের জন্য নেয়া হয়েছে আরও ২০টি মাইকোবাস। মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরত্বে এই বিয়ে যেন করতে রাজকীয়ভাবে ছুটছিলেন তারা।
আধুনিক যান্ত্রিক যুগে যানবাহন ব্যবহার না করে বিয়েতে এমন ব্যতিক্রমধর্মী হাতি ও ঘোড়া বাহন হিসেবে ব্যবহার করায় এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। হাতির পিঠে বর, ঘোড়া পিঠে বরযাত্রী দেখে উৎসুক মানুষের ভির জমছিল সড়কে।
কনের বাবা আশরাফুল ইসলাম জানান, স্ত্রীর মানত পুরণে বরকে আনতে হাতি ভাড়া করা হয়। আর বরের ভগ্নিপতিতের জন্য ঘোড়া। যৌতুক বিহীন এ বিয়ে আজ রাতেই সম্পন্ন করা হবে।
ধাপেরহাট এলাকার কলিম উদ্দিন (৭৫) নামের এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, আগের দিনে রাজা-বাদশাদের হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে গেছিলেন।এই এলাকায় হাতির পিঠে চড়ে বর যাওয়ার দৃশ্য এই প্রথম চোখে পড়লো।
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট 



















