গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারপিট ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৯) সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, রোববার দুপুরে গাইবান্ধা সদরের বোয়ালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাটিকামারী গ্রামের আলতাফ হোসেনের স্ত্রী জাহেদা বেগম (৫৫) কে মুমুর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বজনরা। সেই সময় হাসপাতালে ল্যাব বন্ধ থাকায় তাদের বাইরে রক্ত পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এরই মধ্যে মারা যায় জাহেদা বেগম।
স্বজনরা বলেন, রক্ত পরীক্ষা ও ক্রসম্যাচিং করে এসে দেখেন রোগী মারা গেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কালক্ষেপনের কারনে রোগীর মৃত্যূ হয়। এমন অভিযোগ করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের লোকজন তাদের ওপর পাল্টা চড়াও হয়।
কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রোগীর রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকায় তার অবস্থা আগে থেকেই সংকটাপন্ন ছিল। তার মৃত্যুর কথা শুনে স্বজনরা বিক্ষুব্ধ হয়ে বহিরাগত লোকজন জরুরী বিভাগে হামলা চালিয়ে কর্তব্যরত নারী চিকিৎসকসহ দুই চিকিৎসক, শিক্ষানবিস নার্স এবং অন্য কর্মীদের বেধড়ক মারপিট করে ও জিনিসপত্রও ভাঙচুর করে।
এদিকে, এই ঘটনার পর জরুরি বিভাগে ৩-৪ ঘন্টা চিকিৎসা বন্ধ রাখা হয়। এরপর রাত ৮ টা থেকে আবার জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেয়া শুরু হয়েছে।
হাসাপাতালে কর্মরতদের মাধরধর ও ভাঙচুরের ঘটনায় গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক তাহেরা আকতার বাদি হয়ে সদর থানা একটি অভিযোগ দায়ের করেছে বলে জানা গেছে।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 


















