গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসারের আবাসিক ভবনটি সংস্কার ও মেরামতের অভাবে প্রায় ম্লান হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়ে পড়ছে। তবুও দেখার দেখার যেন কেউ নেই।
স্থানীয়দের দাবি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আর নেক দৃষ্টি না থাকায় গুরুত্বপূর্ন এ ভবনটি আজ নিশ্চিহ্ন হতে চলছে।
জানা গেছে, নলডাঙ্গা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিয়োজিত মেডিকেল অফিসারের বসবাসের জন্য আবাসিক ভবনটি মান্ধাতা আমলে স্থাপন করা হয়। কিন্তু উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে বছরের পর বছর ধরে কোন মেডিকেল অফিসার না থাকায় অযত্নে অার অবহেলায় ভবনটির ঘর, দরজা ও জানালাগুলো ক্রমান্বয়ে ভেঙ্গে পড়ে নষ্ট হওয়ায় সবকিছু বিলীন হয়ে গেছে ।
এলাকাবাসী জানায়, এক সময় মেডিকেল অফিসারেরা পরিবার পরিজন নিয়ে এই ভবনে বাস করতেন । বর্তমানে ভবনটির কোন অস্তিত্ব না থাকায় ওই এলাকাটি এখন ভূতুরে পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কোন ঘর দরজা না থাকলেও এখন শুধু চারিদিকে রয়েছে ভগ্নদশা পাকা প্রাচীর। প্রাচীরটিও বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরে বালু সিমেন্ট খসে খসে স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ভবনটির ভিতরে ও বাইরে ঝোঁপ জঙ্গল আর গাছপালায় ভরে গেছে। এমতবস্থায় যে কোন মুহুর্তে প্রাচীরটিও ধসে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
নলডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র আহবায়ক শাহরিয়ার ইসলাম রাসেল জাগো২৪.নেট বলেন,অসহায় দরিদ্র জনগোষ্টির স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সরকার আবাসিক এই ভবনটি স্থাপন করে।কিন্তু রক্ষনা বেক্ষনার অভাবে দীর্ঘদিন থেকে জায়গাটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের কোন ভাবনা নেই বললেই চলে। ফলে এ জায়গাটি এখন বেহাত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
নলডাঙ্গা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ছবিনুর বেগম জাগো২৪.নেট বলেন, বিগত ২০০৫ ইং সালে ভয়াবহ টর্ণোডতে ভবনটি বিধ্বস্থ হয়। বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাব উর্দ্ধতন কর্তপক্ষ কে অবগত করা হয়েছিল।
এরপর কোয়ার্টারটি আর মেরামত কিংবা নতুন কোন স্থাপনা করা হয়নি।
এরই মধ্যে আবার ওই জায়গাটি জেলা পরিষদ দাবি করছে। সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা শাহিনুল ইসলাম মন্ডল বলেন, এ ব্যাপারে আমি তেমন কিছু বলতে পারবো না। এটা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রকৌশল বলতে পারবে।
শহিদুল ইসলাম শাহীন, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, নলডাঙ্গা (সাদুল্লাপুর) 


















