তোফায়েল হোসেন জাকির : হামরা বাবা গরীব মানুষ, গোসতো কিনি খাবার পাইনা। এসকেএস হামাক ২ কেজি গরুর গোসতো দিছে। হামি খুব খুশি। ছোল-পোলগুলাক নিয়া মজা করি এই গোসতো আন্দি খামো।
বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) দুপুরে কোরবানির মাংস পেয়ে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া গ্রামের আজিরন বেওয়া। শুধু আজিরন নয়, ভরতখালী গ্রামের জামিলা বেগমসহ আর অনেকেই খুশি।
গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার চরাঞ্চলসহ নদী ভাঙ্গন, দরিদ্র পীড়িত, প্রতিবন্ধী এবং অসহায় ৩ হাজার ৩২৫ পরিবারের সদস্যদের মাঝে ২ কেজি করে গরুর মাংস বিতরণ করলেন স্থানীয় বেসরকারী সংগঠন এসকেএস ফাউণ্ডেশন। ৯৫টি গরু কোরবানীর মাংস বিতরণে সহযোগিতা করেন ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ।
ঈদ-উল-আজহা’র পরের দিন আজ বৃহস্পতিবার হাট ভরতখালী এসকেএস নূতনকুঁড়ি বিদ্যাপীঠ স্কুল মাঠে সকাল থেকে মাংস বিতরণ করা হয়। ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া, ফুলছড়ি, উদাখালী, উড়িয়া এবং সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর, সাঘাটা, ভরতখালী, পদুমশহর, কামালেরপাড়া, জুমারবাড়ী, ঘুরিদহ, হলদিয়া ইউনিয়নের মোট ১২টি ইউনিয়নের ৩ হাজার ৩২৫টি পরিবারের সদস্যদের মাঝে প্রতি পরিবারের জন্য ২ কেজি করে মাংস বিতরণ করা হয়।
মাংস বিতরণ অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এসকেএস ফাউণ্ডেশনের সহকারী পরিচালক ফিল্ড অপারেশন (ডিপি) খন্দকার জাহিদ সরওয়ার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাঘাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ প্রতিনিধি মো. সেলিম রেজা, এসকেএস ফাউÐশনের সোশ্যাল এন্টার প্রাইজ সমন্বয়কারী আবু সাঈদ সুমন, ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল আজাদ শীতল, সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান মোশারফ হোসনে সুইট।
তোফায়েল হোসেন জাকির, জাগো২৪.নেট 



















