করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধে গাইবান্ধায় চলমান রয়েছে লকডাউন। এই লকডাউনের বিধিনিষেধ মানাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
শনিবার (২৪ জুলাই) লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন স্থানে চেক পোষ্ট বসানো হয়েছে। এসব চেকপোষ্টে কাজ করছে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা।
জানা যায়, করোনা পরিস্থিতে মানুষদের নিরাপদে রাখতে চলমান লকডাউনে বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। মানুষদের এসব বিধিনিষেধ মানাতে মাঠে রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা। বিনা কারণে মানুষ যেন ঘরে বাহিরে বের না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে তারা। রাস্তায় কিংবা শহর-হাট-বাজারগুলোতে আসা মানুষদের জেরার মুখে নেয়া হচ্ছে। এসময় বিধিনিষেধ আমান্যকারিদের করা হচ্ছে জরিমানা। সেই সঙ্গে মানুষদের সচেতনতা সৃষ্টিসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণও করা হচ্ছে। প্রশাসন ও সেনাবাহিনীসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্বপালন করায় রাস্তাঘাট প্রায়ই ফাঁকা অবস্থায় রয়েছে। হাট-বাজারগুলোতেও মানুষের উপস্থিতি কম।
এদিকে, শহর-হাট-বাজারগুলোতে মানুষ কিছুটা বিধিনিষেধ মানলেও, ছোট ছোট বাজার ও গ্রামগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি তেমন মানছে না কেউ। এসব স্থানে প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় মানুষদের অবাধে চলাফেরা করতে দেখা গেছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন সাদিক জাগো২৪.নেট-কে বলেন, মানুষদের ঘরে ফেরাতে ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে মাঠে কাজ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মানুষদের জন্য বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করাও হচ্ছে।
গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন জাগো২৪.নেট-কে জানান, লকডাউনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে যৌথবাহিনীর সদস্যরা কাজ করছে। তারা সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছে। এই বিধিনিষেধ যারা অমান্য করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
তোফায়েল হোসেন জাকির, জাগো২৪.নেট 



















