বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে বাড়ছে সংক্রমণ, কমছে সচেতনতা

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় দিনদিনে করোনা পরিস্থিতি অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। সেই ল্েয সংক্রমণ বিস্তার প্রতিরোধে চলমান রয়েছে লকডাউন। তবে এই লকডাউন মানতে মানুষদের উদাসীনতা দেখা দিয়েছে। তারা কিছুতে মানছে না সরকারি বিধিনিষেধ।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সাদুল্লাপুর শহরসহ বিভিন্ন উপজেলা শহর ও হাট-বাজারে দেখা যায়, মানুষদের অবাধ পদচারণ। তারা মাস্কসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি না মেনে জনসমাগম স্থলে নির্বিকারে চলাচল করছে।

জানা যায়, গত জুন মাসে সাদুল্লাপুর উপজেলায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছিল ৫৪ জন। এরপর থেকে ধীরে ধীরে সংক্রমণ বিস্তার হতে থাকে। ছড়িয়ে পড়ে শহর থেকে গ্রামাস্তরে। যার ফলে চলতি মাসের ২৬ দিনে এই জেলা নতুন করে আরও ১১৯ জনের শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মত্যুবরণ করেছে ২ জন জন রোগি। বিদ্যমান

এদিকে, সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশর ন্যায় সাদুল্লাপুরে চলমান রয়েছে কঠোর বিধিনিষেধের লকডাউন। এটি বাস্তবায়নে প্রশাসনসহ আইন শৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর সদস্যরা সর্বাণিক মাঠে রয়েছে। বিনাপ্রয়োজনে মানুষদের ঘরের বাহিরে যাওয়া ঠেকাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে তারা। কিন্ত সেটি মানছে এ অঞ্চলের মানুষেরা। প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে রাস্তাঘাটে বিভিন্ন যানবাহনে মানুষ চলাচল করছে অবাধে। শপিংমল ও হাট-বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও খোলা রাখা হয়েছে কৌশলে। অনেকে বিয়ে অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরণের সভা-সেমিনার অব্যাহত রাখছে। এসব কিছু উন্মুক্ত থাকায় মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি ছাড়াই চলাফেরা করতে দেখা গেছে।

বিশেষ করে গ্রামের মানুষেরা কিছুতে বিধিনিষেধ কিংবা স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। সম্প্রতি ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে জ্বর-সর্দি-কাশির প্রাদুর্ভাব। একই পরিবারের একাধিক মানুষ এমন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এমন কি তাদের করোনা উপসর্গ দেখা গেলেও নমুনা পরীা করতে নারাজ তারা। অনেকে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, এমনটা নিশ্চিত জেনেও আইসোলেশনে না থেকে অনায়াসে পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে মেলামেশা করছে। ওইসব মানুষদের স্বাস্থ্যবিধির অদাসীনতা ও অসচেনতার কারণে গাইবান্ধায় সংক্রমণের হার বেড়েই চলছে বলে ধারণা করছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক সিএনজি চালক বলেন, টানা লকডাউনের কবলে থমকে গেছে জীবনজীবিকা।এভাবে ঘরে বসে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে। তাই বাঁচার তাগিদে লকডাউন ভঙ্গ করে গাড়ি নিয়ে যাত্রী বহন করা হচ্ছে।

 

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে বাড়ছে সংক্রমণ, কমছে সচেতনতা

প্রকাশের সময়: ০৬:৪৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় দিনদিনে করোনা পরিস্থিতি অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। সেই ল্েয সংক্রমণ বিস্তার প্রতিরোধে চলমান রয়েছে লকডাউন। তবে এই লকডাউন মানতে মানুষদের উদাসীনতা দেখা দিয়েছে। তারা কিছুতে মানছে না সরকারি বিধিনিষেধ।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সাদুল্লাপুর শহরসহ বিভিন্ন উপজেলা শহর ও হাট-বাজারে দেখা যায়, মানুষদের অবাধ পদচারণ। তারা মাস্কসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি না মেনে জনসমাগম স্থলে নির্বিকারে চলাচল করছে।

জানা যায়, গত জুন মাসে সাদুল্লাপুর উপজেলায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছিল ৫৪ জন। এরপর থেকে ধীরে ধীরে সংক্রমণ বিস্তার হতে থাকে। ছড়িয়ে পড়ে শহর থেকে গ্রামাস্তরে। যার ফলে চলতি মাসের ২৬ দিনে এই জেলা নতুন করে আরও ১১৯ জনের শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া মত্যুবরণ করেছে ২ জন জন রোগি। বিদ্যমান

এদিকে, সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশর ন্যায় সাদুল্লাপুরে চলমান রয়েছে কঠোর বিধিনিষেধের লকডাউন। এটি বাস্তবায়নে প্রশাসনসহ আইন শৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর সদস্যরা সর্বাণিক মাঠে রয়েছে। বিনাপ্রয়োজনে মানুষদের ঘরের বাহিরে যাওয়া ঠেকাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে তারা। কিন্ত সেটি মানছে এ অঞ্চলের মানুষেরা। প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে রাস্তাঘাটে বিভিন্ন যানবাহনে মানুষ চলাচল করছে অবাধে। শপিংমল ও হাট-বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও খোলা রাখা হয়েছে কৌশলে। অনেকে বিয়ে অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরণের সভা-সেমিনার অব্যাহত রাখছে। এসব কিছু উন্মুক্ত থাকায় মানুষদের স্বাস্থ্যবিধি ছাড়াই চলাফেরা করতে দেখা গেছে।

বিশেষ করে গ্রামের মানুষেরা কিছুতে বিধিনিষেধ কিংবা স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। সম্প্রতি ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে জ্বর-সর্দি-কাশির প্রাদুর্ভাব। একই পরিবারের একাধিক মানুষ এমন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এমন কি তাদের করোনা উপসর্গ দেখা গেলেও নমুনা পরীা করতে নারাজ তারা। অনেকে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, এমনটা নিশ্চিত জেনেও আইসোলেশনে না থেকে অনায়াসে পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে মেলামেশা করছে। ওইসব মানুষদের স্বাস্থ্যবিধির অদাসীনতা ও অসচেনতার কারণে গাইবান্ধায় সংক্রমণের হার বেড়েই চলছে বলে ধারণা করছে স্থানীয় সচেতন নাগরিক।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক সিএনজি চালক বলেন, টানা লকডাউনের কবলে থমকে গেছে জীবনজীবিকা।এভাবে ঘরে বসে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে। তাই বাঁচার তাগিদে লকডাউন ভঙ্গ করে গাড়ি নিয়ে যাত্রী বহন করা হচ্ছে।