বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে সাইমুন নাহার (১৪) নামে এক নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ তার শয়ন কক্ষ থেকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনাটি মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার দিকে উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের শাশারপুর গ্রামে ঘটেছে। নিহত সাইমুন নাহার মো. সফিকুল ইসলামের মেয়ে এবং শাশারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সাইমুন নাহারের পিতামাতা পাশের গ্রামে দাওয়াত খেতে যায় এবং তাকে দেখভালের জন্য তার অসুস্থ দাদীকে বাড়িতে রেখে যান। দুপুরের খাওয়া শেষে সাইমুন নাহার নিজ শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায়। এর মধ্যে আসরের নামাজের সময় হলে তার অসুস্থ পঙ্গু দাদী নামাজের জন্য ওযুর পানি চাইতে থাকে সাইমুনের নিকট। এতে তার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি জোরে চিৎকার শুরু করেন। তার দাদীর চিৎকারে প্রতিবেশিরা তাদের বাড়িতে এসে সাইমুনকে ঘরের মধ্যে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

সাইমুনের ফুফা তৈমুর ইসলাম জানান, তার বড় দু’বোনের মস্তিস্কজনিত সমস্যা থাকার কারণে তাদের শশুর বাড়িতেও অনেক সমস্যা চলছে। সাইমুনেরও মস্তিস্কজনিত সমস্যার কারণে এমনটা হতে পারে।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে  জাগো২৪.নেট-কে জানান, মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্টের আলোকে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে

দিনাজপুরে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময়: ০৬:৫০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে সাইমুন নাহার (১৪) নামে এক নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ তার শয়ন কক্ষ থেকে উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। এ ঘটনাটি মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার দিকে উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের শাশারপুর গ্রামে ঘটেছে। নিহত সাইমুন নাহার মো. সফিকুল ইসলামের মেয়ে এবং শাশারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওইদিন সাইমুন নাহারের পিতামাতা পাশের গ্রামে দাওয়াত খেতে যায় এবং তাকে দেখভালের জন্য তার অসুস্থ দাদীকে বাড়িতে রেখে যান। দুপুরের খাওয়া শেষে সাইমুন নাহার নিজ শয়নকক্ষে ঘুমাতে যায়। এর মধ্যে আসরের নামাজের সময় হলে তার অসুস্থ পঙ্গু দাদী নামাজের জন্য ওযুর পানি চাইতে থাকে সাইমুনের নিকট। এতে তার কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি জোরে চিৎকার শুরু করেন। তার দাদীর চিৎকারে প্রতিবেশিরা তাদের বাড়িতে এসে সাইমুনকে ঘরের মধ্যে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

সাইমুনের ফুফা তৈমুর ইসলাম জানান, তার বড় দু’বোনের মস্তিস্কজনিত সমস্যা থাকার কারণে তাদের শশুর বাড়িতেও অনেক সমস্যা চলছে। সাইমুনেরও মস্তিস্কজনিত সমস্যার কারণে এমনটা হতে পারে।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুব্রত কুমার সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে  জাগো২৪.নেট-কে জানান, মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্টের আলোকে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেয়া হবে