বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার ইতিহাস-ঐতিহ্য গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

জাতীয় ইতিহাসকে পূর্ণতা দিতে আঞ্চলিক ইতিহাসের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। সেই প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে  গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

রোববার (৩১ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা জেলার জেলা প্রশাসক ও গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আবদুল মতিন সম্পাদিত ওই গ্রন্থটি পরিমার্জিত, তথ্যবহুল, এবং আধুনিকরূপে প্রকাশিত মোড়টি উন্মোচন করা হয়।

জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উন্মোচন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ সারোয়ার কবীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাদিকুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামস-উল-আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাফিউল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চন্দ্র মোদক, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি কেএম রেজাউল হক এবং গ্রন্থটির লেখকদের মধ্যে আবু জাফর সাবু, জহুরুল কাইয়ুম, সিদ্দিক আলম দয়াল, অমিতাভ দাশ হিমুন ও দেবাশীষ দাশ দেবু প্রমূখ।

গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য ৫১২ পৃষ্ঠা গ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের লেখক তালিকায় রয়েছেন আবু জাফর সাবু, মো. আবু সালেক বুলবুল, আজিজুল ইসলাম খন্দকার, গোবিন্দলাল দাস, মাজহারউল মান্নান, একেএম শফিকুর রহমান, দেবাশীষ দাশ দেবু, শাহাদত হোসেন লাকু, মজিদ মুকুল, গৌতম চন্দ্র মোদক, জহুরুল কাইয়ুম, শচীন্দ্র কুমার চাকী, সমরেন্দু ভট্টাচার্য, সেকেন্দার আজম আনাম, শাহাবুল শাহীন তোতা, অমিতাভ দাশ হিমুন, খাজা এমএ কাইয়ুম, সুলতান উদ্দিন আহমেদ, সিদ্দিক আলম দয়াল, মো. আলমগীর কবির ও মো. সাদেকুর রহমান।

এই গ্রন্থটির তৃতীয় সংস্করণে সম্পাদনা সহযোগী ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর কবির, মো. সাদিকুর রহমান এবং জহুরুল কাইয়ুম। প্রচ্ছদ এঁকেছেন ড. ময়নুল ইসলাম পল।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে তৎকালিন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুর রাজ্জাকের সম্পাদনায় এবং এর দ্বিতীয় সংস্করটি প্রকাশিত হয় ২০০২ সালে তৎকালিন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর এবং তৃতীয় সংস্করণটি সম্পাদনা করেন বর্তমান জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন।

 

জনপ্রিয়

গাইবান্ধার ইতিহাস-ঐতিহ্য গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

প্রকাশের সময়: ০৪:১০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অগাস্ট ২০২১

জাতীয় ইতিহাসকে পূর্ণতা দিতে আঞ্চলিক ইতিহাসের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। সেই প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে  গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

রোববার (৩১ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা জেলার জেলা প্রশাসক ও গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. আবদুল মতিন সম্পাদিত ওই গ্রন্থটি পরিমার্জিত, তথ্যবহুল, এবং আধুনিকরূপে প্রকাশিত মোড়টি উন্মোচন করা হয়।

জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উন্মোচন করেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহ সারোয়ার কবীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও গাইবান্ধা ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাদিকুর রহমান, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামস-উল-আলম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাফিউল আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চন্দ্র মোদক, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি কেএম রেজাউল হক এবং গ্রন্থটির লেখকদের মধ্যে আবু জাফর সাবু, জহুরুল কাইয়ুম, সিদ্দিক আলম দয়াল, অমিতাভ দাশ হিমুন ও দেবাশীষ দাশ দেবু প্রমূখ।

গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য ৫১২ পৃষ্ঠা গ্রন্থের তৃতীয় সংস্করণের লেখক তালিকায় রয়েছেন আবু জাফর সাবু, মো. আবু সালেক বুলবুল, আজিজুল ইসলাম খন্দকার, গোবিন্দলাল দাস, মাজহারউল মান্নান, একেএম শফিকুর রহমান, দেবাশীষ দাশ দেবু, শাহাদত হোসেন লাকু, মজিদ মুকুল, গৌতম চন্দ্র মোদক, জহুরুল কাইয়ুম, শচীন্দ্র কুমার চাকী, সমরেন্দু ভট্টাচার্য, সেকেন্দার আজম আনাম, শাহাবুল শাহীন তোতা, অমিতাভ দাশ হিমুন, খাজা এমএ কাইয়ুম, সুলতান উদ্দিন আহমেদ, সিদ্দিক আলম দয়াল, মো. আলমগীর কবির ও মো. সাদেকুর রহমান।

এই গ্রন্থটির তৃতীয় সংস্করণে সম্পাদনা সহযোগী ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর কবির, মো. সাদিকুর রহমান এবং জহুরুল কাইয়ুম। প্রচ্ছদ এঁকেছেন ড. ময়নুল ইসলাম পল।

উল্লেখ্য, গাইবান্ধার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গ্রন্থ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে তৎকালিন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুর রাজ্জাকের সম্পাদনায় এবং এর দ্বিতীয় সংস্করটি প্রকাশিত হয় ২০০২ সালে তৎকালিন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর এবং তৃতীয় সংস্করণটি সম্পাদনা করেন বর্তমান জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন।