বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খানসামায় জলাবদ্ধতায় চাষাবাদ ব্যাহত

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জলাবদ্ধতার কারণে ৩ বছর ধরে আমন ধান চাষাবাদ করতে পারছেন না কৃষকরা। ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন কৃষকরা।

সরজমিনে দেখা যায়, ভাবকি ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের রামনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে জলাবদ্ধতার কারণে তিন ফসলি জমি এখন এক ফসলি জমিতে পরিণত হয়েছে। কেবল বোরো মৌসুমে একবার ধান উৎপাদন করতে পারছেন এ এলাকার কৃষকরা। বিশাল এলাকা জুড়ে পানি আর শেওলা। যখন উপজেলা জুড়ে পানির অভাবে সেচ যন্ত্রের সাহায্যে কৃষকরা আমনের চারা রোপন করছেন তখন ওই এলাকায় প্রায় অর্ধ-শতাধিক বিঘা জমি জলাবদ্ধতার কারণে পতিত অবস্থায় রয়েছে। আবার কোথাও কোথাও পাটের জাগ দেয়া হয়েছে।

রামনগর এলাকার মোমিনুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ, নাসিরউদ্দিন, সফিকুল ইসলাম, ছকিমউদ্দিনসহ ভুক্তভোগী কয়েকজন কৃষক বলেন, গত ৩ বছর পূর্বে স্থানীয় সাফিয়ার রহমান পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মিত কালভার্ট বন্ধ করে দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করেন। তখন থেকেই জলাবদ্ধতার কারণে ৩ ফসলি জমিতে বছরে এক বার করে আবাদ করতে হচ্ছে। কালভার্টের মুখ খুলে দিয়ে ৫০/৬০ ফুট দীর্ঘ পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা গেলেই এসব জমিতে বছরে তিনবার ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে। আয়ের প্রধান উৎস ব্যাহত হওয়ায় গত ৩ বছর ধরে তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

ভাবকি ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম বলেন, কালভার্ট বন্ধ করায় এ জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। গত বছর শেষের দিকে পাইপের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন করে আংশিক আমন চাষ করা হয়েছিল। তবে এ জলাবদ্ধতা দূরীকরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ফসলের মাঠ পরিদর্শনের পর সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রæত জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

খানসামায় জলাবদ্ধতায় চাষাবাদ ব্যাহত

প্রকাশের সময়: ০৭:১৮:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অগাস্ট ২০২১

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জলাবদ্ধতার কারণে ৩ বছর ধরে আমন ধান চাষাবাদ করতে পারছেন না কৃষকরা। ফলে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন কৃষকরা।

সরজমিনে দেখা যায়, ভাবকি ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের রামনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে জলাবদ্ধতার কারণে তিন ফসলি জমি এখন এক ফসলি জমিতে পরিণত হয়েছে। কেবল বোরো মৌসুমে একবার ধান উৎপাদন করতে পারছেন এ এলাকার কৃষকরা। বিশাল এলাকা জুড়ে পানি আর শেওলা। যখন উপজেলা জুড়ে পানির অভাবে সেচ যন্ত্রের সাহায্যে কৃষকরা আমনের চারা রোপন করছেন তখন ওই এলাকায় প্রায় অর্ধ-শতাধিক বিঘা জমি জলাবদ্ধতার কারণে পতিত অবস্থায় রয়েছে। আবার কোথাও কোথাও পাটের জাগ দেয়া হয়েছে।

রামনগর এলাকার মোমিনুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ, নাসিরউদ্দিন, সফিকুল ইসলাম, ছকিমউদ্দিনসহ ভুক্তভোগী কয়েকজন কৃষক বলেন, গত ৩ বছর পূর্বে স্থানীয় সাফিয়ার রহমান পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মিত কালভার্ট বন্ধ করে দিয়ে বাড়ি নির্মাণ করেন। তখন থেকেই জলাবদ্ধতার কারণে ৩ ফসলি জমিতে বছরে এক বার করে আবাদ করতে হচ্ছে। কালভার্টের মুখ খুলে দিয়ে ৫০/৬০ ফুট দীর্ঘ পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা গেলেই এসব জমিতে বছরে তিনবার ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে। আয়ের প্রধান উৎস ব্যাহত হওয়ায় গত ৩ বছর ধরে তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

ভাবকি ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম বলেন, কালভার্ট বন্ধ করায় এ জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। গত বছর শেষের দিকে পাইপের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন করে আংশিক আমন চাষ করা হয়েছিল। তবে এ জলাবদ্ধতা দূরীকরণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আহমেদ মাহবুব-উল-ইসলাম জাগো২৪.নেট-কে বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। ফসলের মাঠ পরিদর্শনের পর সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রæত জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।