- করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের দেওয়া বিধি-নিষেধে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ওএমএস’র চাল বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করেছে জেলা খাদ্য অধিদপ্তর।
বাজারে চাল ও আটার দামে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। সে কারণে সাশ্রয়ী দামে পণ্য দুটি কিনতে খাদ্য অধিদফতরের ওএমএসের (ওপেন মার্কেট সেল) দিকে ছুটছেন তারা। এতে করে করোনার সময় বেড়েছে ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি।
কেউ কেউ ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রি শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই নির্ধারিত স্থানে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। দীর্ঘ লাইন দিয়ে বিক্রি হচ্ছে পণ্য।
বুধবার (২৫ আগস্ট) পলাশবাড়ী উপজেলার নুনিয়াগাড়ী মৌজাতে এমন দৃশ্য চোখে পড়েছে।
নুনিয়াগাড়ী এলাকায় ওএমএসের চালের জন্য লাইনে দাঁড়ানো শাহাবুদ্দিন বলেন, চালের জন্য সকাল ৯টায় লাইনে দাঁড়িয়েছি। ১০টার দিকে চাল বিক্রি শুরু হয়। পাঁচ কেজি চালের জন্য এক-দেড় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। এরপরও চাল কিনতে পারলে খুশি।
ওএমএস এর আওতায় প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং প্রতি কেজি খোলা আটা ১৮ টাকা বিক্রি হচ্ছে। একজন ক্রেতা দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি চাল ও পাঁচ কেজি আটা ক্রয় করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় গত ২৪ জুলাই থেকে দেশের সব সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় একইভাবে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে।
শাকিল তালুকদার, করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, পলাশবাড়ী 



















