শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর অমৃত্যু কারাদণ্ড, ৩ জনের খালাস

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে গাইবান্ধায় আলমগীর মন্ডল (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। সম্পৃক্ততা না থাকায় এ মামলার অপর তিন আসামীকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১২) এপ্রিল দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এই রায় ঘোষণা করেন। আমৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আলমগীর গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দক্ষিণ দিঘলকান্দি গ্রামের জোব্বার মন্ডলের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রামের সুমি আক্তারের সাথে বিবাহ হয় একই গ্রামের আলমীর মন্ডলের। পরের বছর ২০১৬ সালের ২১ জুন তিনমাসের অন্তঃসত্ত্বা সুমিকে নিজ বাড়িতে পিটিয়ে হত্যা করে বিছানায় শুইয়ে রাখে আলমগীর। জানাজানি হলে স্থানীয়রা আলমগীরকে আটকে রাখে। ২২ জুন এঘটনার আলমগীর ও তার পিতা-মাতা ছোট ভাইসহ চারজনকে আসামী করে সাঘাটা থানায় মামলা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সুমির পিতা শুকুর আলী মোল্যা। পরে ২০১৭ সালের ৪ মে এমামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে, পাবলিক প্রসিউকিটর (পিপি) ফারুক আহম্মেদ প্রিন্স জানান, স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় অপরাধীদেরকে আটক করে রাখে এলাকাবাসী। এরপর অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক আলমগীরকে আমৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

 

জনপ্রিয়

গাইবান্ধায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর অমৃত্যু কারাদণ্ড, ৩ জনের খালাস

প্রকাশের সময়: ০৫:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল ২০২২

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে গাইবান্ধায় আলমগীর মন্ডল (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। সম্পৃক্ততা না থাকায় এ মামলার অপর তিন আসামীকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১২) এপ্রিল দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক দিলীপ কুমার ভৌমিক এই রায় ঘোষণা করেন। আমৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আলমগীর গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দক্ষিণ দিঘলকান্দি গ্রামের জোব্বার মন্ডলের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রামের সুমি আক্তারের সাথে বিবাহ হয় একই গ্রামের আলমীর মন্ডলের। পরের বছর ২০১৬ সালের ২১ জুন তিনমাসের অন্তঃসত্ত্বা সুমিকে নিজ বাড়িতে পিটিয়ে হত্যা করে বিছানায় শুইয়ে রাখে আলমগীর। জানাজানি হলে স্থানীয়রা আলমগীরকে আটকে রাখে। ২২ জুন এঘটনার আলমগীর ও তার পিতা-মাতা ছোট ভাইসহ চারজনকে আসামী করে সাঘাটা থানায় মামলা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সুমির পিতা শুকুর আলী মোল্যা। পরে ২০১৭ সালের ৪ মে এমামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে, পাবলিক প্রসিউকিটর (পিপি) ফারুক আহম্মেদ প্রিন্স জানান, স্ত্রীকে হত্যার ঘটনায় অপরাধীদেরকে আটক করে রাখে এলাকাবাসী। এরপর অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক আলমগীরকে আমৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।