শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিরামপুরে ১১ জুয়াড়ু আটক

বিরামপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১১ জুয়াড়ীকে গ্রেপ্তারপূর্বক প্রত্যেককে জুয়াড়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিরামপুর থানার এসআই শাহিন শেখ জানান, বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত  রাত সাড়ে ১১টায় বিরামপুর উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের কোচগ্রামের পশ্চিম পার্শ্বে ডিপের ঘরে জুয়া চলছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) নওয়াবুর রহমানের নির্দেশে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ উপজেলার ৪নং দিওড় ইউনিয়নের কোচগ্রামের পশ্চিম পাশের ডিপের ঘরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসময় ঘটনাস্থল থেকে জুয়া খেলার ২ বান্ডিল তাস, নগদ ১ হাজার ৮’শত ৮৫ টাকাসহ ১১ জন জুয়াড়ীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে পুলিশ আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ্দ করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার প্রত্যেক জুয়াড়ীকে এক মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।

কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, বিরামপুর উপজেলা হাবিবপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে সিহাব (১৮), ৪নং দিওড় ইউনিয়নের কোচ গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে সেলিম, একই গ্রামের মৃত হাকিমের ছেলে মসফিকুর, আনিছুর রহমানের ছেলে মোরর্শেদুল, আঃ রবের ছেলে সাহেব বুধা, আকবরের ছেলে মামুনুর রশিদ, মজিবরের ছেলে রাশেদুল, মোকলেছুরের ছেলে মশারব, সামছুলের ছেলে মাসুদ রানা, আবুল কালামের ছেলে মামুন,ওবাইদুরের ছেলে এম এ মাহমুদ।

বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) নওয়াবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়াড়ীদের গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ্দ করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার স্যার প্রত্যেক জুয়াড়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

তিনি আরো জানান, শুক্রবার (৭ অক্টোবর)  সকালে কারাদণ্ড প্রাপ্ত ১১ জুয়াড়ীকে পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে দিনাজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার জানান, বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) রাতে পুলিশ ও এলাকাবাসীর অভিযোগ পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা খুঁজে পাওয়ায়  ভ্রাম্যমাণ আদাল পরিচালনা করে জুয়া খেলার অপরাধে প্রত্যেক জুয়াড়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

জনপ্রিয়

সাদুল্লাপুরে এনসিপির সমাবেশে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, ভিডিও ভাইরাল

বিরামপুরে ১১ জুয়াড়ু আটক

প্রকাশের সময়: ০৮:২২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অক্টোবর ২০২২

বিরামপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১১ জুয়াড়ীকে গ্রেপ্তারপূর্বক প্রত্যেককে জুয়াড়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বিরামপুর থানার এসআই শাহিন শেখ জানান, বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দিবাগত  রাত সাড়ে ১১টায় বিরামপুর উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের কোচগ্রামের পশ্চিম পার্শ্বে ডিপের ঘরে জুয়া চলছে। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) নওয়াবুর রহমানের নির্দেশে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ উপজেলার ৪নং দিওড় ইউনিয়নের কোচগ্রামের পশ্চিম পাশের ডিপের ঘরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।এসময় ঘটনাস্থল থেকে জুয়া খেলার ২ বান্ডিল তাস, নগদ ১ হাজার ৮’শত ৮৫ টাকাসহ ১১ জন জুয়াড়ীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে পুলিশ আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ্দ করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার প্রত্যেক জুয়াড়ীকে এক মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন।

কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, বিরামপুর উপজেলা হাবিবপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে সিহাব (১৮), ৪নং দিওড় ইউনিয়নের কোচ গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে সেলিম, একই গ্রামের মৃত হাকিমের ছেলে মসফিকুর, আনিছুর রহমানের ছেলে মোরর্শেদুল, আঃ রবের ছেলে সাহেব বুধা, আকবরের ছেলে মামুনুর রশিদ, মজিবরের ছেলে রাশেদুল, মোকলেছুরের ছেলে মশারব, সামছুলের ছেলে মাসুদ রানা, আবুল কালামের ছেলে মামুন,ওবাইদুরের ছেলে এম এ মাহমুদ।

বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) নওয়াবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়াড়ীদের গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ্দ করলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার স্যার প্রত্যেক জুয়াড়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

তিনি আরো জানান, শুক্রবার (৭ অক্টোবর)  সকালে কারাদণ্ড প্রাপ্ত ১১ জুয়াড়ীকে পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে দিনাজপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিমল কুমার সরকার জানান, বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) রাতে পুলিশ ও এলাকাবাসীর অভিযোগ পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা খুঁজে পাওয়ায়  ভ্রাম্যমাণ আদাল পরিচালনা করে জুয়া খেলার অপরাধে প্রত্যেক জুয়াড়ীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।