শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রঙিন ফুলে উঁকি দিচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন

নিভৃত গ্রামাঞ্চলের কৃষক আনছার আলী। শীতের সবজি হিসাবে চাষ করেছেন শিম। চ্যাপ্টা জাতের এই শিম ক্ষেতে দেখা দিয়েছে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। অধিক ফলন ও দামের আশায় হাসি ফুটেছে এই কৃষকের মুখে।

বুধবার সরেজমিনে সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বোয়ালীদহ গ্রামের আহম্মেদ আলীর ছেলে আনছার আলীর জমিতে দেখা গেছে শিম ও ফুলের সমাহার। ইতোমধ্যে শিম তুলতে শুরু করছেন। এ বছর ফলন এবং দাম ভালো পাওয়ার সম্ভাবনায় আগামীতেও রবি শস্য ও সবজি চাষের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন তিনি। আনছার আলী জানান, এ বছর প্রায় ৩০ শতক জমিতে শিমের আবাদ করেছেন। ধানের চেয়ে সবজি চাষে বেশি লাভ হবে তার। আগাম জাতের শিম আবাদে লাভের স্বপ্ন দেখছেন। খরচ বাদে প্রায় ২৫ হাজার টাকা লাভ থাকবে। এদিকে, ভালো ফলনে খুশি হলেও সরকারি ভাবে সার বা বীজ কিছুই পাচ্ছেন না। এরই মধ্যে বিভিন্ন ধরণের রোগ দেখা দিয়েছে। শিমের ফুল ঝরে যাচ্ছে কিন্তু কৃষি অফিস থেকে কোনো লোক এসে পরামর্শ দিচ্ছে না। নিজেই ফসলের সমস্যার কথা বলে দোকান থেকে ওষদ এনে ফসলি গাছে ছিটাচ্ছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ পেলে আরও লাভবান হওয়া সম্ভব।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতিউল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

ভুলে জয়বাংলা বলায় সংবাদ সম্মেলনে দুঃখপ্রকাশ এনসিপি নেতার

রঙিন ফুলে উঁকি দিচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন

প্রকাশের সময়: ০৯:২৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অক্টোবর ২০২২

নিভৃত গ্রামাঞ্চলের কৃষক আনছার আলী। শীতের সবজি হিসাবে চাষ করেছেন শিম। চ্যাপ্টা জাতের এই শিম ক্ষেতে দেখা দিয়েছে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা। অধিক ফলন ও দামের আশায় হাসি ফুটেছে এই কৃষকের মুখে।

বুধবার সরেজমিনে সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের বোয়ালীদহ গ্রামের আহম্মেদ আলীর ছেলে আনছার আলীর জমিতে দেখা গেছে শিম ও ফুলের সমাহার। ইতোমধ্যে শিম তুলতে শুরু করছেন। এ বছর ফলন এবং দাম ভালো পাওয়ার সম্ভাবনায় আগামীতেও রবি শস্য ও সবজি চাষের প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন তিনি। আনছার আলী জানান, এ বছর প্রায় ৩০ শতক জমিতে শিমের আবাদ করেছেন। ধানের চেয়ে সবজি চাষে বেশি লাভ হবে তার। আগাম জাতের শিম আবাদে লাভের স্বপ্ন দেখছেন। খরচ বাদে প্রায় ২৫ হাজার টাকা লাভ থাকবে। এদিকে, ভালো ফলনে খুশি হলেও সরকারি ভাবে সার বা বীজ কিছুই পাচ্ছেন না। এরই মধ্যে বিভিন্ন ধরণের রোগ দেখা দিয়েছে। শিমের ফুল ঝরে যাচ্ছে কিন্তু কৃষি অফিস থেকে কোনো লোক এসে পরামর্শ দিচ্ছে না। নিজেই ফসলের সমস্যার কথা বলে দোকান থেকে ওষদ এনে ফসলি গাছে ছিটাচ্ছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ পেলে আরও লাভবান হওয়া সম্ভব।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মতিউল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।