শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা থেকে ট্রেনসহ বিকল্প পথে নেতাকর্মীরা গেছেন রংপুরের গণসমাবেশে

পরিবহন ধর্মঘট আটকাতে পারিনি গাইবান্ধার বিএনপি নেতাকর্মীদের। তারা ট্রেন-মোটরসাইকেল ও অন্যান্য ছোটখাটো যানবাহনসহ বিকল্প পথে যোগ দিয়েছেন রংপুরের গণসমাবেশে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ শনিবার (২৯ অক্টোবর) রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সমাবেশটি সফল করতে গাইবান্ধা জেলা থেকে প্রায় ২৫ হাজার নেতাকর্মী বিকল্প পথে যোগ দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু করে আজ শনিবার সকাল ১০ টার মধ্যে রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে যোগ দেন তারা।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক।

দলীয় সুত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জ্বালানি তেল, চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের গুলিতে হত্যা, হামলা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গণসমাবেশের আয়োজন করেছে বিএনপি।

এদিকে, দলটি দাবি করছে, ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে  রংপুরে  পরিবহন  ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। যার কারণে গাইবান্ধা জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বিকল্প পথে সমাবেশে উপস্থিত আছেন।

রংপুরের এই গণসমাবেশে সফল করার লক্ষ্যে গাইবান্ধা জেলা-উপজেলা বিএনপির নেতারা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সমাবেশে যোগদানের জন্য বেশ কিছুদিন ধরে প্রচার-প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছিল। এর ফলে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের তৃর্ণমূল নেতাকর্মীরা পথে পথে নানা দুর্ভোগের মধ্যেও গণসমাবেশে অংশগ্রহণ করেছেন।

এদিকে গাইবান্ধা-রংপুর ট্রেন রুটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও স্টেশনে মোতায়েন ছিল। কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি যেন না হয় সজাগ ছিল পুলিশ বাহিনী।

সাঘাটা উপজেলার বিএনপির সদস্য সচিব সেলিম আহম্মেদ তুলিপ বলেন, সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে শতশত নেতাকর্মী রংপুরের গেছেন। বিশেষ করে সাঘাটা-ফুলছড়ি বিএনপির সমন্বয়কারী ফারুক আলম সরকার নেতাকর্মীদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন।

গাইবান্ধা বোনারপাড়া রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার খলিলুর রহমান বলেন, ঢাকা থেকে রংপুর গামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন একটু বিলম্বে এসেছে। তবে এখান যথাসময়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

বোনারপাড়া জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম জানান ,আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনী সবসময় সজাগ রয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মকবুল হোসেন বলেন, মহাসড়ক থেকে তিন চাকার যানবাহন বন্ধসহ অন্যান্য দাবিতে ৩৬ ঘন্টার জন্য এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক বলেন,    সাধারণ মানুষ বিএনপির পক্ষে রয়েছে। কোন ধরণের ধর্মঘট সমাবেশ ঠেকাতে পারবে না। রংপুরে জনস্রোত শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে দলীয় নেতাকর্মীরা সমাবেশে অংশগ্রণ করেছে।

জনপ্রিয়

ভুলে জয়বাংলা বলায় সংবাদ সম্মেলনে দুঃখপ্রকাশ এনসিপি নেতার

গাইবান্ধা থেকে ট্রেনসহ বিকল্প পথে নেতাকর্মীরা গেছেন রংপুরের গণসমাবেশে

প্রকাশের সময়: ১২:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২

পরিবহন ধর্মঘট আটকাতে পারিনি গাইবান্ধার বিএনপি নেতাকর্মীদের। তারা ট্রেন-মোটরসাইকেল ও অন্যান্য ছোটখাটো যানবাহনসহ বিকল্প পথে যোগ দিয়েছেন রংপুরের গণসমাবেশে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ শনিবার (২৯ অক্টোবর) রংপুরে বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সমাবেশটি সফল করতে গাইবান্ধা জেলা থেকে প্রায় ২৫ হাজার নেতাকর্মী বিকল্প পথে যোগ দিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু করে আজ শনিবার সকাল ১০ টার মধ্যে রংপুরের কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে যোগ দেন তারা।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক।

দলীয় সুত্রে জানা যায়, খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি, নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, জ্বালানি তেল, চাল-ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের গুলিতে হত্যা, হামলা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গণসমাবেশের আয়োজন করেছে বিএনপি।

এদিকে, দলটি দাবি করছে, ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে  রংপুরে  পরিবহন  ধর্মঘট ডাকা হয়েছে। যার কারণে গাইবান্ধা জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বিকল্প পথে সমাবেশে উপস্থিত আছেন।

রংপুরের এই গণসমাবেশে সফল করার লক্ষ্যে গাইবান্ধা জেলা-উপজেলা বিএনপির নেতারা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সমাবেশে যোগদানের জন্য বেশ কিছুদিন ধরে প্রচার-প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছিল। এর ফলে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের তৃর্ণমূল নেতাকর্মীরা পথে পথে নানা দুর্ভোগের মধ্যেও গণসমাবেশে অংশগ্রহণ করেছেন।

এদিকে গাইবান্ধা-রংপুর ট্রেন রুটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও স্টেশনে মোতায়েন ছিল। কোন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি যেন না হয় সজাগ ছিল পুলিশ বাহিনী।

সাঘাটা উপজেলার বিএনপির সদস্য সচিব সেলিম আহম্মেদ তুলিপ বলেন, সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে শতশত নেতাকর্মী রংপুরের গেছেন। বিশেষ করে সাঘাটা-ফুলছড়ি বিএনপির সমন্বয়কারী ফারুক আলম সরকার নেতাকর্মীদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন।

গাইবান্ধা বোনারপাড়া রেলওয়ের স্টেশন মাস্টার খলিলুর রহমান বলেন, ঢাকা থেকে রংপুর গামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেন একটু বিলম্বে এসেছে। তবে এখান যথাসময়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

বোনারপাড়া জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম জানান ,আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনী সবসময় সজাগ রয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি মকবুল হোসেন বলেন, মহাসড়ক থেকে তিন চাকার যানবাহন বন্ধসহ অন্যান্য দাবিতে ৩৬ ঘন্টার জন্য এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক বলেন,    সাধারণ মানুষ বিএনপির পক্ষে রয়েছে। কোন ধরণের ধর্মঘট সমাবেশ ঠেকাতে পারবে না। রংপুরে জনস্রোত শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে দলীয় নেতাকর্মীরা সমাবেশে অংশগ্রণ করেছে।