সরকারি পাইলট প্রকল্পের আওতায় রোগিদের মানসম্পন্ন ওষুধ প্রাপ্তী নিশ্চিত করতে গাইবান্ধা শহরে চালু করা হলো ‘মডেল মেডিসিন শপ’। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন ওষুধ বিক্রি হবে না এই ফার্মেসীতে। এমনটা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে গাইবান্ধা শহরের কাচারী বাজারে আলম মেডিকেল এণ্ড সার্জিক্যালের তত্ত্বাবধায়নে ‘মডেল মেডিসন শপ’র উদ্বোধন করা হয়।
এটি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওষুধ প্রশাসন বিভাগের গাইবান্ধার সহকারি পরিচালক শিকদার কামরুল ইসলাম।
এসময় আলম মেডিকেল এন্ড সার্জিক্যালের স্বত্ত্বাধিকারী রেজাউল হক খান তাজু, পরিচালক তানিন খান, ফার্মাসিস্ট মাহমুদ খন্দকার, ব্যবসায়ী বাবলু মিয়া, আজিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এব্যাপারে রেজাউল হক খান তাজু জানান, এখানে রেজিস্টার চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কোন ওষুধ বিক্রি করা হবে না। রোগিরা প্রেসক্রিপশন নিয়ে আসলে সে মোতাবেক তাদের কাছে ওষুধ বিক্রি করা হবে। তাদের কাছে বিক্রির সময় ফার্মাসিস্ট দ্বারা ওষুধ খাওয়ার নিয়ম-কানুন ঠিকভাবে বুঝে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, মডেল মেডিসিন শপ থেকে সকল ফার্মেসীতে রোগিদের প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহ করা, কোয়ালিফাইড ও অভিজ্ঞ ফার্মাসিস্ট কর্তৃক ওষুধের সেবনবিধি বুঝে দেওয়া, নকল-ভেজাল আনরেজিস্ট্রার্ড মিসব্রান্ডেড মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ মজুদ ও বিক্রি না করা, তাপ সংবেদনশীল ওষুধ যথাযথ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করায় এই শপে লক্ষ্য-উদ্দেশ্য।
করেসপন্ডেন্ট, জাগো২৪.নেট, গাইবান্ধা 



















