শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদুল্লাপুরে সিলিং ফ্যানে ঝুলছিলো কলেজছাত্রী, অতঃপর লাশ  

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মুনমুন আক্তার মিম (১৮) নামের এক কলেজছাত্রী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছিলো। এরপর তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।

সোমবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুনমুনকে মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। সে কামারপাড়া ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের ময়নুল হকের মেয়ে ও সাদুল্লাপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, ওইদিন ময়নুল হকের বাড়িতে মুনমুন ছাড়া আর কেউ ছিলো না। এরই মধ্যে তার মা শিউলী আকতার বিকেলের দিকে সাদুল্লাপুর থেকে কাজ শেষে  বাড়িতে ফিরেন এবং ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মুনমুনকে ঝুলতে দেখেন। এরপর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

 

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

সাদুল্লাপুরে সিলিং ফ্যানে ঝুলছিলো কলেজছাত্রী, অতঃপর লাশ  

প্রকাশের সময়: ০৮:২২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ নভেম্বর ২০২২

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় মুনমুন আক্তার মিম (১৮) নামের এক কলেজছাত্রী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলছিলো। এরপর তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।

সোমবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার দিকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মুনমুনকে মৃত্যু ঘোষণা করা হয়। সে কামারপাড়া ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের ময়নুল হকের মেয়ে ও সাদুল্লাপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, ওইদিন ময়নুল হকের বাড়িতে মুনমুন ছাড়া আর কেউ ছিলো না। এরই মধ্যে তার মা শিউলী আকতার বিকেলের দিকে সাদুল্লাপুর থেকে কাজ শেষে  বাড়িতে ফিরেন এবং ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মুনমুনকে ঝুলতে দেখেন। এরপর স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার রায় বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।