শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধা আদালতে ৩০ হাজার ৩৯৩ মামলা বিচারধীণ

গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দিনদিনে মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানের এ আদালতে বিচারধীণ মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৩৯৩। এর মধ্যে বিভিন্ন ও ট্রাইবুনালে দেওয়ানী মামলা ২২ হাজার ৫৩২ এবং ফৌজদারি মামলা বিচারাধীণ ৭ হাজার ৮৬১ রয়েছে।

শনিবার (১২ নভেম্বর) গাইবান্ধা জেলা জজ কোর্ট ভবন মিলনায়তনে জেলা ও দায়রা জজ মো. আবুল মনসুর মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান সিদ্দীকী, জেলা নারী ও শিশু  বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমান, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মুনতাছির আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু লাইস মো. ইলিয়াস জিকু, অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, যুগ্ম জজ মো. বাছেদ, পৌর মেয়র মো. মতলুবর রহমান, পিপি ফারুখ আহমেদ প্রিন্স, জিপি সুশিল কুমার ঘোষ, গাইবন্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি কে.এম রেজাউল হক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রহমান স্বপন প্রমুখ।

সহকারী জজ মো. দেলওয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, দিনদিন মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব মামলা যত দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য সমন্বিত উদ্যাগের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের স্বার্থে সকল পক্ষকে এগিযে আসতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, পারস্পরিকভাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে বিচার কার্য পরিচালনা করতে হবে। যে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে বিজ্ঞ আদালতে ন্যায় বিচারের জন্য দাখিল করেন এবং বিজ্ঞ আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বিচার প্রার্থী ও স্বাক্ষী গ্রহণের মাধ্যমে  মামলা নিষ্পওি করে থাকেন। কিন্তু আদালতে বিচারকার্য তরান্বিত করতে আইনজীবিদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ সম্মেলনে বিচার বিভাগের বিজ্ঞ বিচারকরা, জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ বিভাগের উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা, র‌্যাব, জেল সুপার, সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তা, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারী আইন কর্মকর্তা, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং জেলা বারের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

গাইবান্ধা আদালতে ৩০ হাজার ৩৯৩ মামলা বিচারধীণ

প্রকাশের সময়: ০৮:১২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ নভেম্বর ২০২২

গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দিনদিনে মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানের এ আদালতে বিচারধীণ মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৩৯৩। এর মধ্যে বিভিন্ন ও ট্রাইবুনালে দেওয়ানী মামলা ২২ হাজার ৫৩২ এবং ফৌজদারি মামলা বিচারাধীণ ৭ হাজার ৮৬১ রয়েছে।

শনিবার (১২ নভেম্বর) গাইবান্ধা জেলা জজ কোর্ট ভবন মিলনায়তনে জেলা ও দায়রা জজ মো. আবুল মনসুর মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাহিদ হাসান সিদ্দীকী, জেলা নারী ও শিশু  বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমান, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মুনতাছির আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু লাইস মো. ইলিয়াস জিকু, অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, যুগ্ম জজ মো. বাছেদ, পৌর মেয়র মো. মতলুবর রহমান, পিপি ফারুখ আহমেদ প্রিন্স, জিপি সুশিল কুমার ঘোষ, গাইবন্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি কে.এম রেজাউল হক, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবেদুর রহমান স্বপন প্রমুখ।

সহকারী জজ মো. দেলওয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তারা বলেন, দিনদিন মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব মামলা যত দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য সমন্বিত উদ্যাগের মাধ্যমে ন্যায় বিচারের স্বার্থে সকল পক্ষকে এগিযে আসতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, পারস্পরিকভাবে সমন্বয়ের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে বিচার কার্য পরিচালনা করতে হবে। যে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শেষ করে বিজ্ঞ আদালতে ন্যায় বিচারের জন্য দাখিল করেন এবং বিজ্ঞ আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তার তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বিচার প্রার্থী ও স্বাক্ষী গ্রহণের মাধ্যমে  মামলা নিষ্পওি করে থাকেন। কিন্তু আদালতে বিচারকার্য তরান্বিত করতে আইনজীবিদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ সম্মেলনে বিচার বিভাগের বিজ্ঞ বিচারকরা, জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ বিভাগের উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা, র‌্যাব, জেল সুপার, সমাজসেবা বিভাগের কর্মকর্তা, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারী আইন কর্মকর্তা, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং জেলা বারের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।