শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাঁথিয়ায় মাদকের দায়ে আ.লীগ নেতাসহ আটক ৩ 

পাবনার সাঁথিয়ায় আ’লীগের নেতাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পাবনা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার দুপুরে পৌরসভাধীন দৌলতপুর গ্রাম থেকে ১০ পিস ইয়াবাসহ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলো, মোসলেমের ছেলে বাসার (২৩) ও পূর্ব ভবানীপুর গ্রামের ওয়াজেদের ছেলে শাকিল আহম্মেদ (২৪), দৌলতপুর গ্রামের ওহাব মোল্লার ছেলে ও পৌর আ’লীগের ৫ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মাসুম মোল্লা । এদের মধ্যে দৌলতপুর গ্রামের আহসানের ছেলে কামরুল নামে একজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় একজনকে পলাতক দেখিয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পাবনা জেলা ইনস্পেক্টর শাহজালাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঁথিয়া পৌরসভার দৌলতপুর অভিযানে গেলে মাদকব্যবসায়ী বাসারকে হাতে নাতে ১০পিস ইয়াবাসহ ধরে ফেলি। এ সময় অন্যন্য মাদক ব্যবসায়ীরা আমাদের লোকজনকে মারপিট করে। এ সময় আমার দুইজন কনস্টেবল মেহেদি হাসান ও বরাত গুরুতর আহত হয়। আহতদেরকে সাঁথিয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে আসামীদের মধ্যে একজন হাতে কামড় দিয়ে আহত করে পালিয়ে গেলেও ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হই। পরে নিজেই বাদী হয়ে এদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে সাঁথিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়।

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

সাঁথিয়ায় মাদকের দায়ে আ.লীগ নেতাসহ আটক ৩ 

প্রকাশের সময়: ০৬:৪১:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২

পাবনার সাঁথিয়ায় আ’লীগের নেতাসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পাবনা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার দুপুরে পৌরসভাধীন দৌলতপুর গ্রাম থেকে ১০ পিস ইয়াবাসহ তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলো, মোসলেমের ছেলে বাসার (২৩) ও পূর্ব ভবানীপুর গ্রামের ওয়াজেদের ছেলে শাকিল আহম্মেদ (২৪), দৌলতপুর গ্রামের ওহাব মোল্লার ছেলে ও পৌর আ’লীগের ৫ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মাসুম মোল্লা । এদের মধ্যে দৌলতপুর গ্রামের আহসানের ছেলে কামরুল নামে একজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় একজনকে পলাতক দেখিয়ে ৪ জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পাবনা জেলা ইনস্পেক্টর শাহজালাল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঁথিয়া পৌরসভার দৌলতপুর অভিযানে গেলে মাদকব্যবসায়ী বাসারকে হাতে নাতে ১০পিস ইয়াবাসহ ধরে ফেলি। এ সময় অন্যন্য মাদক ব্যবসায়ীরা আমাদের লোকজনকে মারপিট করে। এ সময় আমার দুইজন কনস্টেবল মেহেদি হাসান ও বরাত গুরুতর আহত হয়। আহতদেরকে সাঁথিয়া হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে আসামীদের মধ্যে একজন হাতে কামড় দিয়ে আহত করে পালিয়ে গেলেও ৩ জনকে আটক করতে সক্ষম হই। পরে নিজেই বাদী হয়ে এদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে সাঁথিয়া থানায় সোপর্দ করা হয়।