শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সব সম্বল শেষ, মাথা গোজার ঠাঁইও রইলো না

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের দিনমজুর ফারুক হোসেনের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে তার দুইটি ঘরসহ বিভিন্ন আসবাপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নিমিষে সব কিছু হারিয়ে তিনি মাঝে মাঝে কান্নায় ভেঙে  জ্ঞান হারিয়ে পড়ছেন। বার বার বলছেন- আমার সব সহায় সম্বল শেষ। এখন আর মাথা গোজার ঠাঁইও রইলো না। এখন খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তালুক বেলকা গ্রামে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ওই গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে ফারুক হোসেনের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মিভূত হয়।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে হঠাৎ করে ফারুক মিয়ার বাড়িতে রান্নার চুলা থেকে অগুনের সুত্রপাত ঘটে। নিমিষেই তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। এসময় দুটি ঘর, ঘরে থাকা আসবাবপত্র, চাল, ধানসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ফারুক হোসেন বলেন, ‘হঠাৎ করে চুলার আগুনে আমার সব পুড়ে ছাই হয়ে গেল। এতে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। এখন খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই।

সুন্দরগঞ্জের বেলকা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্যাহ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রান্নার চুলার আগুনে ফারুক হোসেনের দুইটি ঘরসহ সব মালামাল পুড়ে গেছে। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।

 

জনপ্রিয়

অর্থসংকটে থেমে থাকা শ্মশান চুল্লির কাজ, নকশা বদলে শুরু স্থানীয়দের

সব সম্বল শেষ, মাথা গোজার ঠাঁইও রইলো না

প্রকাশের সময়: ০৭:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের দিনমজুর ফারুক হোসেনের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে তার দুইটি ঘরসহ বিভিন্ন আসবাপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। নিমিষে সব কিছু হারিয়ে তিনি মাঝে মাঝে কান্নায় ভেঙে  জ্ঞান হারিয়ে পড়ছেন। বার বার বলছেন- আমার সব সহায় সম্বল শেষ। এখন আর মাথা গোজার ঠাঁইও রইলো না। এখন খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তালুক বেলকা গ্রামে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। ওই গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর ছেলে ফারুক হোসেনের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মিভূত হয়।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে হঠাৎ করে ফারুক মিয়ার বাড়িতে রান্নার চুলা থেকে অগুনের সুত্রপাত ঘটে। নিমিষেই তা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। এসময় দুটি ঘর, ঘরে থাকা আসবাবপত্র, চাল, ধানসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ফারুক হোসেন বলেন, ‘হঠাৎ করে চুলার আগুনে আমার সব পুড়ে ছাই হয়ে গেল। এতে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। এখন খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া কোন উপায় নেই।

সুন্দরগঞ্জের বেলকা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্যাহ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, রান্নার চুলার আগুনে ফারুক হোসেনের দুইটি ঘরসহ সব মালামাল পুড়ে গেছে। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে।